ক্যানসার আক্রান্ত ২ সন্তানের জননী ইয়াসমিনকে বাঁচাতে সাহায্যের আবেদন

একটি সচল ও স্বপ্নঘেরা পরিবারে নেমে এসেছে অমাবস্যার ঘোর অন্ধকার। ক্যানসারের নির্মম থাবায় থমকে গেছে চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার ৮ নম্বর ঢেমশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের খোন্দকার পাড়ার কামাল মাস্টার বাড়ির এক অসহায় পরিবারের স্বাভাবিক জীবন। মরণব্যাধি ক্যানসারের সঙ্গে প্রতিদিন লড়াই করছেন স্থানীয় কামাল মাস্টারের বাড়ির মৃত নুরুল আনোয়ারের কন্যা ও দুই সন্তানের জননী ইয়াসমিন আক্তার। অর্থের অভাবে এখন বন্ধের পথে তাঁর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা; থমকে যেতে বসেছে জীবনের চাকা।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে ইয়াসমিন আক্তারের শরীরে প্রথম ক্যানসার ধরা পড়ে। রোগ নির্ণয়ের পর থেকেই শুরু হয় বেঁচে থাকার এক কঠিন যুদ্ধ। এ পর্যন্ত পরিবারের সঞ্চয় ও স্বজনদের সহায়তায় প্রায় ১৩ লাখ টাকা ব্যয় করে চিকিৎসা চালানো হয়েছে। কিন্তু ইয়াসমিন আক্তারের স্বামী হেলাল উদ্দিন পেশায় একজন দিনমজুর। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে শ্রম বিক্রি করে যার সংসার চলে, তাঁর পক্ষে এ ধরনের ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ টানা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
বর্তমানে তিনি সিরাজগঞ্জের খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে দেশের একজন অভিজ্ঞ ক্যানসার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জানা যায়, ইয়াসমিনকে সুস্থ করে তুলতে ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে আরও অন্তত ১০ লাখ টাকার জরুরি প্রয়োজন।
ছোট ছোট দুই সন্তানকে বুকে জড়িয়ে স্ত্রীর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে চান অসহায় স্বামী হেলাল উদ্দিন। চোখের জলে ভাসতে ভাসতে তিনি বলেন, "আমার ছোট শিশু দুটি অবুঝ, ওরা প্রতিদিন মায়ের সুস্থতার পথ চেয়ে থাকে। দিনমজুরের আয় দিয়ে যেখানে প্রতিদিনের খাবার জোটে না, সেখানে ১০ লাখ টাকা জোগাড় করা আমার সাধ্যের বাইরে। আপনাদের একটু সহযোগিতায় হয়তো আমার সন্তানরা তাদের মাকে ফিরে পাবে।"
ক্যানসার আক্রান্ত ইয়াসমিন আক্তারের জীবন বাঁচাতে ও তাঁর অকালপ্রয়াণ রোধে সরকার, বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক সংগঠন এবং দেশ-বিদেশের বিত্তবান ও হৃদয়বান ব্যক্তিদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য আকুল আবেদন জানানো হচ্ছে।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা:
রোগীর বিকাশ নম্বর: ০১৮৮৭-৭৫৯২০৮ (ইয়াসমিন আক্তার)
(আপনার সামান্য সহানুভূতি ও অনুদান বাঁচিয়ে দিতে পারে দুটি শিশুর প্রিয় মায়ের জীবন। আসুন, এই কঠিন সময়ে অসহায় পরিবারটির পাশে গিয়ে দাঁড়ায়।)











