নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া না গেলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন

নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া না গেলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া না গেলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
ছবি সংগৃহীত।

কোথাও যদি নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া না যায়, তাহলে গণমাধ্যম জনস্বার্থে বিষয়টি তুলে ধরবে এবং সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে জ্বালানির দামে যথেষ্ট অস্থিরতা রয়েছে। এর মধ্যেও সরকার এলপিজির দাম সমন্বয়ের চেষ্টা করছে। তবে কোথাও কোথাও সমন্বয় করা দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ পরিস্থিতিতে খোলা বাজারে এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং কমিশন নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি ও অটোগ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করতে এরইমধ্যে সব জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের নিয়ে অনলাইন সভা করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিভিন্ন জেলায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তদারকি কার্যক্রমও চলছে।

তিনি বলেন, এর আগে অনেককে জরিমানাও করা হয়েছিল, এখন এটি জোরদার করা হয়েছে।

এলপিজির বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও সরকারের আলোচনা চলছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, জ্বালানি মন্ত্রী এলপিজি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন। এসব বৈঠকে ব্যবসায়ীরা বাজার স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে মন্ত্রীকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। সরকার আশা করছে, এর মাধ্যমে এলপিজি নিয়ে বাজারের বর্তমান সংকট কমে আসবে।

নির্ধারিত দামে এলপিজি না পাওয়ার অভিযোগ থাকলে গণমাধ্যমকে তা তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, এটা তো অত্যন্ত এসেনশিয়াল একটি পণ্য, এটা ছাড়া আসলে চলা যায় না।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতির মধ্যেও সরকার এলপিজির দাম সমন্বয়ের বিষয়ে কাজ করছে। একইসঙ্গে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি নিশ্চিত করার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, অভিযানই একমাত্র সমাধান করতে পারে, সরকার এমনটা মনে করে না।

তিনি বলেন, সরকার যে কাজটি করার চেষ্টা করেছে, সেটি হলো দাম বেড়েছে এই পরিস্থিতিতে যারা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, যারা এলপিজি আমদানি ও বোতলজাত করেন, তারা যেন ন্যায্যমূল্য পান। এতে সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হবে না এবং দাম স্থিতিশীল রাখার সুযোগ তৈরি হবে।

একইসঙ্গে যারা আইন মানছেন না, তাদের বিরুদ্ধে কিছু অ্যাকশন নেওয়ার কথা আমরা বলছি। তো এটা একটা সমন্বিত পদক্ষেপ। এটা শুধু ভোক্তা অধিকারকে দিয়ে করলেই শেষ পর্যন্ত সমাধান হয়ে যাবে আমরা তা মনে করি না, বলেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, খাদ্যসহ অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রেও একইভাবে আইনগত পদক্ষেপের পাশাপাশি অন্যান্য উদ্যোগের মাধ্যমে সমন্বিতভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা চলছে।




২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে আগামী ২৬ অক্টোবর চার দিনের সরকারি সফরে টোকিও যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে আগামী ২৬-২৯ অক্টোবর টো‌কিও সফর করার কথা র‌য়ে‌ছে প্রধানমন্ত্রীর। টো‌কিও সফরকালে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর স‌ঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক কর‌বেন তা‌রেক রহমান। এছাড়া, জাপানের সম্রাট নারুহিতোর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ হওয়ার কথা রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রী সফ‌রে জ্বালা‌নি সহ‌যো‌গিতা, জনশ‌ক্তি রপ্তা‌নি, বি‌নি‌য়োগ, বা‌ণিজ্য এবং বি‌ভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষ‌য়ে প্রাধান্য পেতে পারে।

ঢাকার এক‌টি কূট‌নৈ‌তিক সূত্র জা‌নি‌য়ে‌ছে, প্রধানমন্ত্রী জাপান সফ‌রে ক‌য়েক‌টি সম‌ঝোতা স্মারক ও চু‌ক্তি নি‌য়ে দুই প‌ক্ষের ম‌ধ্যে আলোচনা চল‌ছে। এগু‌লোর ম‌ধ্যে জনশ‌ক্তি রপ্তা‌নি সংক্রান্ত এক‌টি সম‌ঝোতা প্রায় প্রস্তুত, উভয় প‌ক্ষের সম্ম‌তি‌তে প্রধানমন্ত্রীর টো‌কিও সফ‌রে এ‌টি সই হওয়ার সম্ভবনা র‌য়ে‌ছে।




স্কুল থেকেই শিশুদের বিদেশি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

স্কুল থেকেই শিশুদের বিদেশি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

ভবিষ্যতে বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুত করতে স্কুল থেকেই শিশুদের অতিরিক্ত বিদেশি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার মতে, একটি তৃতীয় ভাষায় দক্ষতা ভবিষ্যতে বিদেশে পড়াশোনা কিংবা কর্মক্ষেত্রে অন্য দেশের মানুষের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকতে শিশুদের সহায়তা করবে।

এর মাধ্যমে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরবি, ম্যান্ডারিন, জার্মান, জাপানিজসহ কয়েকটি বিদেশি ভাষার মধ্য থেকে শিশুরা নিজেদের পছন্দের একটি ভাষা বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ‘শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেকটি বাচ্চার মধ্যে কোনও না কোনও একটা কোয়ালিটি আছে। আমাদের দরকার শুধু তাকে সেই সুযোগটা করে দেওয়া, যার মাধ্যমে সে নিজেকে বিকশিত করতে পারবে।

‘দেশের অধিকাংশ পরিবারের পক্ষে ব্যক্তিগতভাবে সন্তানদের এসব সুযোগ করে দেওয়া সম্ভব নয়। তাই শহরের পাশাপাশি প্রত্যন্ত গ্রামের শিশুরাও যেন শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত ও খেলাধুলার সুযোগ পায়, সে জন্য স্কুল পর্যায় থেকে এসব সুবিধা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’

নিজের গিটার ও কিবোর্ড শেখার আগ্রহের কথা উল্লেখ করে শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা গিটার, হারমোনিয়াম, বাঁশি কিংবা অন্য কোনও বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পছন্দ করে, তা সম্পূর্ণ করে ভালোভাবে শেখতে হবে।’

যারা গান বা নাচ পছন্দ করে, তাদেরও সেই প্রতিভা বিকাশে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একইভাবে যারা কেরাত ও কোরআন তেলাওয়াত পছন্দ করে, তাদেরও তা সুন্দরভাবে রপ্ত করার পরামর্শ দেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, ‘এ-সংক্রান্ত কাজগুলো মোটামুটিভাবে গুছিয়ে আনা হয়েছে এবং ২০২৭ অথবা ২০২৮ সাল থেকে পুরো প্রক্রিয়া শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে।’ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী গান, বাদ্যযন্ত্র ও খেলাধুলার বিভিন্ন ক্ষেত্র বেছে নেয়ার সুযোগ পাবে বলেও জানান তিনি।

সরকার প্রধান বলেন, ‘শিশুদের শুধু পড়াশোনা, খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি কিংবা ভাষাজ্ঞান অর্জন করলেই হবে না; নিজেদের মানবিক মানুষ হিসেবেও গড়ে উঠতে হবে।  এই দেশের প্রকৃতি, এই দেশের পশুপাখির প্রতিও কিন্তু তোমাদেরকে মানবিক হতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শিশুদের প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের প্রতি যত্নশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘বাড়ি, স্কুল কিংবা আশপাশের এলাকায় থাকা গাছের যত্ন নিতে হবে। পশুপাখির প্রতিও সদয় হতে হবে।’ প্রকৃতি ও প্রাণীর প্রতি মানুষের দায়িত্বশীল আচরণ একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্বাস করেন প্রধানমন্ত্রী।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান। 




বাংলাদেশকে একটি মানবিক দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশকে একটি মানবিক দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই : প্রধানমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশকে একটি মানবিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তিনি বলেন, শুধু মানুষের প্রতি মানুষ দয়া করবে না। মানুষ প্রকৃতির প্রতি দয়া করবে। মানুষ দয়া দেখাবে প্রকৃতির সৃষ্টির সবকিছুর প্রতি এবং আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি তোমরা সেটি করতে সক্ষম হবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিশু কিশোরদেরকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তোমরা যখন বড় হবে, তোমরা চেষ্টা করবে তোমার আশেপাশে যে প্রকৃতি আছে, অর্থাৎ তোমার আশেপাশে যে গাছপালা আছে, তোমার বাড়ির আশেপাশে হোক তোমার স্কুলের মধ্যে হোক তুমি যেখানে যেই জায়গাটি পছন্দ করো সেই জায়গাটির আশেপাশে হোক, যদি কোনো গাছ থাকে যেটি তোমার মতো ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। সেই গাছটি যাতে তোমার মতো বড় হতে পারে। তুমি গাছটিকে সাহায্য করো। তুমি গাছটিকে পানি দাও। তুমি গাছটিকে যত্ন করো যাতে সেটি বড় হতে পারে। তুমি যেখানে থাকো তোমার বাসায় হোক, তোমার স্কুলে হোক, সেখানে কোনো না কোনো পশুপাখি তোমার আশেপাশে আছে। এই পশুপাখিও কিন্তু এই দেশের সম্পদ। অর্থাৎ তোমার দেশের সম্পদ। তোমার সম্পদ তুমি চেষ্টা করো পশুপাখির প্রতি সময় দেওয়ার জন্য। তুমি চেষ্টা করো সেই পশুপাখির প্রতি দয়া দেখানোর জন্য। তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করো।

অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুকে এই অনুভূতিটুকু, বোধটুকু দিন যে, যাতে করে সে প্রকৃতির প্রতি কাইন্ড হয়। যাতে করে সে প্রকৃতির সৃষ্টি পশুপাখির প্রতি কাইন্ড হয়। আমরা যদি সবাই মিলে চেষ্টা করি আমাদের শিশুদের মধ্যে এই অনুভূতিটা দিতে, এই বোধ শক্তি দিতে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী ইনশাআল্লাহ আমরা একদিন একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবো। আমরা যদি প্রকৃতির প্রতি সদয় হই, অবশ্যই প্রকৃতিও আমাদের প্রতি সদয় হবে। কাজেই প্রকৃতির ভেতরেই যেহেতু আমরা বেড়ে উঠি, কাজেই পাশাপাশি যেহেতু আমরা থাকি, সেজন্যই আমরা আমাদের শিশুদেরকে এখন থেকে সেই বোধ শক্তিতে দেওয়ার চেষ্টা করি, যে প্রকৃতির সঙ্গে বেঁচে থাকতে হলে, প্রকৃতির ভেতরে বেঁচে থাকতে হলে আমাদেরকে প্রকৃতিকেও সহযোগিতা করতে হবে। প্রকৃতিকেও প্রকৃতির মতো করে তাদেরকে যেতে দিতে হবে। তাকে সহযোগিতা করতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, তোমরা যদি এ ব্যাপারে সচেতন হও, তাহলে আমরা একটা সুন্দর একটি বাংলাদেশ তুলতে পারবো। সুন্দর একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে পারবো। তোমরা যখন রাস্তা দিয়ে হাঁটাচলা করো নিশ্চয়ই তোমরা খেয়াল করে দেখেছ যে, বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকম আবর্জনা বা ময়লা পড়ে থাকে। যেভাবেই হোক, আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ একটু অসচেতন। যে–কোনো ময়লায়, যে–কোনো আবর্জনা, যে–কোনো জিনিস ব্যবহার হয়ে গেলে সেটি যদি কোনো প্যাকেটে থাকে বা কিছু থাকে, আমরা অসচেতন ভাবে যে–কোনো জায়গায় আমরা ফেলে দেই। আমাকে একটু তোমরা সাহায্য করো।

‘তুমি যেহেতু বড় হচ্ছো, তোমার সামনে কোনো বড় মানুষ যদি কোনো একটি ময়লা বা আবর্জনা বা অব্যবহৃত কোনো জিনিস যন্ত্র যদি ফেলে দিয়ে পরিবেশকে ক্ষতি করে, পরিবেশকে নষ্ট করে, পরিবেশকে ময়লা করে। তুমি ছোট হিসেবে, তুমি তাকে লজ্জা দিয়ে বলতে পারো যে, ময়লাটি সঠিক জায়গায় ফেলুন। আপনি যদি পরিবেশ নষ্ট করেন, আপনি যদি পরিবেশকে ময়লা করেন, তাহলে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হবো। আমি আজকের শিশু, আমি ক্ষতিগ্রস্ত হবো। আমি ক্ষতিগ্রস্ত হব। মানে বাংলাদেশের লক্ষ কোটি শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, প্রত্যেকে যেই ঘরটিতে থাকি সেই ঘরটি মজবুত থাকে তখনই, যখন তার খুঁটিগুলো শক্ত থাকে। আমাদের আজকের শিশুরা প্রত্যেকটি শিশু আপনার পরিবারে, আপনার ঘরে যে শিশুটি আছে সেই শিশুটি আপনার পরিবারের খুঁটি। সেই শিশুটি যদি সুন্দরভাবে, সঠিকভাবে বড় হতে পারে, বেড়ে উঠতে পারে। আপনার পরিবারের ভিত্তি যে-রকম দৃঢ় হবে। আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে বিশ্বাস করি। সামগ্রিকভাবে আমরা সমগ্র বাংলাদেশে আমাদের সব শিশুকে যদি সঠিকভাবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ করে দিতে পারি। তাহলে আমাদের দেশও অনেক মজবুত হবে। যা আগামীদিন আমাদের বাংলাদেশকে এই প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমাদের বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে শক্তিশালী একটি দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানসহ আরো অনেকে।