অর্থ আত্মসাৎ: ফটিকছড়ির সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাফরসহ ৮ জন কারাগারে

উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের মামলায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নারায়ণহাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ সিকদারসহ আটজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে আসামিরা আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিচারক মিজানুর রহমান তা নামঞ্জুর করে তাদের জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
আদালত ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে নারায়ণহাট ইউনিয়নে বাস্তব কোনো কাজ না করেই ছয়টি সড়ক ও সেতু সংস্কার প্রকল্পের সরকারি বরাদ্দ এবং ইউনিয়ন পরিষদের দোকান ভাড়ার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এই মামলা দায়ের করা হয়। মামলার আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারের মোট ১২ লাখ ১৭ হাজার ৪৬৭ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
দুদকের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট কবির হোসেন জানান, আসামিরা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছিলেন। কিন্তু মামলার গুরুত্ব ও অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে আদালত তাদের জামিন নাকচ করে দেন। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২-এর উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জাফর সাদেক শিবলী এই মামলার বাদী।
কারাগারে পাঠানো অন্য আসামিরা হলেন—সাবেক ইউপি সচিব সুধীর কুমার পাল, মো. গিয়াস উদ্দিন ও মো. শাহাদাত হোসেন চৌধুরী এবং ঠিকাদার মো. তৈয়ব, মোজাফ্ফর কামাল চৌধুরী, মো. রফিকুল ইসলাম ও মো. আবু তাহের।
এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, আসামিরা ছয়টি প্রকল্প থেকে ৭ লাখ ২৫ হাজার ৪৬৭ টাকা এবং দোকান ভাড়া বাবদ ৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে দুদকের তদন্তে উঠে এসেছে।









