নাফ নদীতে কাঠের বোটে কোস্ট গার্ডের হানা: ৭৫ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৬ অপরাহ্ন

নাফ নদীতে কাঠের বোটে কোস্ট গার্ডের হানা: ৭৫ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২

নাফ নদীতে কাঠের বোটে কোস্ট গার্ডের হানা: ৭৫ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে অভিযান চালিয়ে পৌনে ৪ কোটি টাকা মূল্যের ৭৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক পাচারকারীকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। মঙ্গলবার দুপুরে টেকনাফের নাইট্যংপাড়া সংলগ্ন নদীতে একটি কাঠের বোট তল্লাশি করে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বুধবার সকালে অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফের একটি বিশেষ দল নাফ নদীতে অবস্থান নেয়। এসময় একটি সন্দেহজনক কাঠের বোটের গতিবিধি দেখে সেটিকে থামানোর সংকেত দেওয়া হয়। বোটটি তল্লাশি করে ভেতরে লুকানো অবস্থায় ৭৫ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।

অভিযান চলাকালে মাদক পাচারকাজে ব্যবহৃত কাঠের বোটটি জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা। আটক ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে।

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বলেন, “জব্দকৃত ইয়াবা, বোট এবং আটক ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক পাচার ও চোরাচালান দমনে আমাদের এ ধরনের বিশেষ অভিযান ও কড়া নজরদারি অব্যাহত থাকবে।”




কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১৯ তম সিন্ডিকেট সভা

কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১৯ তম সিন্ডিকেট সভা
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১৯ তম সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকালে ভিসির কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠানে আগামীতে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম কনভোকেশনসহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা পরবর্তী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ মহোদয়ের সভাপতিত্বে সিন্ডিকেট সভায় উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য মো. মাহবুবুল হক পাটোয়ারী, সিবিআইইউ প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান লায়ন মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান, ট্রাস্টি বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবা সুলতানা, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) মনোনীত সিন্ডিকেট সদস্য এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. নুরুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন প্রফেসর কাজী মোস্তাইন বিল্লাহ, ট্রেজারার প্রফেসর ড. বেলাল নূর আজিজী, প্রশাসনিক উপদেষ্টা খুরশিদুর রহমান, রেজিস্ট্রার রাজিদুল হক এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আতাউল্লাহ খালেদ।

অনুষ্ঠানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নবনিযুক্ত ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ মহোদয়কে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আভ্যন্তরীণ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা, বিগত সভার প্রস্তাবাবলী পঠন, অনুমোদন, বিবিধ প্রশাসনিক বিষয়ে বিষদ পর্যালোচনা হয়।

উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন এর মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষনা করেন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ।




চক্রিয়ায় গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, ঘাতক স্বামী গ্রেপ্তার

চক্রিয়ায় গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, ঘাতক স্বামী গ্রেপ্তার
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের চক্রিয়ায় পারিবারিক কলহের জেরে রুমা আক্তার নামে এক গৃহবধূকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী মানিকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে চকরিয়া থানা পুলিশ।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝের পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রুমা আক্তার স্থানীয় বাসিন্দা বাহাদুরের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে স্বামী মানিক তাঁর স্ত্রী রুমা আক্তারকে মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে গুরুতর আহত হয়ে ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে চকরিয়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত মানিককে গ্রেপ্তার করে।

এদিকে নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।




অনুমোদন নাটকীয়তা শেষ, ৮৩৬ পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে এমভি বার আউলিয়া

অনুমোদন নাটকীয়তা শেষ, ৮৩৬ পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে এমভি বার আউলিয়া
ছবি সংগৃহীত।

পর্যটন মৌসুমে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল নিয়ে প্রতিবছর চলে নানা নাটকীয়তা। অনুমোদন পেতে পর্যটন ব্যবসায়ীদের আবেদন আদালত পর্যন্ত গড়াতে হয়। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দেনদরবারে ভোগান্তির অন্তত থাকে না। ১ নভেম্বর জাহাজ চলাচলের কথা থাকলেও মেলেনি অনুমোদন। অবশেষে ধোঁয়াশা কেটেছে। অনিশ্চয়তা ও নাটকীয়তার পর কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টায় এমভি বার আউলিয়া জাহাজটি শহরের নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে ৮৩৬ পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। সমুদ্রপথে প্রবাল দ্বীপে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত পর্যটকরা।

অনুমতি পাওয়া বাকি দুইটি জাহাজ 
এমভি কর্ণফুলি ও এমভি টেকনাফ শুক্রবার থেকে চলাচল করার কথা রয়েছে।

বিলম্বে হলেও সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ অনুমোদন পাওয়ায় পর্যটন খাতের জন্য ইতিবাচক মন্তব্য করলেন পর্যটনের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন অব কক্সবাজার (টুয়াক) এর সাধারণ সম্পাদক আকতার নূর।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আ. মান্নান জানান, আগে থেকে টিকিট সংগ্রহ করা অনেক পর্যটকের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বৃহস্পতিবার একটি জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে জাহাজটি সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

সরকারের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকেই সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াত শুরুর কথা ছিল। তবে প্রশাসনিক অনুমোদন, নৌযানের চলাচলের ছাড়পত্র এবং পরিবেশগত শর্ত পূরণ নিয়ে জটিলতা দেখা দেওয়ায় নির্ধারিত সময়ে জাহাজ চলাচল শুরু করা যায়নি। পরে নৌপরিবহন অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ায় সেই বাধা কাটে।

জাহাজ মালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, এবার পর্যটন মৌসুমে জাহাজ চলাচলের অনুমতি পেয়েছে তিনটি জাহাজ। তবে প্রথম দিনে যাত্রা শুরু করেছে বার আউলিয়া জাহাজটি। পর্যটক পরিবহনের সুযোগ সীমিত থাকলেও জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ায় আশাবাদী পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। সবার প্রত্যাশা, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে দ্বীপকেন্দ্রিক পর্যটন কার্যক্রম।

তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাত্রা হওয়ার কথা থাকলেও নানা জটিলতায় এবার পাঁচ দিন পিছিয়ে ৫ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে জাহাজ চলাচল। যাত্রার আগে অগ্নিনিরাপত্তাসহ জাহাজের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করে প্রশাসন।

সুত্র মতে, এমভি বার আউলিয়া, এমভি কর্ণফুলি ও এমভি টেকনাফ-এই তিনটি জাহাজের সম্মিলিত যাত্রী ধারণক্ষমতা ২ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে এমভি বার আউলিয়ার ধারণক্ষমতা ৮৫০, এমভি কর্ণফুলির ৭৩২ এবং এমভি টেকনাফের ৭১৬ জন।

নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, এমভি বারো আউলিয়া সকাল ৭টায় কক্সবাজার থেকে ছেড়ে দ্বীপ থেকে ফিরবে বেলা আড়াইটায়। এমভি কর্ণফুলী সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে যাত্রা শুরু করে ফিরবে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে। আর এমভি টেকনাফ সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে বিকেল সাড়ে ৩টায় দ্বীপ থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেবে। তিনটি জাহাজই নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে যাত্রী পরিবহন করবে।

সরকারের সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য সেন্টমার্টিন ভ্রমণের সুযোগ থাকবে। এ সময় দ্বীপে ভ্রমণের পাশাপাশি রাত্রিযাপনও করতে পারবেন পর্যটকেরা। তবে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটককে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।
ভ্রমণের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্তও নির্ধারণ করেছে সরকার। প্রত্যেক পর্যটককে দিতে হবে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি। পাশাপাশি সংগ্রহ করতে হবে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোডযুক্ত টিকিট।

নির্দেশনা অনুযায়ী, রাতে সৈকত ও আশপাশের এলাকায় আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দ সৃষ্টি কিংবা বারবিকিউ পার্টির আয়োজন করা যাবে না। কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ ও কেনাবেচাও নিষিদ্ধ।
এ ছাড়া সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের কোনো প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা যাবে না। সৈকতে মোটরসাইকেল, সি-বাইকসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএ সূত্র বলছে, প্রথম দিন একটি জাহাজ চলাচল করলেও পর্যায়ক্রমে যুক্ত হবে অনুমোদন পাওয়া অন্য জাহাজগুলো।

দীর্ঘ বিরতির পর পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ায় সেন্টমার্টিনের পর্যটননির্ভর ব্যবসায় আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরবে বলে আশা করছেন টুয়াক সভাপতি আনোয়ার কামাল।

পর্যটক বাড়লে দ্বীপের হোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, স্থানীয় পরিবহনসহ বিভিন্ন সেবামূলক খাতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়বে। এতে পর্যটননির্ভর স্থানীয় বাসিন্দারাও উপকৃত হবেন বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সেন্টমার্টিনের পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি দ্বীপটির প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সমান গুরুত্ব দিতে হবে। পর্যটন কার্যক্রমের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা না গেলে অতিরিক্ত পর্যটকের চাপ দ্বীপটির পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদি হুমকি হয়ে উঠতে পারে।