এলপিজির দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ানো হয়েছে: গোলাম পরওয়ার
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ন

এলপিজির দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ানো হয়েছে: গোলাম পরওয়ার

এলপিজির দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ানো হয়েছে: গোলাম পরওয়ার
ছবি সংগৃহীত।

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষ যখন দিশেহারা তখন এলপিজির দাম আবারও অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো জনজীবনে নতুন করে দুর্ভোগ সৃষ্টি করবে। এক মাসের ব্যবধানে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের পারিবারিক ব্যয় আরও বাড়িয়ে দেবে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এ ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়বে।

সোমবার (২ নভেম্বর) ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, শুধু দাম বাড়িয়েই দায়িত্ব শেষ করলে চলবে না। বাজারে দীর্ঘদিন ধরে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীতেই ১২ কেজির সিলিন্ডার ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। অথচ এ বিষয়ে কার্যকর বাজার তদারকি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। আমদানিকারক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন বৃদ্ধির অজুহাতে ভোক্তাদের ওপর অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা চাপানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জ্বালানি খাতের অব্যবস্থাপনা ও বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায় সাধারণ জনগণের ওপর চাপানো যাবে না। জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় না নিয়ে বারবার জ্বালানির দাম বৃদ্ধি সরকারের দায়িত্বশীলতার পরিচয় বহন করে না।

তিনি বলেন, অবিলম্বে এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে বাজারে সরকার নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করা, সিন্ডিকেট ও অযৌক্তিক মুনাফা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় নিয়মিত বাজার তদারকির জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।




গঙ্গার পানি না এলে ভারতের পণ্যও বাংলাদেশে ঢুকবে না: নাহিদ ইসলাম

গঙ্গার পানি না এলে ভারতের পণ্যও বাংলাদেশে ঢুকবে না: নাহিদ ইসলাম
ছবি সংগৃহীত।

গঙ্গা নদীর পানি বাংলাদেশে না এলে ভারতীয় পণ্যও বাংলাদেশে আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে যদি পানি না আসে তাহলে কোনো করিডোর হবে না। কোনো ট্রানজিট হবে না। ভারতীয় কোনো চ্যানেলও বাংলাদেশে চলবে না।

তিনি বলেন, মাওলানা ভাসানীর ইতিহাসকে স্মরণ করতে চাই। তিনি ঐতিহাসিক ফারাক্কা অভিমুখে লংমার্চ করেছিলেন। ইনশাআল্লাহ, যদি এরকম কিছু হয় আমরা আবারও লংমার্চের জন্য প্রস্তুত আছি।

রোববার (১ নভেম্বর) জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয় যুব সম্মেলন-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার এখন বিভিন্ন দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছে ঋণের জন্য। কিন্তু এই সরকারকে কেউ বিশ্বাস করছে না, ঋণও দিচ্ছে না। জাপান আমাদের বন্ধুরাষ্ট্র, জাপান বাংলাদেশে অতীতেও ইনভেস্ট করেছে। কিন্তু এই মাতারবাড়ি নিয়ে সরকার জাপানের সঙ্গে কী কী চুক্তি করছে তা জনগণের সামনে স্পষ্ট করতে হবে। কোনো ধরনের ধোঁয়াশা না রেখে সংসদে আলোচনা ব্যতীত আমরা বাংলাদেশে কোনো জাতীয় চুক্তি পাস করতে দেবো না।

‘এই চুক্তিতে ভারতকে কোনো ধরনের অবৈধ করিডোর বা ট্রানজিট সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা হলে বাংলাদেশের জনগণ রুখে দেবে।’

তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংশোধন নিয়ে (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) সালাহউদ্দিন আহমদ মতামত চেয়েছেন। উনার কাছে আমাদের কোনো মতামত দেওয়ার কিছু নাই। উনি কে মতামত চাওয়ার? তারা এখন আলোচনার জন্য বিরোধী দলকে যেতে বলছে, কিন্তু আলোচনা নির্বাচনের আগেই কমপ্লিট হয়ে গিয়েছে। নতুন করে আর কোনো আলোচনার কিছু নাই।

তিনি বলেন, এখন হচ্ছে বাস্তবায়নের সময়। অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে গণভোটের গণরায় অনুযায়ী সংবিধানকে সংস্কার করতে হবে। এর অন্যথা কিছু হলে জনগণ সেটা মানবে না, বিরোধী দল সেটা মানবে না, তরুণ প্রজন্ম ও শ্রমিকরা সেটা মানবে না।

শ্রমিকদের আন্দোলন নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, শ্রমিকরা ন‍্যায‍্য মজুরির জন্য আন্দোলন করছে। সরকার সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা বাড়িয়েছে। কিন্তু শ্রমিক আর বেসরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়েনি। আমরা এ বৈষম্য মানি না। অবিলম্বে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নির্ধারণ করতে হবে।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। এতে সভাপতিত্ব করেন যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন যুবশক্তির সদস্যসচিব ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেল।




সরকার পতন আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের

সরকার পতন আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের
ছবি সংগৃহীত।

সরকারের উদ্দেশে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আপনারা গণভোটের গণরায় অস্বীকার করেছেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। এর মাশুল আপনাদের দিতে হবে। আমরা রাস্তায় নেমেছি গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য। জনগণ রাজপথে নামলে দাবি আদায় করেই ছাড়বে।

তিনি আরও বলেন, সাত দফা দাবি দ্রুত মেনে নিন। অন্যথায় এক দফার ডাক দেওয়া হবে। সরকার পতনের এক দফার আন্দোলনের ডাক দিতে আমাদের বাধ্য করবেন না।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর যশোরের গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবিতে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া অভিমুখী লংমার্চের যশোরের মুড়লীর মোড়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।

যশোর জেলা জামায়াত ইসলামীর আমির অধ্যাপক গোলাম রসুলের সভাপতিত্বে পথসভায় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘সংসদে সমস্যার সমাধান না হলে আজকের সাত দফা শেষ পর্যন্ত এক দফায় রূপান্তরিত হবে। সরকারকে আমরা সেইটুকু সময় দিতে চাই। আমরা সংসদে বসেই গণভোটের গণরায় ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্নসহ সাত দফা দাবির সমাধান করতে চাই। কিন্তু তা নাহলে আবারও দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণবিপ্লবের ডাক দেওয়া হবে। প্রয়োজনে সরকার পতনের এক দফার আন্দোলনের ডাক দিতে আমাদের বাধ্য করবেন না।’

বক্তব্যে সরকারি কার্ড বিতরণে অনিয়ম ও বৈষম্যের অভিযোগ তুলে ধরে উপস্থিত ব্যক্তিদের উদ্দেশ করে শফিকুর রহমান বলেন, আপনারা কারা কারা কার্ড পেয়েছেন হাত তোলেন। কিন্তু কারও হাত দেখতে না পেয়ে তিনি বলেন, ‘এই কার্ড কারও বাবার তহবিল থেকে দেওয়া হচ্ছে না। তাহলে এখানে কেউই পাননি কেন? এই কার্ড সব পুকুরপাড়ে চলে গেছে।’

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের প্রশ্নে সরকারের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, জাতিকে নিয়ে তামাশা করা হচ্ছে। গণভোটের গণরায় নিয়ে আপনারা বেইমানি করেছেন। যা মেনে নেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, জনগণের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে মানুষ রাজপথে নেমেছে। এই দাবি কোনো একক রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির নয়, এটি সাধারণ মানুষের অধিকার ও প্রত্যাশার সঙ্গে সম্পর্কিত। ফলে জনগণের দেওয়া রায় উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।

সাত দফা দাবি আদায়ে সরকারকে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘এক দফার ওজন কেউ সহ্য করতে পারেনি, আপনারাও পারবেন না।’

দাবি বাস্তবায়নে অবিলম্বে ঘোষণা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এখনই মেনে নিন, ঘোষণা দিন।’

বক্তব্যে ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি নিয়েও সতর্ক করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের রাস্তায় যারা হাঁটবে, তাদের দেশ ছেড়ে পালাতে হবে।

জনগণের ওপর জুলুম ও অন্যায় সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, দেশের মানুষ আর কোনো ধরনের নিপীড়নমূলক শাসনব্যবস্থা মেনে নিতে প্রস্তুত নয়।

এর আগে দুপুর ২টায় সমাবেশ শুরু হয়। ৩টা বাজতেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় পুরো এলাকা। পথসভায় বক্তৃতা করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ, এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব সাঈদ মোস্তাফিজ, মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, প্রকৌশলী রাশেদ প্রধান, এলডিপির বিল্লাল হোসেন নিয়াজী, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন চান, মুফতি শরাফত হোসেন প্রমুখ।

পথসভায় আরও বক্তৃতা করেন যশোর যশোর-৬ আসনের এমপি মাওলানা মোক্তার আলী, যশোর-২ আসনের এমপি ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ, যশোর-৫ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট এনামুল হক, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আবু জাফর, চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম রনি, ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ প্রমুখ।

যশোরের পথসভা শেষে লংমার্চের গাড়িবহর শহরের মণিহার, বারান্দীপাড়া, শেখহাটি হাইকোর্ট মোড়, নতুন উপশহর খাজুরা বাসস্ট্যান্ড, পালবাড়ি, চুড়ামনকাটি, সাতমাইল হয়ে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা হয়ে ঝিনাইদহের উদ্দেশে রওয়ানা হয়। এসময় রাস্তার দুই পাশে শত শত নারী-পুরুষ দাঁড়িয়ে লংমার্চের বহরকে স্বাগত জানান।




মির্জা আব্বাস: টাকার লোভে আওয়ামী লীগ নেতাদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপির কিছু লোক

মির্জা আব্বাস: টাকার লোভে আওয়ামী লীগ নেতাদের আশ্রয় দিচ্ছে বিএনপির কিছু লোক
ছবি সংগৃহীত।

দলের ভেতরে থেকেই একটি পক্ষ অর্থের বিনিময়ে আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতাকর্মীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।

তিনি বলেছেন, বিএনপির কিছু লোভী মানুষ টাকার লোভে আওয়ামী লীগের নেতাদের আশ্রয় দিচ্ছে। দলের কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর শাহজানপুরে ঢাকা-৮ সংসদীয় এলাকার পাঁচ থানা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমরা শুনছি, আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা ভারত থেকে এসে বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করছেন। আর আমাদের দলের ভেতরকার কিছু লোভী মানুষ টাকার লোভে তাদের আশ্রয় দিচ্ছে। সাফ কথা—বিএনপির যে শত্রু, সে আমারও শত্রু। দলের ভেতরের কেউ যদি এদের সহযোগিতা করেন, আমাদের জানাবেন, সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাতকারীদের হুঁশিয়ার করে বিএনপির এই নেতা বলেন, কোনো রাজনৈতিক শক্তি না পেয়ে একটি শ্রেণি আওয়ামী লীগের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিভিন্ন জায়গায় মিছিল-মিটিং করার চেষ্টা করছে। দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির এমন অপচেষ্টা বরদাশত করা হবে না।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রাম করার অধিকার সবার রয়েছে। তারা রাজনীতি করুক, তাতে কোনো বাধা নেই। কিন্তু কেউ অপকর্ম করলে বিএনপির নেতাকর্মীরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না; শক্ত হাতে তা প্রতিহত করবে।

দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘অনেকেই অনেক কিছু ভাবছেন। কিন্তু বিএনপি এখনো মাঠে নামে নাই। আজকে ছোট্ট পরিসরে এবং বৃষ্টির মধ্যে এই সভায় মানুষের যে বাঁধভাঙা সাড়া ও আবেগ দেখা গেছে, তা থেকে বুঝে রাখুন—ঢাকা শহরে বিএনপি মাঠে নামলে কী হবে।’

তিনি আরও বলেন, শত্রুপক্ষের মিত্ররা কখনো বিএনপির বন্ধু হতে পারে না। বিএনপির নাম ভাঙিয়ে কেউ নিজের অবস্থান বা পরিচয় বদলানোর চেষ্টা করলে দল তাদের ছাড় দেবে না।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন।

এ সময় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার এনামুল হক এনাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব সাদ মোর্শেদ পাপ্পা সিকদার, ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সোহাগ ভূঁইয়াসহ বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।