থানচিতে যুবতীদের প্রাণিসম্পদ ও উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৯ অপরাহ্ন

থানচিতে যুবতীদের প্রাণিসম্পদ ও উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ

থানচিতে যুবতীদের প্রাণিসম্পদ ও উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের থানচি উপজেলায় স্থানীয় যুবতীদের বাস্তবভিত্তিক ব্যবসায়িক ও কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রাণিসম্পদ ও যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিষয়ক পাঁচ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং পর্যন্ত ৩ নম্বর থানচি ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। একশনএইড বাংলাদেশ (এএবি)-এর সহযোগিতায় বলিপাড়া নারী কল্যাণ সমিতি (বিএনকেএস) বাস্তবায়িত ওইএসআইএসএস প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে গত ৫ আগস্ট থানচি উপজেলা পরিষদ হলরুমে স্পন্সর মেয়ে শিশু পরিবারের আয়বর্ধক কার্যক্রম (আইজিএ) সহায়তা হিসেবে সাতজন যুবতীকে প্রত্যেককে ১৫ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ ৫ হাজার টাকার চেক এবং স্পন্সর মেয়ে শিশুর জন্য প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে সহায়তা প্রদান করা হয়। ওই আইজিএ সহায়তার ধারাবাহিকতায় উপকারভোগী যুবতীদের প্রাণিসম্পদভিত্তিক উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

প্রশিক্ষণে স্থানীয় আবহাওয়া ও পরিবেশের সঙ্গে সহনশীল উন্নত জাতের গরু, ছাগল, হাঁস ও মুরগি নির্বাচন, স্বাস্থ্যসম্মত খামার ও ঘরের নকশা, পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা, আধুনিক শেড নির্মাণ ও গৃহায়ন পদ্ধতি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

এছাড়া গৃহপালিত পশু-পাখির জন্য প্রাকৃতিক ও পুষ্টিকর খাবারের ব্যবস্থা, বিভিন্ন রোগের প্রাথমিক লক্ষণ শনাক্তকরণ, রোগ প্রতিরোধ এবং টিকাদানের সঠিক পদ্ধতি নিয়েও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য মগক হেডম্যান পাড়ার অংসিংউ এগ্রো ফার্ম পরিদর্শন করানো হয়। সেখানে খামার ব্যবস্থাপনা, হাঁস-মুরগি পালন এবং টিকা দেওয়ার সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে ব্যবহারিক শিক্ষা দেওয়া হয়।

প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক ও কনসালটেন্ট হিসেবে ছিলেন, থানচি উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. শরীফুল ইসলাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনকেএস পিআরএলসি প্রকল্পের টেকনিক্যাল অফিসার হ্লাগ্যউ মারমা, বিএনকেএস ওইএসআইএসএস প্রকল্পের প্রোগ্রাম অ্যান্ড স্পন্সরশিপ অফিসার মংক্যওয়ং মারমা এবং একই প্রকল্পের ফিল্ড অর্গানাইজার মংপ্রুচিং মারমা।

আয়োজকরা জানান, প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো আইজিএ সহায়তা পাওয়া যুবতীদের শুধু আর্থিক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তাদের বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান, কারিগরি দক্ষতা ও ব্যবসায়িক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। প্রাণিসম্পদ পালন ও ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণ কাজে লাগিয়ে তারা ভবিষ্যতে নিজেদের আয়বর্ধক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন।

পাঁচ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ভ্যাকসিন, প্রয়োজনীয় মেডিসিন ও প্রশিক্ষণ সনদ বিতরণ করা হয়। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, প্রশিক্ষণ ও আইজিএ সহায়তার সমন্বয়ে স্থানীয় যুবতীদের স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি পরিবারে আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।




আলীকদমে বিষপানে যুবকের মৃত্যু

আলীকদমে বিষপানে যুবকের মৃত্যু
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের আলীকদমে পারিবারিক কলহের জেরে প্যারাকোয়াট (ঘাস মারার বিষ) পানে আরাফাত মিয়া (২৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। 

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।নিহত আরাফাত মিয়া উপজেলার ১নং আলীকদম ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের পেঠান সর্দার পাড়ার আব্দুল আজিজের ছেলে। তিনি দুই স্ত্রীর স্বামী ছিলেন বলে জানা গেছে।বিষপানের পর হোটেলে ভাত খেলেন যুবক।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে নিজ বসতঘরে বিষপান করেন আরাফাত। তবে বিষপানের পর তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে স্থানীয় পানবাজার এলাকায় চলে আসেন। সেখানে ইউসুফ আলীর হোটেলে গিয়ে স্বাভাবিকভাবে ভাতও খান।খাবার শেষে তিনি পানবাজার-কলারঝিরি মোড়ের একটি ছাউনির নিচে গিয়ে দাঁড়ালে স্থানীয়রা তার আচরণ ও শারীরিক অবস্থায় অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করেন। জিজ্ঞাসা করলে আরাফাত বমি বমি ভাবের কথা জানান। পরে স্থানীয়রা তাকে লেবু খাওয়ান এবং তিনি বমি করলে বিষপানের বিষয়টি স্পষ্ট হয়। এরপর দ্রুত তার স্বজনদের খবর দেওয়া হয়। বিষপানের পরও কীভাবে তিনি বাজারে এসে স্বাভাবিকভাবে খাবার খেলেন, তা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

হাসপাতাল ও চিকিৎসকের বক্তব্য:নিহতের ভাগিনা মো. তারেক জানান, খবর পেয়ে স্বজনরা দ্রুত আরাফাতকে আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে রেফার করা হলে, পথে তাকে মালুমঘাট মেমোরিয়াল হাসপাতালেও নেওয়া হয়েছিল। সর্বশেষ চমেক হাসপাতালে ভর্তি করার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শফিউল আলম বলেন, “রোগীর শরীরে প্যারাকোয়াট বিষের প্রতিক্রিয়া অনেক বেশি ছিল। এটি মূলত ঘাস মারার বিষ। এ ধরনের বিষ খাওয়া রোগীর পেট ওয়াশ (ডধংয) করার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। কেরোসিন বা পেট্রোলজাতীয় বিষের মতো এটি ওয়াশ করলে ক্ষতি আরও বাড়তে পারে। তাই প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে দ্রুত চমেক হাসপাতালে রেফার করা হয়েছিল।

পুলিশের তথ্য ও আইনগত ব্যবস্থা:পুলিশের নথি অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে আরাফাতকে চমেক হাসপাতালের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে রাত ১টার দিকে তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালের চিকিৎসা-নথিতেও মৃত্যুর কারণ হিসেবে ‘প্যারাকোয়াট পয়জনিং’ (চঅজঅছটঅঞ চঙওঝঙঘওঘএ) উল্লেখ রয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, নিহত যুবকের মরদেহ বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




রাতদিন চলছে বালু উত্তোলন, অভিযোগের তীর জহির গংয়ের দিকে

রাতদিন চলছে বালু উত্তোলন, অভিযোগের তীর জহির গংয়ের দিকে
ছবি সংগৃহীত।

রাজনীতির আড়ালে লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা ও চুনতি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় রাতদিন অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব ব্যবহার করে জাহেদুল ইসলাম জহির ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে সরকারি জমি, সংরক্ষিত বনাঞ্চলের আশপাশের এলাকা, কৃষিজমি ও পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পুটিবিলা এলাকার ইব্রাহিম ও মোহছেন (প্রকাশ মহাসিন ডাক্তার)-এর দখলীয় জমি, সরকারি পিএফ জমি, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রিজার্ভ এলাকা, নলুবিল, ডলুখাল, হরি খাল, আন্দারি খাল ও পুলং খালসহ অন্তত ১৫-২০টি পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, দিন-রাত সমানতালে এসব পয়েন্ট থেকে বালু তুলে ডাম্পার ও ড্রাম ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হচ্ছে।

সরেজমিন পরিদর্শনে অভিযোগ রয়েছে, চুনতি ইউনিয়ন ছাত্রদলের পরিচয় ও রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে জহির ও তার সহযোগীরা এসব বালু উত্তোলন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের নিয়ে এসব অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ন্ত্রন করছেন ছাত্রদল নামধারী জহির।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে কৃষিজমি, খালপাড় ও আশপাশের ভূমিতে ভাঙন দেখা দেওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। কোথাও কোথাও বসতবাড়িও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।

এদিকে বালু পরিবহনে ব্যবহৃত ভারী ডাম্পার ও ড্রাম ট্রাকের কারণে স্থানীয় গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নিয়মিত ভারী যানবাহন চলাচলে বিভিন্ন সড়কে গর্ত সৃষ্টি ও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলেও দুর্ভোগ বাড়ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয়। রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে অনেকে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পান না বলেও দাবি করেন তারা।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার বা ব্যাখ্যা করার সুযোগ অভিযুক্ত জাহেদুল ইসলাম জহিরকে দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা ২০০ টাকার মালিক, এমবি খরচ লাগলে বলেন, আমি দিবো। আমার বিরুদ্ধে নিউজ লিখেন, দেখি আমার কী করতে পারেন। বালু উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগের বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো বক্তব্য দেননি।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও সরকারি জমির আশপাশে দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলনের অভিযোগ থাকলেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন। তারা অবিলম্বে সরেজমিন তদন্ত করে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং সরকারি সম্পদ ও পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সচেতন এলাকাবাসীর দাবি, অবৈধ বালু উত্তোলনের স্থানগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হলে সরকারি সম্পদ ও পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় সড়ক ও জনজীবনও সুরক্ষিত হবে।

এ বিষয়ে লোহাগাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মং এছেন বলেন, বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি যেকোনো দলের বা যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। পরিবেশ ধ্বংসকারী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
 




লক্ষ্মীছড়িতে দুর্গম পাহাড়ে যাতায়াতের নতুন সেতুবন্ধন, সাঁকো বানাল সেনাবাহিনী

লক্ষ্মীছড়িতে দুর্গম পাহাড়ে যাতায়াতের নতুন সেতুবন্ধন, সাঁকো বানাল সেনাবাহিনী
ছবি সংগৃহীত।

খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার দুল্যাতলী ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকার ছয়টি পাড়ার মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে খালের ওপর বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লক্ষ্মীছড়ি জোনের দুল্যাতলী আর্মি ক্যাম্প।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার প্রায় ৩০০ মানুষ প্রতিদিন বিভিন্ন প্রয়োজনে ওই পথ দিয়ে চলাচল করেন। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে তাদের পানির ছড়া পার হয়ে যাতায়াত করতে হতো। বর্ষা মৌসুমে পানির প্রবাহ বেড়ে গেলে এ দুর্ভোগ আরও তীব্র আকার ধারণ করত। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদেরও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হতো।

বিশেষ করে দুল্যাতলী হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হতো। নতুন বাঁশের সাঁকো নির্মাণের ফলে এখন শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচল অনেকটা সহজ হয়েছে।

দুল্যাতলী আর্মি ক্যাম্পের উদ্যোগে নির্মিত সাঁকোটি ছয়টি পাড়ার মানুষের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন সেতুবন্ধন তৈরি করেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে সাঁকোটি দৈনন্দিন জীবনে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে।

দুল্যাতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ত্রিলন চাকমা বলেন, এটি একটি মহতী উদ্যোগ। পাহাড়ের মানুষ অনেক কষ্ট করে যাতায়াত করেন। সেনাবাহিনী বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ করে দেওয়ায় স্থানীয় মানুষের অনেক উপকার হয়েছে।

দুল্যাতলী আর্মি ক্যাম্প কমান্ডার মেজর নাহিয়ান ইমতিয়াজ বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিনিয়ত জনকল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ওই এলাকার মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়েছে। এতে স্কুলপড়ুয়া ছেলে-মেয়েরা এবং প্রয়োজনের তাগিদে বাজার কিংবা অফিসের জরুরি কাজে যাতায়াতকারীরা এখন আর পানি পেরিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে না।