আনোয়ারায় নিজ উদ্যোগে সড়ক সংস্কার করলেন জাহেদ
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন

আনোয়ারায় নিজ উদ্যোগে সড়ক সংস্কার করলেন জাহেদ

আনোয়ারায় নিজ উদ্যোগে সড়ক সংস্কার করলেন জাহেদ
ছবি সংগৃহীত।

আনোয়ারা উপজেলার বরুমচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ছমদিয়া এলাকা থেকে কানুমাঝির হাট এবং ছমদিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বরুমচড়া গাউছিয়া মঈনুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা পর্যন্ত সড়কের বেহাল অবস্থা থেকে স্থানীয়দের পরিত্রাণ দিতে নিজ উদ্যোগে সংস্কারকাজে হাত দিয়েছেন বরুমচড়া সমাজকল্যাণ পরিষদের সভাপতি ও তরুণ সমাজসেবক মুহাম্মদ জাহেদ উল ইসলাম। সোমবার সকাল থেকে তিনি লোকজন নিয়ে নিজ অর্থায়নে সড়কগুলো সংস্কার করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সমাজসেবক তানভীর ফয়সাল, মোহাম্মদ রাকিব, মোহাম্মদ আবিদ, মোহাম্মদ সেলিম, ওসমান, জাহাঙ্গীর আলম ও তাজিম।

স্থানীয়রা জানান, বরুমচড়ার ছমদিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে কানুমাঝির হাট এলাকা ও গাউছিয়া মঈনুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা পর্যন্ত সড়ক দুটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় বেহাল হয়ে পড়েছিল। এলাকার প্রায় ১০ হাজার মানুষের চলাচলের এই সড়কে দীর্ঘদিন কোনো সংস্কারকাজ হয়নি। এই সড়ক দিয়ে চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি উচ্চবিদ্যালয় ও একটি দাখিল মাদ্রাসার কয়েক হাজার শিক্ষার্থী নিয়মিত যাতায়াত করে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন অসুস্থ রোগী বহনকারী যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা। এসব বিষয় বিবেচনা করে তরুণ সমাজসেবক মুহাম্মদ জাহেদ উল ইসলাম নিজ অর্থায়নে সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেন।

মুহাম্মদ জাহেদ উল ইসলাম বলেন, “তরুণ সমাজকে যুক্ত করে আমরা আমাদের এলাকার উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চাই। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে সামাজিক সচেতনতা ও সহনশীলতার মানসিকতা গড়ে উঠবে। এলাকার নাগরিকেরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। আমার এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”




সাতকানিয়ায় সাঙ্গু নদীতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু

সাতকানিয়ায় সাঙ্গু নদীতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার আমিলাইশ ইউনিয়নে সাঙ্গু নদীতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা আপন ভাই-বোন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার আমিলাইশ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব ডলু নয়াপাড়া এলাকার মোহাম্মদ বেলালের দুই সন্তান মধ্য আমিলাইশ সাঙ্গু নদীর ঘাটঘর এলাকায় পানিতে পড়ে ডুবে যায়।

নিহতরা হলো—মেয়ে মাহিয়া আক্তার (৬) এবং ছেলে মোহাম্মদ মাহিন (৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পরিবারের অজান্তে দুই ভাই-বোন নদীর পানিতে পড়ে যায়। পরে তাদের খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা নদীতে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পানিতে ভাসমান অবস্থায় তাদের উদ্ধার করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বা পরীক্ষা শেষে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।

আমিলাইশ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (ইউপি সদস্য) মোহাম্মদ ইউছুফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুই শিশুর মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক।”




বাঁশখালীতে রাতের আঁধারে দেড় শতাধিক গাছ কাটার অভিযোগ

বাঁশখালীতে রাতের আঁধারে দেড় শতাধিক গাছ কাটার অভিযোগ
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে রাতের আঁধারে দেড় শতাধিক গাছ কেটে ফেলে পাহাড় উজাড় করার অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চাম্বল মিয়ার দোকান এলাকায় রবিবার রাতে মৃত শারদা চরণ দাশের ছেলে দুলাল কান্তি দাশ, গোপাল কান্তি দাশ, রাখাল কান্তি দাশ ও বিদু কান্তি দাশের মালিকানাধীন পাহাড়ি জায়গা থেকে ৪ লাখাধিক টাকা মূল্যের দেড় শতাধিক গাছ কেটে ফেলেছে বনদস্যু ও সন্ত্রাসীরা।

খবর পেয়ে রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সন্ত্রাসীরা দুই গাড়ি কাটা গাছ ফেলে পালিয়ে যায়।

এর আগে গাছ কাটার খবর পেয়ে জায়গার মালিক দুলাল কান্তি দাশসহ স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গেলে অস্ত্রধারী মুখোশপড়া সন্ত্রাসী ও বনদস্যুরা তাঁদের ওপর হামলার চেষ্টা করে।

এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা আবদুর রশিদ মেম্বার ও সাবেক মেম্বার নাছিরসহ এলাকাবাসী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। তাঁরা অবিলম্বে গাছ কাটায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেন।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা জানান, রবিবার রাত আনুমানিক ৩টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত সন্ত্রাসীরা এ বৃক্ষনিধন করে পুরো পাহাড়টি উজাড় করে দেয়।

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক জানান, এ ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছেছে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কিছু গাছ ফেলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেছে। তিনি জানান, ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।




বাঁশখালীতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সুদীর্ঘ মিছিল

বাঁশখালীতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সুদীর্ঘ মিছিল
বাঁশখালীতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সুদীর্ঘ মিছিল।

বাঁশখালীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একটি সুদীর্ঘ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিছিলটি মিয়ারবাজার থেকে শুরু হয়ে দুই কিলোমিটারেরও বেশি পথ অতিক্রম করে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা সদরে এই মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।

বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে বেলা ৪টায় শুরু হওয়া মিছিলে নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা। এ সময় মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা বাঁশখালীর জামায়াত মনোনীত সাবেক সংসদ সদস্যকে উদ্দেশ্য করে সরকারি কর্মকর্তাদের হুমকি ও চাপে রাখার অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, “সাবধান হয়ে যান। এক হাতে তালি বাজে না।” তিনি আরও বলেন, “সরকার বিএনপির। আপনারা বিরোধী দল। তবুও আমরা আপনাদের সহযোগিতা করছি। কিন্তু আপনাদের সহযোগিতার কোনো মানসিকতা নেই।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য লায়ন জহিরুল ইসলাম চৌধুরী আলমগীর, উপজেলা বিএনপি নেতা মাস্টার লোকমান আহমদ, আলহাজ আমিনুর রহমান চৌধুরী, চেয়ারম্যান রেজাউল হক চৌধুরী, সাবেক মেয়র কামরুল ইসলাম হোসাইনী, সাবেক চেয়ারম্যান ইবরাহিম খলিল, চেয়ারম্যান আসহাব উদ্দিন, অ্যাডভোকেট আবুল কাসেম, সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান চৌধুরী, দেলোয়ার আজীম, রাসেল ইকবাল মিয়া, লায়ন অ্যাডভোকেট নাছির উদ্দীন, খোরশেদ আলম আইয়ুব, সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মোহসীন, সাবেক চেয়ারম্যান আকতার হোসেন, ডাক্তার মোহাম্মদ ইউনুস, মুঈনুদ্দিন পলাশ, মোহাম্মদ ছগির, শাহাদাত হোসাইন আজগর, মোহাম্মদ মারুফ, মোহাম্মদ জাহেদ, আবদুল হক, ওলামা দলের নেতা মাওলানা ফোরকান, ছাত্রনেতা আবদুস সবুর, এস এম তৈয়বসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উপজেলা, ইউনিয়ন ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ।