ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, আলোচনায় বসছেন পুতিন
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, আলোচনায় বসছেন পুতিন

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, আলোচনায় বসছেন পুতিন
ছবি সংগৃহীত।

ইউক্রেনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনা আগামী মাস থেকে আবার শুরু করতে সম্মতি দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বুধবার (২১ অক্টোবর) ক্রেমলিন এ তথ্য জানিয়েছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন উদ্যোগের অংশ হিসেবে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।


রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি রাজকীয় প্রাসাদে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পুতিনের সঙ্গে এটি ছিল উইটকফের নবম সরাসরি বৈঠক।

বৈঠকের শুরুতে সদিচ্ছার নিদর্শন হিসেবে রাশিয়া অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন স্কুলশিক্ষক স্টিফেন হাবার্ডকে মুক্তি দেয়। তাঁকে মুক্তি দিতে পুতিনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছিলেন ট্রাম্প।


এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন কমিয়ে দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে কিয়েভ ও তার মিত্রদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, রাশিয়ার হামলা সম্পর্কে তাৎক্ষণিক গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ কখনো কখনো আটকে রাখছে ওয়াশিংটন। একই সঙ্গে ইউক্রেনের সামরিক যোগাযোগব্যবস্থাও দুর্বল হয়ে পড়ছে।

ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে নতুন আলোচনা সেই প্রতিশ্রুতির দুই বছরেরও বেশি সময় পর সামনে এল।

ক্রেমলিন জানিয়েছে, প্রস্তাবিত ত্রিপক্ষীয় আলোচনা কারিগরি পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হতে পারে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে এই আলোচনা আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে। যুদ্ধ শেষ হলে ইউক্রেন ও রাশিয়ার নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হবে। আগামী ১০ নভেম্বর বা এর পর যেকোনো সময় আলোচনা শুরু হতে পারে।


এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সর্বশেষ শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে।

তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, ফিনল্যান্ড ও নরওয়ের নেতাদের পাশাপাশি ইউরোপীয় ও ন্যাটোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আগের দিন অসলোতে উইটকফের বৈঠকের ফল নিয়ে ক্রেমলিন খুব একটা আশাবাদী নয়।


উইটকফ পুতিনকে জানিয়েছেন, ওই আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, ইউক্রেন নতুন কিছু ধারণা ও প্রস্তাব দিয়েছে।

তবে সেন্ট পিটার্সবার্গে প্রায় তিন ঘণ্টার বৈঠক শেষে ক্রেমলিনের সহযোগী ইউরি উশাকভ সাংবাদিকদের বলেন, আলোচনার কিছু বিষয় রাশিয়াকে পুরোপুরি সন্তুষ্ট করতে পারেনি।
ট্রাম্প, পুতিন ও শির বৈঠকের সম্ভাবনা

সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির শর্ত নিয়ে রাশিয়া ও ইউক্রেনের অবস্থানের মধ্যে এখনো বড় ব্যবধান রয়েছে। তবে ট্রাম্প সম্প্রতি ইউক্রেনকে কোনো একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য চাপ বাড়িয়েছেন।


মঙ্গলবার ট্রাম্প বলেন, ইউক্রেনের যুদ্ধ শেষ করার সময় এসেছে। তা না হলে দেশটিকে ‘খুব খারাপ পরিস্থিতির’ মুখোমুখি হতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সূত্র: রয়টার্স




সৌদিতে হুথিদের হামলা, রিয়াদের ৯৯তলা বিশিষ্ট কিংডম সেন্টার বন্ধ ঘোষণা

সৌদিতে হুথিদের হামলা, রিয়াদের ৯৯তলা বিশিষ্ট কিংডম সেন্টার বন্ধ ঘোষণা
ছবি সংগৃহীত।

ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের ক্রমবর্ধমান হামলার মুখে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের অন্যতম প্রধান আকাশচুম্বী ভবন কিংডম সেন্টারের সব অফিসকে হোম অফিসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই ভবনের সব অফিসকে তাদের কার্যক্রম বাসা থেকে পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

ভাড়াটেদের কাছে পাঠানো এক ই-মেইল বার্তায় সৌদির অফিস ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বলেছে, নির্দেশিত সময়ে অফিসে না আসার জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে। তবে ৯৯ তলা বিশিষ্ট এই ভবনের নিচের শপিংমল খোলা রয়েছে।

এদিকে, সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে হুথিদের সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে নিজ নাগরিকদের সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর বিমান চলাচল স্থগিত থাকায় আকাশপথে ভ্রমণের সময় নাগরিকদের চরম সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে দেশটি।
শনিবার জারি করা এক নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন মিশন আমেরিকানদের সম্ভাব্য বিমানবন্দর হামলা, আকাশসীমা বন্ধ হওয়া, ফ্লাইট বাতিল এবং অন্যান্য ভ্রমণ বিঘ্নিত হওয়ার বিষয়েও সতর্ক করেছে।

• বন্ধ রয়েছে রিয়াদ বিমানবন্দর
মার্কিন মিশন বলেছে, রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম এখনও স্থগিত রয়েছে।

তবে জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু রয়েছে। যদিও এই দুই বিমানবন্দরে কিছু ফ্লাইটের উড্ডয়ন এবং অবতরণ বিলম্ব ও বাতিল অব্যাহত রয়েছে।

সতর্কবার্তায় যেসব আমেরিকান সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলো দিয়ে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন, তাদের ভ্রমণের আগে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন এবং সরাসরি এয়ারলাইন্স ও বিমানবন্দরগুলোর কাছ থেকে ফ্লাইটের অবস্থা যাচাই করে নিতে বলা হয়েছে।

যাত্রীদের আরও হামলার সম্ভাবনা এবং ফ্লাইটের সময়সূচি বা আকাশসীমার প্রাপ্যতার আকস্মিক পরিবর্তনের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে নাগরিকদের মোবাইল ফোন অ্যালার্টের মাধ্যমে সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষের জারি করা জাতীয় জরুরি সতর্কতা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে মার্কিন মিশন।

সূত্র: এএফপি।




দিল্লিতে অভিজিৎ দীপকে ফের আটক

দিল্লিতে অভিজিৎ দীপকে ফের আটক
ছবি সংগৃহীত।

ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে-কে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে পতাকা উড়ানো কর্মসূচিত ঘোষণা করেছিলেন দীপকে। সেখানে যোগ দিতে যাওয়ার কয়েক মিনিট আগে তাকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।

এরআগে গত ১০ অক্টোবর দিল্লির বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়েছিল তাকে। পরেরদিন মুক্তি পাওয়ার পর নিজের পরিবারের কাছে ছুটে যান তিনি। এরআগের দিন তার দাদি বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান।

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরেই আন্দোলন করছে ককরোচ পার্টির তরুণ সমর্থকরা।

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারকে সুবিধা পাইয়ে দিতে তিনি ভোটার তালিকা থেকে কয়েক কোটি মানুষকে বাদ দিয়েছেন। এরমধ্যে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ৭০ লাখ মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। নির্বাচন শেষ পরপরই আবার তাদের নাম যোগ করা হয়।

আজ দিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে পতাকা উড়ানোর কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল মূলত ককরোচ পার্টির দুই সহ-প্রতিষ্ঠাতা আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে যন্তরমন্তরে পতাকা উড়ানোর সময় গ্রেপ্তার ও পরবর্তীতে রিমান্ডে নেওয়ার প্রতিবাদে।

গত ১০ অক্টোবর যন্তরমন্তরে জড়ো হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল ককরোচ পার্টি। কিন্তু ওইদিন পুলিশ কাউকে সেখানে যেতে দেয়নি। এছাড়া অভিজিৎ, আশুতোষ এবং সৌরভকেও ওইদিন আটক করা হয়। এর পরেরদিন তারা ছাড়া পান। এরপর ১৩ অক্টোবর যন্তরমন্তরে গিয়ে পতাকা উড়ান আশুতোষ ও সৌরভ। তখনই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিজিৎকে আজ নতুন করে আটকের আগে তার দিল্লির বাড়িতে যায় পুলিশ। সেখানে গিয়ে তাকে জানানো হয় সেন্ট্রাল পার্কে কেউ কোনো সমাবেশ করতে পারবে না। সেখানে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও যদি কেউ যান তাহলে সেটি আইন অমান্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

এরপরও অভিজিৎ পতাকা নিয়ে সেন্ট্রাল পার্কে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

সূত্র : এনডিটিভি




হুথি হামলা : সৌদিতে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন শুরু করল ফ্রান্স

হুথি হামলা : সৌদিতে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন শুরু করল ফ্রান্স
ছবি সংগৃহীত।

ইরানের সমর্থনপুষ্ট ইয়েমেনি হুথি গোষ্ঠীর অব্যাহত হামলা প্রতিহত করতে সৌদি আরবের পাশে দাঁড়িয়েছে ফ্রান্স। ইতোমধ্যে সৌদি আরবে নিজেদের বিভিন্ন সামরিক সম্পদ ও সক্ষমতা মোতায়েন করা শুরু করেছে বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহৎ এই সামরিক শক্তি।

বহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাসকাল কনফারেক্স। সংবাদ সম্মেলনে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আপনারা জানেন যে সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে হুথিদের হামলা কেবল সৌদির নিরাপত্তা বা এই অঞ্চলের জ্বালানি নিরাপত্তাকেই হুমকির মুখে ফেলছে না; এর ভুক্তভোগী হতে যাচ্ছি আমরাও। জ্বালানি নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে বিপর্যয়কর পরিস্থিতির মুখে পরতে হবে আমাদের।”

“তছাড়া আপনার এ-ও জানেন যে গত ২৪ ডিসেম্বর প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ঘোষণা দিয়েছিলেন যে ফ্রান্স সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো, বিশেষ করে ইয়ানাবু পূর্ব-পশ্চিম করিডোর রক্ষায় সহযোগিতা করবে। সেই প্রতিশ্রুত সহযোগিতার অংশ হিসেবেই সৌদিতে সামরিক সরঞ্জাম ও সক্ষমতা মোতায়েন করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত মাসে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানিয়েছিলেন যে, তিনি সৌদি আরবে সৈন্য ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবেন, যাতে লোহিত সাগরের তীরবর্তী বন্দর শহর ইয়ানবুকে সুরক্ষিত রাখা যায়—যা জ্বালানি পরিবহনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। সে সময় ম্যাক্রোঁ বলেছিলেন যে, এ মোতায়েনের মূল উদ্দেশ্য হবে ইরান যুদ্ধের প্রভাবকে সীমাবদ্ধ রাখা।

এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ বলেছিলেন, “আমরা এই স্থানটিকে সুরক্ষিত রাখতে সামরিক সম্পদ—অর্থাৎ সৈন্য, রাডার ব্যবস্থা এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাচ্ছি।”

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ফ্রান্স কোনো সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে না। তিনি আরও জানান, সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত শুরুর পর থেকে ইউরোপে ডিজেল, অপরিশোধিত তেল এবং অন্যান্য পরিশোধিত জ্বালানি পণ্য সরবরাহের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে সৌদি আরবের লোহিত সাগরের তীরবর্তী বন্দর শহর ইয়ানবু। এর ফলে সৌদি আরব হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে তাদের পণ্য রপ্তানি করতে পারছে। গত সেপ্টেম্বরে ইরাকে অবস্থিত ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীর যোদ্ধারা ড্রোন হামলার মাধ্যমে এই পাইপলাইনটির ক্ষতিসাধন করে, যার জের এটি বন্ধ হয়ে যায়।

এছাড়া গত সপ্তাহে হুথিদের একটি হামলায় ইয়ানাবুতে ‘ইয়াসরেফ’ নামে একটি শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে সেটি বন্ধ করতে বাধ্য হয় সৌদি আরব। সৌদিতে হুথিদের ক্রমাগত হামলা বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের ঝাঁকুনি দিয়েছে এবং ডিজেল সরবরাহের সংকটকে আরও তীব্র করে তুলেছে, যা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

সেপ্টেম্বর মাসে, ম্যাক্রোঁকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় যে ফ্রান্স ওই স্থানটির সুরক্ষায় রাফাল যুদ্ধবিমান মোতায়েন করতে পারে কি না, তখন তিনি জানান যে বিষয়টি পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। তিনি আরও যোগ করেন যে, কিছু যুদ্ধবিমান ইতিমধ্যেই ওই অঞ্চলে রয়েছে।

পারস্য উপসাগর তীরবর্তী সৌদি আরবের তেল উৎপাদন কেন্দ্র থেকে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর পর্যন্ত ৭৫০ মাইল বিস্তৃত ‘ইস্ট-ওয়েস্ট’ পাইপলাইনটি যুদ্ধের সময়ে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধমনী হয়ে উঠেছে। এর মাধ্যমে হরমুজ প্রণালী ব্যবহার না করেই সৌদি অপরিশোধিত তেল বিশ্ববাজারে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে। আশির দশকের শুরুর দিকে, ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় যখন পারস্য উপসাগরে জাহাজ চলাচল ঝুঁকির মুখে পড়েছিল, সে সময় এই পাইপলাইনটি নির্মাণ করা হয়েছিল।

সূত্র : এএফপি, ফার্স্টপোস্ট