কন্যাশিশু দিবসের প্রতিযোগিতায় বান্দরবানের চার শিক্ষার্থীর সাফল্য
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন

কন্যাশিশু দিবসের প্রতিযোগিতায় বান্দরবানের চার শিক্ষার্থীর সাফল্য

কন্যাশিশু দিবসের প্রতিযোগিতায় বান্দরবানের চার শিক্ষার্থীর সাফল্য
ছবি সংগৃহীত।

আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বক্তব্য ও কুইজ প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন করেছে বান্দরবান আইডিয়াল স্কুলের চার শিক্ষার্থী। বক্তব্য প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাইলুং খুমি। এ ছাড়া কুইজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেয়েছে লিলিশে মারমা, তুতুলি তঞ্চঙ্গ্যা ও পূর্ণ বিকাশ।

রোববার (১১ অক্টোবর) বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের আয়োজনে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস-২০২৬ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় তারা এ সাফল্য অর্জন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাম্যাচিং। সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ছিল, ‘বাল্যবিবাহ বন্ধ করুন, মেয়েশিশুর অধিকারে বিনিয়োগ করুন।’ কন্যাশিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, শিক্ষার প্রসার এবং নারী ও কন্যাশিশুর ক্ষমতায়ন বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

বক্তব্য প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে ছাইলুং খুমি নিজের মেধা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অন্যদিকে, কুইজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার অর্জন করে লিলিশে মারমা, তুতুলি তঞ্চঙ্গ্যা ও পূর্ণ বিকাশ। তাদের এ অর্জনে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

বান্দরবান আইডিয়াল স্কুলের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের এই সাফল্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। বক্তব্য প্রতিযোগিতায় ছাইলুং খুমির প্রথম স্থান অর্জন এবং কুইজ প্রতিযোগিতায় লিলিশে মারমা, তুতুলি তঞ্চঙ্গ্যা ও পূর্ণ বিকাশের পুরস্কার লাভ আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। আমি বিশ্বাস করি, সঠিক দিকনির্দেশনা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ পেলে পাহাড়ের শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও প্রতিভার মাধ্যমে আরও বহুদূর এগিয়ে যেতে পারবে। তিনি বিজয়ী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও বিজয়ী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানানো হয়েছে। এ ধরনের অর্জন শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি সৃজনশীলতা, জ্ঞানচর্চা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণে আরও উৎসাহিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে বিদ্যালয় পরিবার।




খাগড়াছড়িতে বাঁশরী ওয়াদুদ আন্তঃউপজেলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন

খাগড়াছড়িতে বাঁশরী ওয়াদুদ আন্তঃউপজেলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন
ছবি সংগৃহীত।

বর্ণিল নাচ-গান ও উৎসবমুখর আয়োজনের মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়িতে বাঁশরী ওয়াদুদ আন্তঃউপজেলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন করা হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ওয়াদুদ ভূইয়া।

উদ্বোধনী খেলায় মুখোমুখি হয় মানিকছড়ি সানফ্লাওয়ার স্পোর্টিং ক্লাব ও মাটিরাঙ্গা পৌরসভা একাদশ। নির্ধারিত সময়ে কোনো দল গোল করতে না পারায় খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। এতে জয় পায় মাটিরাঙ্গা পৌরসভা একাদশ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওয়াদুদ ভূইয়া বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। এ সময় তিনি খাগড়াছড়িতে একটি নারী ফুটবল একাডেমি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন।

এর আগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কবুতর উড়িয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ম্রাসাথোয়াই মারমাসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও ক্রীড়া সংস্থার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, টুর্নামেন্টে মোট ৯টি দল অংশ নিচ্ছে। আগামী মঙ্গলবার লক্ষ্মীছড়ি মারমা ছাত্র ঐক্য পরিষদ ও গুইমারা বাজার একাদশের মধ্যে খেলা অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২৮ অক্টোবর টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ হওয়ার কথা রয়েছে।




ঘুমধুম সীমান্তে ৩৪ বিজিবির পৃথক অভিযান, ২ লাখ ইয়াবাসহ আটক ২

ঘুমধুম সীমান্তে ৩৪ বিজিবির পৃথক অভিযান, ২ লাখ ইয়াবাসহ আটক ২
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর পৃথক দুটি মাদকবিরোধী অভিযানে ২ লাখ পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এসব অভিযানে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে। বাকি ১ লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবা মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

রোববার (১১ অক্টোবর) কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত ১০ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ঘুমধুম বিওপির একটি বিশেষ টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত পিলার-৩২ থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জামালের ঘের এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ১০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন এফডিএমএন সদস্য মো. ইসলাম (২৫) ও মো. মোজিবুল্লাহ (২৩)।

অন্যদিকে, রোববার (১১ অক্টোবর) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে বাইশফাঁড়ী বিওপির একটি বিশেষ টহলদল সীমান্ত পিলার-৩৫ থেকে প্রায় ১২০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মধ্যপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মালিকবিহীন পরিত্যক্ত অবস্থায় ১ লাখ ৯০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি জানায়, আটক দুজনকে উদ্ধার করা ইয়াবাসহ প্রচলিত আইন অনুযায়ী মামলা দায়েরের পর পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্যদিকে, মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা ইয়াবার ঘটনায় মামলা দায়ের করে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অভিযান প্রসঙ্গে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক বলেন, বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিজিবি আরও জানায়, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীন কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত সুরক্ষা এবং মাদকসহ অন্যান্য অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সীমান্তে মাদক চোরাচালান রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




দুর্গম পাহাড়ে নিরাপত্তা ও মানবিক সেবায় ৩৮ বিজিবি

দুর্গম পাহাড়ে নিরাপত্তা ও মানবিক সেবায় ৩৮ বিজিবি
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপহৃত ব্যক্তি উদ্ধার, অপরাধ দমন, পর্যটকদের নিরাপত্তা, দুর্ঘটনাকবলিতদের উদ্ধার এবং স্থানীয় জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সম্প্রীতি জোরদারে কাজ করছে বলিপাড়া জোন (৩৮ বিজিবি)।

রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে বলিপাড়া জোন (৩৮ বিজিবি) সম্প্রতি বলিপাড়া জোনের আভিযানিক কার্যক্রম, মানবিক সহায়তা ও সম্প্রীতি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন জোন অধিনায়ক ও পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ইয়াসির আরাফাত হোসেন, বিপিএমএস। প্রেস ব্রিফিংয়ে জোন অধিনায়ক জানান, এবছর ২০ মে  আরাকান আর্মিতে যোগদানের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পরিকল্পনাকারী দুই যুবকসহ অপহরণের সঙ্গে জড়িত মাংলে ম্রোকে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আটক করা হয়। পরে ২২ মে বিদ্যামনি পাড়া এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান চালিয়ে অপহৃত মো. আমু হোসেনকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় মুক্তিপণের তিন লাখ টাকা এবং অপহরণে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে অপরাধ দমন, অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আটক ও বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
পর্যটক উদ্ধার থেকে অগ্নিনির্বাপণ, দুর্ঘটনায়ও পাশে বিজিবি

আভিযানিক কার্যক্রমের পাশাপাশি দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে মানবিক সহায়তা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন জোন অধিনায়ক।

তিনি জানান, গত ৪ জুলাই আমিয়াখুম ভ্রমণে গিয়ে বৈরী আবহাওয়ার কারণে থুইসা পাড়া এলাকায় আটকে পড়া চার পর্যটককে উদ্ধার করে বিজিবি। এ ছাড়া ১৬ সেপ্টেম্বর বলি বাজারে মধ্যরাতে গ্যাসের সংযোগে লিকেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত হলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন বিজিবির সদস্যরা।

গত ৫ অক্টোবর দুর্গম তিন্দু বাজার থেকে প্রায় ৬০০ গজ দূরে চাঁদের গাড়ি সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত ও পাঁচজন আহত হন। দুর্ঘটনার পর আহত ব্যক্তিদের উদ্ধারসহ জরুরি সহায়তা কার্যক্রমে বিজিবি সদস্যরা মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।

দুর্গম পাহাড়ি জনপদে যোগাযোগ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, প্রতিকূল আবহাওয়া ও জরুরি পরিস্থিতির মধ্যে মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে বিজিবির মানবিক দায়িত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

শিক্ষা, চিকিৎসা ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে সহায়তা নিরাপত্তা ও উদ্ধার কার্যক্রমের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং পাহাড়ি জনপদে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলিপাড়া জোন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জোন অধিনায়ক জানান, এলাকার দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে শিক্ষা সহায়তা, শীতবস্ত্র বিতরণ, ক্রীড়াসামগ্রী প্রদান, ক্রীড়া কার্যক্রমে সহায়তা, মেডিকেল ক্যাম্পেইন, চিকিৎসাসেবা, সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি অসচ্ছল পরিবারের বিবাহে সহায়তা, ঘর নির্মাণ এবং খাদ্যসহায়তাসহ বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে স্থানীয় জনগণের আর্থসামাজিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, অসহায় মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো এবং পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার পরিবেশ তৈরি করা। নিরাপত্তার পাশাপাশি সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব পাহাড়ের দুর্গম জনপদে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনসাধারণের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে বলিপাড়া জোন।

সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে বিজিবি ভূমিকা রাখছে বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়।

স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার মাধ্যমে বলিপাড়া জোনের এসব উদ্যোগ দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হচ্ছে বলেও জোন অধিনায়ক জানান।

রেমবো ত্রিপুরা, থানচি