৬ কিলোমিটারজুড়ে ৭ শ্যালো মেশিনে বালু উত্তোলন, হুমকিতে নবনির্মিত ৯ কোটি টাকার সড়ক

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের বাগগুজারা ব্রিজের দুই পাশ থেকে বাংলাবাজার পর্যন্ত নদীর তীরে প্রায় ৬ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ৭টি শ্যালো মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাগগুজারা বালুমহালের ইজারার আড়ালে নির্ধারিত সীমার বাইরে বিস্তীর্ণ এলাকায় অবাধে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। ইজারা থাকলেও ব্রিজের উত্তর পাশে মাত্র একটি নির্দিষ্ট স্থানে বালু উত্তোলনের অনুমতি রয়েছে বলে জানা গেছে। কিন্তু বাস্তবে পুরো কোনাখালী ইউনিয়নের নদীতীরজুড়ে বিভিন্ন স্থানে শ্যালো মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন চলছে।
এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে বালু উত্তোলন চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ফলে নদীর তীর ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীভাঙন আরও তীব্র হলে সম্প্রতি প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কটি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে। ইতোমধ্যে সড়কের কয়েকটি অংশ নদীর ভাঙনসীমার কাছাকাছি চলে এসেছে বলে তারা জানান।
বাগগুজারা ব্রিজ সংলগ্ন উত্তর পাশের বালুমহালের ইজারাদার চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের শফিকুল কাদেরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (মাতামুহুরীর দায়িত্বপ্রাপ্ত) শাহীন দেলোয়ার বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুপায়ন দেব বলেন, অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।







