আবুধাবিতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী মা-ছেলের মৃত্যু, হাসপাতালে বাবা
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন

আবুধাবিতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী মা-ছেলের মৃত্যু, হাসপাতালে বাবা

আবুধাবিতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী মা-ছেলের মৃত্যু, হাসপাতালে বাবা
ছবি সংগৃহীত।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশি মা ও তাঁর ১৫ বছর বয়সী ছেলে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন নিহত নারীর স্বামী। দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত গাড়িটি জব্দ করে চালককে আটক করেছে আবুধাবি পুলিশ।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন অসীমা চৌধুরী (৪৮) ও তাঁর একমাত্র ছেলে অরিত্র বিশ্বাস (১৫)। আহত হয়েছেন অসীমার স্বামী সৌরভ বিশ্বাস। তাঁদের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার পূর্ব কধুরখীল গ্রামে।

সোমবার রাতে আবুধাবির উপকণ্ঠের আল ওয়াথবা এলাকায় আবুধাবি-আল আইন রোডের এক্সিট-৪৭ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পারিবারিক বন্ধু ও আবুধাবি প্রবাসী সংগঠক সজল চৌধুরী জানান, সৌরভ বিশ্বাস টয়োটা ইয়ারিস গাড়ি চালিয়ে স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। এ সময় পেছন থেকে একটি নিশান সাফারি গাড়ি তাঁদের গাড়িকে সজোরে ধাক্কা দেয়।

দুর্ঘটনায় গাড়িটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনাস্থলেই অসীমা চৌধুরী ও তাঁর ছেলে অরিত্রের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে আবুধাবি পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় মাফরাক হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকেরা মা ও ছেলেকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত সৌরভ বিশ্বাসকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আবুধাবি প্রবাসী সাংবাদিক সঞ্জিত শীল জানান, প্রকৌশলী সৌরভ বিশ্বাস প্রায় ২৫ বছর ধরে পরিবার নিয়ে আবুধাবিতে বসবাস করছেন। সেখানে তাঁর নির্মাণব্যবসা রয়েছে। অসীমা চৌধুরী আবুধাবির একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি সংগীতচর্চা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

দম্পতির একটি একমাত্র মেয়েও রয়েছে। তিনি দুবাইয়ের নলেজ ভিলেজের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন।

বর্তমানে নিহত মা ও ছেলের মরদেহ আবুধাবির বানিয়াস সেন্ট্রাল মর্গে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গেছে।

এ মর্মান্তিক ঘটনায় পরিবার, স্বজন ও প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।




আবুধাবিতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা প্রতিযোগিতা, কৃতীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান

আবুধাবিতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা প্রতিযোগিতা, কৃতীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান
ছবি সংগৃহীত।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে প্রবাসে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, মেধা ও শিক্ষাগত সাফল্যকে উৎসাহিত করতে বর্ণাঢ্য প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণী ও সম্মাননা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শিল্পচর্চা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিচয় বিকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

গত শনিবার (১০ অক্টোবর) আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া প্রাইভেট স্কুলের অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে আমিরাতের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘আই লাভ বাংলাদেশ, আই লাভ ইউএই’ শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের আর্থিক পুরস্কার এবং চতুর্থ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ১৮ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে আর্থিক বৃত্তি প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ।

তিনি বলেন, “আমিরাতের মাটিতে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি শিশুরা শিকড়ে বাংলাদেশি হয়ে স্বগর্বে লাল-সবুজের ঐতিহ্য ধারণ করবে এবং আমিরাতের সংস্কৃতি ও মানুষের প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা নিয়ে বড় হবে—এটাই প্রত্যাশা।”

বিজয়ী শিশুশিল্পী ও কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, দুই দেশের সুদৃঢ় বন্ধুত্বের মূল শক্তি হলো মানুষে মানুষে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্য। এ ধরনের আয়োজন বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠান সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবার অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দীর্ঘস্থায়ী মৈত্রী, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, অধ্যবসায় ও শিক্ষাগত অর্জনের যথাযথ স্বীকৃতি তাঁদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগায়। শিশু-কিশোরদের শিল্পচর্চা ও মেধার বিকাশ একটি সচেতন, সৃজনশীল ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তারা আরও বলেন, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের মধ্যে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয় সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করার পাশাপাশি স্বাগতিক দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংস্কৃতি ও মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগিয়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের উদ্যোগ দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া, সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের বন্ধন আরও গভীর করবে।

প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও সাফল্যকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি তাদের মধ্যে দেশপ্রেম ও আন্তসাংস্কৃতিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দূতাবাসের এ উদ্যোগকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন বক্তারা।




শারজায় ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু, বাবাহারা দুই কন্যাশিশু

শারজায় ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু, বাবাহারা দুই কন্যাশিশু
ছবি সংগৃহীত।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজায় বাসায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মোহাম্মদ আবু জাহেদ (৪৮) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন তাঁর স্বজনেরা। বাবাকে হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে তাঁর ১০ ও ৩ বছর বয়সী দুই কন্যাশিশু। এ ঘটনায় চট্টগ্রামের রাউজানে পরিবার, স্বজন ও বন্ধুদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহত আবু জাহেদ চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ডাবুয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর হিংগলা গ্রামের মফজল ডাক্তার বাড়ির মৃত মোহাম্মদ এজাহার মিয়ার ছেলে। তাঁর দুই মেয়ে জেরিন আকতার (১০) ও আফরিন আকতার (৩)।

স্বজনদের বরাতে জানা গেছে, রাউজান কলেজে পড়াশোনা শেষ করে আবু জাহেদ রাউজান উপজেলা সদরের ফকিরহাট বাজারে টেলিকম ব্যবসা শুরু করেন। পরে জীবিকার সন্ধানে ২০০৩ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাড়ি জমান। দীর্ঘ প্রবাসজীবনে দুবাই ও শারজাহ এলাকায় বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত ছিলেন তিনি। সর্বশেষ শারজাহর একটি গ্রোসারিতে বিক্রয়কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

২০২৫ সালে ছুটিতে দেশে ফেরেন আবু জাহেদ। কয়েক মাস পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে জীবিকার তাগিদে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে আবারও আরব আমিরাতে ফিরে যান। পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে প্রবাসে ফিরে যাওয়ার এক মাসের মাথায় তাঁর এমন আকস্মিক মৃত্যুতে স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম চলছে।

স্বজনদের দাবি, শনিবার রাতে শারজাহর যে বাসায় আবু জাহেদ ঘুমিয়ে ছিলেন, তার পাশের কক্ষে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনের ধোঁয়ায় ঘুমের মধ্যেই শ্বাসরুদ্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে।

রোববার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মৃত্যুর খবর জানতে পারেন। প্রিয়জনের এমন আকস্মিক মৃত্যুর খবরে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনেরা। বিশেষ করে অল্প বয়সী দুই মেয়েকে রেখে বাবার চিরবিদায়ের ঘটনায় পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোক। যে বাবার হাত ধরে বেড়ে ওঠার কথা ছিল দুই শিশুর, সেই বাবার আর কখনো ফিরে না আসার বাস্তবতা মেনে নেওয়া পরিবারের জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে।

এদিকে আবু জাহেদের মৃত্যুর সংবাদে তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধুদের মধ্যেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বন্ধু মো. আবছার, আলমগীর হোসেন ও আবু হানিফ জানান, স্কুল-কলেজজীবন থেকেই জাহেদ বন্ধুমহলে অত্যন্ত পরিচিত ও প্রাণবন্ত একজন মানুষ ছিলেন। দেশে ছুটিতে এলে বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো ও আড্ডায় মেতে উঠতেন তিনি। তাঁর এমন আকস্মিক মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তাঁরা।

মৃত্যুকালে আবু জাহেদ স্ত্রী, দুই কন্যাসন্তান, আত্মীয়স্বজন ও অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।




বাংলা ভাষা ও সাহিত্যচর্চায় প্রবাসীদের এগিয়ে আসার আহ্বান: শারজাহতে জমকালো আয়োজনে কলম একাডেমি লন্ডনের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যচর্চায় প্রবাসীদের এগিয়ে আসার আহ্বান: শারজাহতে জমকালো আয়োজনে কলম একাডেমি লন্ডনের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
ছবি সংগৃহীত।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহতে জমকালো আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে কলম একাডেমি লন্ডনের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। গত রবিবার (৪ অক্টোবর) বেলা ১টায় শারজাহ ন্যাশনাল পার্কে কলম একাডেমি লন্ডন—ইউএই চ্যাপ্টারের ব্যবস্থাপনায় “অক্ষরে অমরতা” স্লোগানকে সামনে রেখে এ আয়োজন করা হয়।

পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত এবং বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। চ্যাপ্টারের সাধারণ সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন পরিষদের সদস্যসচিব শাহেদ সরওয়ারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চ্যাপ্টারের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তৌয়ব চৌধুরী।

প্রধান অতিথি ছিলেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুবাই ও উত্তর আমিরাতের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (রিজিওনাল ম্যানেজার) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চ্যাপ্টারটির মধ্যপ্রাচ্য সমন্বয়ক (মিডইস্ট কোঅর্ডিনেটর) কবি মোফাচ্ছেল হক শাহেদ। প্রধান বক্তা ছিলেন ফার্স্ট আবুধাবি ব্যাংক (ইউএই)-এর ব্যবস্থাপক ও চ্যাপ্টারের উপদেষ্টা মোহাম্মদ জাফর উদ্দিন ভূঁইয়া এবং বিশেষ বক্তা ছিলেন চ্যাপ্টারের উপদেষ্টা ও লেখক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন পলাশ।

অনুষ্ঠানে প্রবাসী সাংবাদিক সমিতি (প্রবাস)-এর সভাপতি সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, সাংবাদিক মাহবুব সরকার, সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জালাল আহাম্মদ, রফিকুল ইসলাম রুমান, সেকান্দর চৌধুরী ও ফারদিনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন কলম একাডেমি লন্ডনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক অধ্যাপক নজরুল ইসলাম হাবিবী।

বক্তারা প্রবাসে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যচর্চার সম্প্রসারণ এবং নতুন প্রজন্মকে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁরা বলেন, সত্য, ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় কলমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, কলম কেবল লেখার মাধ্যম নয়; এটি মানুষের চিন্তা, বিবেক ও সমাজ পরিবর্তনের শক্তিশালী হাতিয়ার। একটি শব্দ মানুষের চিন্তার জগতে পরিবর্তন আনতে পারে, একটি কবিতা জাগিয়ে তুলতে পারে বিবেক, আর একটি সত্যনিষ্ঠ লেখা হয়ে উঠতে পারে সময় ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ দলিল।

অনুষ্ঠানে কেক কাটা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। ১৬ বছরের পথচলায় কলম একাডেমি লন্ডনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।