কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে সড়ক নির্মাণ বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে সড়ক নির্মাণ বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে সড়ক নির্মাণ বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়ি ভরাট করে সড়ক নির্মাণের কাজ ৮ সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে সায়মন বিচ পর্যন্ত সৈকত এলাকায় চলমান নির্মাণকাজে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানান, উচ্চ আদালতের পূর্বের নির্দেশনা অমান্য করে সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে নির্মাণকাজ চালানো হচ্ছে। এতে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আইনজীবীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ছাড়া সমুদ্রসৈকতের নির্ধারিত এলাকায় নির্মাণকাজ করার ক্ষেত্রে আইনগত বাধা রয়েছে। বিশেষ করে কক্সবাজার পৌরসভা এলাকার সমুদ্রতীরবর্তী প্রথম ৩০০ মিটার এলাকাকে ‘নো ডেভেলপমেন্ট জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এ এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণের ওপর উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে।

এর আগে কক্সবাজার পৌরসভার উদ্যোগে এবং জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে সায়মন বিচ এলাকায় প্রায় ১ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ শহর রক্ষা বাঁধ ও সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পের আওতায় বালিয়াড়ি ভরাট ও সমতল করার অভিযোগ ওঠার পর থেকেই পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। প্রকল্পটির ব্যয় প্রায় ৬৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

তবে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ এর আগে দাবি করেছিল, উপকূলকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা এবং শহরের সুরক্ষার স্বার্থে প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে। তাদের ভাষ্য, প্রয়োজনীয় জরিপ, নকশা ও গবেষণার ভিত্তিতেই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। অন্যদিকে পরিবেশ অধিদপ্তরের স্থানীয় কর্মকর্তারা আগে জানিয়েছিলেন, ইসিএভুক্ত এলাকায় বড় ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রয়োজন এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নথিপত্র চাওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ)। পরিবেশবাদীদের মতে, সৈকতের বালিয়াড়ি শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অংশ নয়; এটি জলোচ্ছ্বাস, ঝড়, ঢেউ ও উপকূলীয় ভাঙনের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। পাশাপাশি বালিয়াড়ি ও উপকূলীয় উদ্ভিদ অঞ্চল লাল কাঁকড়া, সামুদ্রিক কচ্ছপসহ বিভিন্ন প্রাণীর আবাস ও প্রজনন পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্কিত।

এর আগে বালিয়াড়িতে নির্মাণকাজ বন্ধের দাবিতে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা), বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন আন্দোলন ও আইনি পদক্ষেপ নেয়। তাদের অভিযোগ, বালিয়াড়ি কেটে বা ভরাট করে অবকাঠামো নির্মাণ করলে দীর্ঘমেয়াদে কক্সবাজারের উপকূলীয় সুরক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা হুমকির মুখে পড়তে পারে।

আদালতের সর্বশেষ এ আদেশের ফলে আগামী আট সপ্তাহ সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে সায়মন বিচ পর্যন্ত বালিয়াড়িতে চলমান নির্মাণকাজ বন্ধ থাকবে। এ সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প, পরিবেশগত অনুমোদন এবং উচ্চ আদালতের পূর্ববর্তী নির্দেশনা বাস্তবায়নের বিষয়গুলো নতুন করে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় আসবে বলে মনে করছেন পরিবেশবাদীরা।

কক্সবাজারের পরিবেশসচেতন মহলের দাবি, উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার না করলেও দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়ি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করেই ভবিষ্যতের সব উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।




কক্সবাজারে শিশু সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান

কক্সবাজারে শিশু সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারে শিশু সুরক্ষা জোরদার ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবার ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার শহরের হোটেল সি উত্তরা-য় আমাল ফাউন্ডেশনের চাইল্ড সেফটি নেট প্রকল্পের (সিএমপিএল) উদ্যোগে আয়োজিত ‘শিশু সুরক্ষা জোরদারকরণ ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে আমাল ফাউন্ডেশনের প্রকল্প সমন্বয়কারী আব্দুল কাদের প্রকল্পের কার্যক্রম এবং শিশু সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা বলেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। কোনো শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে না এলে এর কারণ খুঁজে দেখা এবং ঝুঁকিতে থাকা শিক্ষার্থীদের বিষয়ে পরিবার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত জানানো প্রয়োজন। শিক্ষার পাশাপাশি শিশু সুরক্ষার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

সমাজসেবা অধিদপ্তর কক্সবাজারের উপপরিচালক মো. শাহ নেওয়াজ বলেন, বাল্যবিবাহের সঙ্গে দারিদ্র্য, পারিবারিক সংকট ও সামাজিক অসচেতনতার মতো বিষয় জড়িত। তাই শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। ঝুঁকিপূর্ণ শিশু ও পরিবারকে চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সামাজিক সুরক্ষা ও সহায়তার আওতায় আনতে হবে।

মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর কক্সবাজারের উপপরিচালক সুব্রত বিশ্বাস বলেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কিশোরীদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সচেতন করতে হবে। কোনো পরিবারে বিয়ের চাপ তৈরি হওয়ার আগেই বিষয়টি শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া গেলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

স্টুডেন্টস প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী মো. আরিফ উল্লাহ বলেন, শিশু সুরক্ষায় তরুণ ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। বিদ্যালয়, পরিবার ও স্থানীয় পর্যায়ে শিশুদের ঝুঁকি শনাক্ত করতে তরুণ স্বেচ্ছাসেবকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। একই সঙ্গে বাল্যবিবাহের কারণ ও স্থানীয় বাস্তবতা নিয়ে তথ্যভিত্তিক গবেষণা বাড়ানো প্রয়োজন।

ওয়ার্ল্ড ভিশনের মনিটরিং অফিসার বেঞ্জিন শিশু সুরক্ষা কার্যক্রমে তথ্য সংগ্রহ, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বিশ্লেষণের ওপর গুরুত্ব দেন। কর্মসূচির অগ্রগতি ও ঘাটতি চিহ্নিত করতে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসনিক উদ্যোগের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম ও উন্নয়ন সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন। ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের আগেই শনাক্ত করে শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা ও প্রয়োজনীয় সহায়তার সঙ্গে যুক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তাঁরা।

সভায় শিশু সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো, স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার এবং ঝুঁকিপূর্ণ শিশু ও পরিবারের তথ্যভিত্তিক তালিকা তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট সানজিদা আলম, স্টুডেন্ট নিউজের উপজেলা প্রতিনিধি সাদ্দাম হোসেন, কোস্টাল কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ সেন্টারের সদস্যসচিব জিয়াউল কবির, প্রকল্পের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।




চকরিয়ায় প্রসূতিদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যক্যাম্প অনুষ্ঠিত

চকরিয়ায় প্রসূতিদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যক্যাম্প অনুষ্ঠিত
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কাকারায় গর্ভবতী নারীদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দেওয়ার লক্ষ্যে এক স্বাস্থ্যক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় কাকারা সীরাতুল মোস্তাকিম মডেল বালিকা মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ‘পল্লী চিকিৎসক সমিতি, কাকারা সুরাজপুর-মানিকপুর’-এর আয়োজনে এবং চকরিয়া এভারগ্রীন হাসপাতালের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।

পল্লী চিকিৎসক সমিতির সভাপতি ডা. জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্ব ও উদ্বোধনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কাকারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী কফিল উদ্দিন আজাদ। কর্মসূচি পরিচালনা করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কান্তি রুদ্র।

স্বাস্থ্যক্যাম্পে প্রসূতি ও অন্যান্য নারী রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞ গাইনি চিকিৎসক ডা. সিরাজুম মনিরা ও ডা. সুমাইয়া শারমীন প্রমা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, গ্রামীণ পর্যায়ে দরিদ্র ও প্রসূতি নারীদের জন্য এ ধরনের স্বাস্থ্যসেবামূলক উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এলাকার প্রসূতি নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে এ ধরনের বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তারা। দিনব্যাপী এই ক্যাম্পে এলাকার বিপুলসংখ্যক নারী উপস্থিত হয়ে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন।




পূর্ব বড় ভেওলা ইউপিতে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ কলিম উল্লাহ

পূর্ব বড় ভেওলা ইউপিতে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফেজ কলিম উল্লাহ
ছবি সংগৃহীত।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে বিশিষ্ট সমাজসেবক হাফেজ মো. কলিম উল্লাহর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

জুমাবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজ শেষে চরপাড়া জামে মসজিদ সংলগ্ন নূরানী মাদ্রাসার মিলনায়তনে আয়োজিত এক সমাবেশে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর প্রার্থিতা ঘোষণা করা হয়। নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত এই জমায়েতে এলাকার সহস্রাধিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ, মাতামুহুরী উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ফরিদুল আলম, দক্ষিণ জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা মোজাম্মেল হক এবং উপজেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুব বিভাগের সভাপতি ওমর আলী।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি জাফর আলম, বিএমচর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি ইসমত উল্লাহ, শাহারবিলের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও আলেমে দ্বীন মাওলানা শিব্বির আহমদ ওসমানী এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহ আলম।

পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি জিয়াউল করিম আজমের সঞ্চালনায় সভাটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সহস্রাধিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।