অপহরণের পাঁচ দিন পর কিশোরী সীতাকুণ্ড থেকে উদ্ধার: আটক২

হাটহাজারী থেকে নানা নাটকীয়তার পর ১৩ বছরের কিশোরীকে উদ্ধার করেছে মডেল থানা পুলিশ। অপহরণের পাঁচ দিনের মধ্যেই পার্শ্ববর্তী সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের সহযোগিতায় ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে মডেল থানা পুলিশ উদ্ধার করে । এ সময় ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে অপহরণ মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে আটক করে। এসময় সীতাকুণ্ডের ডাচ-বাংলা রোড সংলগ্ন এলাকার নুরুল আলমের বাসা থেকে ভিকটিমকেও উদ্ধার করা হয়। আটককৃতরা হল ১নং ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের উদালিয়া মিয়াজান চৌধুরী বাড়ীর মোজাফফর ইসলামের পুত্র মো. নুরুল আলম (৩০) এবং একই এলাকার সুলতানের পুত্র মো. শাহাদাত হোসেন (২২)।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম সুমাইয়া হাসান (১৩) ঈদের ছুটিতে নানার বাড়ি থেকে মায়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। গত ৮ জুন ২৬ ইং দুপুরে নিজ বাড়ির সামনে অবস্থানকালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে অপহরণ করা হয়। মূল অভিযুক্ত রবিউল আলম তার সহযোগীদের সহায়তায় একটি মোটরসাইকেলে করে সুমাইয়াকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় জোরপূর্বক আত্মগোপন রাখে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের পর গুরুত্ব সহকারে তদন্তে নামে মডেল থানা পুলিশ। অবশেষে ১৩ জুন ভোরে হাটহাজারী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুপন নাথের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের সহায়তায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অপহৃত ভিকটিম সুমাইয়াকে উদ্ধার করাসহ অপহরণের ঘটনায় জড়িত দুইজনকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত আসামিরা অপহরণের সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। বোরবার দুপুরে আটককৃতদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।
ভিকটিম উদ্ধারসহ আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেন হাটহাজারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুর রহমান। মামলার মূল পলাতক আসামিকেও আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে থানার অফিসার ইনচার্জ জানান।








