কক্সবাজারে অটোরিকশায় তল্লাশি, মালিকবিহীন ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার করলো এসআরবি
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন

কক্সবাজারে অটোরিকশায় তল্লাশি, মালিকবিহীন ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার করলো এসআরবি

কক্সবাজারে অটোরিকশায় তল্লাশি, মালিকবিহীন ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার করলো এসআরবি
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তিন লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৫। এ সময় ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে।  তবে অভিযানের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারি ছলিম উল্লাহ ও তাঁর এক সহযোগী পালিয়ে যান।

সোমবার (১২ অক্টোবর) এসআরবি-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) আ. ম. ফারুক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার সদর থানার দক্ষিণ খুরুলিয়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এসআরবি-১৫ সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল। এ সময় আভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারি ছলিম উল্লাহ ও তাঁর এক অজ্ঞাতনামা সহযোগী মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজি অটোরিকশাটি ফেলে পালিয়ে যান।

পরে পরিত্যক্ত সিএনজি অটোরিকশাটিতে তল্লাশি চালিয়ে কৌশলে লুকিয়ে রাখা তিন লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন ব্যাটালিয়নের সদস্যরা। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজি অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় পলাতক ছলিম উল্লাহ ও তাঁর অজ্ঞাতনামা সহযোগীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কক্সবাজার সদর থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

উদ্ধার করা ইয়াবা ও জব্দ করা যানবাহন সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।




দক্ষিণ এশিয়ায় পর্যটনে অবদানের তিন পুরস্কার সায়মান হোটেল পরিবারের

দক্ষিণ এশিয়ায় পর্যটনে অবদানের তিন পুরস্কার সায়মান হোটেল পরিবারের
ছবি সংগৃহীত।

দক্ষিণ এশিয়ায় পর্যটন পুরস্কারের দশম আসর ২০২৬-এ তিনটি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করে এক গৌরবময় মাইলফলক স্পর্শ করেছে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী আতিথেয়তা প্রতিষ্ঠান সায়মান হোটেল ব্র্যান্ড । এর মধ্য দিয়ে টানা অষ্টম বছরের মতো এই আয়োজনে পুরস্কার অর্জনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়াও ২০২৬-এ তিনটি মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা অর্জনের মধ্য দিয়ে ছয় দশকের ঐতিহ্য উদযাপন করল সায়মান হোটেল পরিবার।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে সায়মন বিচ রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, গেল ৮ অক্টোবর মালদ্বীপের মালে শহরে আয়োজিত সাউথ এশিয়ান ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সায়মানের পক্ষে পুরস্কারগুলো গ্রহণ করেন সায়মানের ক্লাস্টার জেনারেল ম্যানেজার মি. পূবূদূ ফার্নান্দো।

সায়মানের অর্জিত তিনটি পুরস্কার হলো- ১. বাংলাদেশের শীর্ষ রিসোর্ট ও হোটেল ব্র্যান্ড, ২. সায়মান বিচ রিসোর্ট বাংলাদেশের শীর্ষ সমুদ্রসৈকত হোটেল ও ৩. সায়মান হেরিটেজ বাংলাদেশের শীর্ষ ঐতিহ্যবাহী হোটেল ও রিসোর্ট। টানা আট বছর এই পুরস্কার অর্জন বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পে সায়মানের সুদীর্ঘ উপস্থিতি, সেবার ধারাবাহিকতা এবং অতিথিদের স্মরণীয় আতিথেয়তার অভিজ্ঞতা প্রদানের প্রতি প্রতিষ্ঠানটির অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

কক্সবাজারে অবস্থিত সায়মান বিচ রিসোর্ট অতিথিদের আধুনিক সমুদ্রসৈকত কেন্দ্রিক অবকাশযাপনের অভিজ্ঞতা প্রদান করে। অন্যদিকে, সায়মান হেরিটেজ ঐতিহাসিক সায়মান নামের ঐতিহ্য ও গৌরবময় উত্তরাধিকারকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ছয় দশকেরও বেশি সময়ের ঐতিহ্য ধারণ করে প্রতিষ্ঠান দুটি ঐতিহ্য ও আধুনিক আতিথেয়তার এক অনন্য সমন্বয় তুলে ধরছে।

সায়মান বিচ রিসোর্ট ও সাইমান হেরিটেজ—উভয় প্রতিষ্ঠানের ক্লাস্টার জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে মি. পূবূদূ ফার্নান্দো বলেন,“আমি বিশ্বাস করি, এই অর্জন আমাদের প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি সদস্যের সম্মিলিত সাফল্য। আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং প্রতিদিন নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে সহকর্মীদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার ফলেই এই স্বীকৃতি অর্জন সম্ভব হয়েছে। দলগত কাজই আমাদের সাফল্যের মূল ভিত্তি। আমরা সবাই মিলে এমন আন্তরিক, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও অতিথিবৎসল আতিথেয়তার অভিজ্ঞতা তৈরি করে চলেছি, যা বাংলাদেশের আতিথেয়তা শিল্পের সর্বোত্তম বৈশিষ্ট্যগুলোকে তুলে ধরে। আমাদের নিবেদিত প্রাণ সহকর্মী, সম্মানিত অতিথি, বিশ্বস্ত ব্যবসায়িক অংশীদার এবং শুভাখাঙকীদের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এই পুরস্কারগুলো আমাদের আরও বড় স্বপ্ন দেখতে, আরও আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা দিতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সাইমানের ঐতিহ্য সংরক্ষণ করতে উৎসাহিত করে। আমরা একসঙ্গে বাংলাদেশের আতিথেয়তার উষ্ণতা নিয়ে বিশ্বকে স্বাগত জানাতে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গর্বের সঙ্গে কক্সবাজারের এবং সায়মানের পরিচিতি ও সুনাম আরও সুদৃঢ় করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

১৯৬৪ সালে যাত্রা শুরু করা সায়মান বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের একটি সুপরিচিত নাম কক্সবাজারে অবস্থিত সায়মান বিচ রিসোর্ট ও সায়মান হেরিটেজের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক রিসোর্ট অভিজ্ঞতার সঙ্গে ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও স্বতন্ত্র আতিথেয়তার সমন্বয় ঘটিয়ে আসছে।




সাংবাদিকদের জন্য দ্রুত তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে- কক্সবাজারে তথ্য সচিব

সাংবাদিকদের জন্য দ্রুত তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে- কক্সবাজারে তথ্য সচিব
ছবি সংগৃহীত।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেছেন, জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে নতুন করে দেশ গড়ে তুলতে হবে। জুলাই আন্দোলনে আমাদের তরুণরা রক্ত দিয়েছেন। তাঁদের সেই আত্মত্যাগের ঋণ শোধ করার মতো নয়। তাঁদের প্রত্যাশা পূরণে একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ দেশ গঠনে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে কক্সবাজারের হিলটপ সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মাহবুবা ফারজানা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন কল্যাণমুখী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ উন্নয়ন এবং তাঁদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।কক্সবাজারে সাংবাদিকদের জন্য দ্রুত একটি তথ্যকমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কক্সবাজারের সাংবাদিকদের পেশাগত কার্যক্রম পরিচালনা এবং তথ্যপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মাহবুবা ফারজানা আরও বলেন, সারাদেশে অপতথ্য ও মিথ্যা তথ্যের বিস্তার রোধে সাইবার আইনের সংশোধনীসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ এবং সঠিক তথ্যের প্রবাহ নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। যাচাই-বাছাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট তথ্য তুলে ধরার মাধ্যমে সাংবাদিকেরা সমাজে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন।

মতবিনিময় সভায় জেলা তথ্য অফিসার আব্দুস সাত্তার, কক্সবাজার প্রেসক্লাব সভাপতি মাহবুবর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী, সাংবাদিক নেতা শামসুল হক শারেক, ইকরাম চৌধুরী টিপু, এড. মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী, মুরশেদুর রহমান খোকন, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সহ-সভাপতি এম আর মাহবুব, সাধারণ সম্পাদক এস এম জাফর, বাংলাভিশনের এম আর খোকন, এটিএন বাংলার মোয়াজ্জেম হোসেন শাকিলসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




‎রামুতে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

‎রামুতে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার
ছবি সংগৃহীত।

‎রামুতে মাদক মামলার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
‎
‎শুক্রবার রাতে রামু থানার এসআই আনোয়ারের নেতৃত্বে জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন থেকে এ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
‎
‎আসামী মো: রফিক মিয়া জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের মৃত কবির আহমদের পুত্র। তার নামে নারায়ণগঞ্জ রুপগঞ্জ থানার মাদক মামলা ছিলো। এ মামলায় তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়।
‎
‎দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পরে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানায় পুলিশ।
‎
‎গেফতারকৃত এই আসামীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইননুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে রামু থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
‎