লামায় মসজিদ,মাদ্রাসার জায়গা উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলন
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন

লামায় মসজিদ,মাদ্রাসার জায়গা উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলন

লামায় মসজিদ,মাদ্রাসার জায়গা উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলন
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের চিউনিপাড়া জামে মসজিদ ও মাদ্রাসার জায়গা আওয়ামী সন্ত্রাসী আব্দুর রউফ তাতী কর্তৃক জবরদখল এবং মসজিদের জায়গা পুনরুদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করেছে এলাকাবাসী। রবিবার (২৬ এপ্রিল ২০২৬ইং) দুপুরে লামা প্রেস ক্লাব হলরুমে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।  

সংবাদ সম্মেলনে মসজিদ ও মাদ্রাসার পক্ষে মূল বক্তব্য রাখেন, চিউনিপাড়া জামে মসজিদ ও মাদ্রাসার সেক্রেটারি মোঃ আব্দুর রব ও সদস্য মনিরুল ইসলাম রিপন।

আব্দুর রব বলেন, মসজিদ ও মাদ্রাসার নামে জি হোল্ডিং ৩৩৪, ৩৩৫, ১৮০২, ১৮০৮ মূলে ১৯ একর ১১ শতক জায়গা রয়েছে। এখানে মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানা স্থাপন করা হয়। এই জায়গা থেকে এলাকায় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী সন্ত্রাসী আব্দুর রউফ তাতী প্রায় ৪ একর জায়গা জবরদখল করেছে। উক্ত জায়গা উদ্ধারে মসজিদ কমিটি তৎপরতা চালালে আব্দুর রউফ তাঁতী কমিটি ও এলাকার লোকজনের নামে অসংখ্য মামলা করে হয়রানি করছে। মসজিদের এই জায়গা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দিয়েছেন। আমরা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপে উদ্ধার হবে বলে আশা করছি।

মসজিদ কমিটির সদস্য মনিরুল ইসলাম রিপন বলেন, মসজিদের জায়গা উদ্ধারে বিগত ১৬ বছর আমরা সন্ত্রাসী আব্দুর রউফ তাঁতীর মিথ্যা মামলা দ্বারা হয়রানি হচ্ছি। নতুন করে সে আবার চাঁদাবাজি মামলা করে আমাদের লোকজনকে হয়রানি করছে। লামা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলা নং সিআর ১৮/২৫। আমরা গণমাধ্যম কর্মীদের মাধ্যমে সরকার কাছে সহায়তা কামনা করছি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, চিউনিপাড়া জামে মসজিদ ও মাদ্রাসার সভাপতি নুরুল ইসলাম মাষ্টার, সেক্রেটারি মোহাম্মদ আব্দুর রব, মসজিদের ঈমাম হাফেজ মাওলানা জিয়াউল হক, সদস্য মনিরুল ইসলাম রিপন, মহসিন আলম সদস্য, রবিউল ইসলাম, আব্দুস সাত্তার, নজরুল ইসলাম, বাবুল মৃদা, মতিন হুজুর সহ প্রমূখ।




কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল

কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়ায় এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাত দলের রড ও দা'র উল্টো পিঠের আঘাতে আহত হন কৃষক মো. ইসমাঈল (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী।

বুধবার (২২ জুলাই) গভীর রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের শহরআলীর চর গ্রামের মোহাম্মদ ইসমাইলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ৭-৮ জন ডাকাত অংশ নেয়।

তারা কৃষক ইসমাঈলের বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ১৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে। এমনকি কৃষককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁর কোলের শিশুকে বিছানায় শুইয়ে জবাই করতেও উদ্যত হয় ডাকাত দল। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কৃষক ইসমাঈল এ প্রতিবেদকের কাছে অকপটে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বাড়ির সবকিছু লুট করে চলে যাওয়ার সময় ডাকাতদল তাঁর বাড়ি থেকে ৩০ ফুট দূরে গিয়ে পরপর দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

ইসমাইল আক্ষেপ করে বলেন, তাঁদের এলাকায় পুলিশ কখনো টহল দেয় না। যদি মাঝে মাঝে পুলিশি টহল থাকত, তবে ডাকাত দল অস্ত্র নিয়ে তাঁর বাড়িতে ডাকাতি করার সাহস পেত না। তিনি এখন নিঃস্ব।

বর্তমানে এই ইউনিয়নের শহরআলীর চর, নাপিতের চর, ডেইংগার চর, ডাকভাঙ্গা ও আশপাশের মানুষ চরম আতঙ্কে রয়েছে।




লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা

লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় বোনের পালিয়ে বিয়ের খবর সহ্য করতে না পেরে মো. হাসান (২৫) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে লামা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান পাড়াস্থিত একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. হাসান পটিয়া থানার কোলাগাঁও টেক (চর কানাই, ছবুর মার্কেট) এলাকার মনো মিয়ার ছেলে এবং মো. সোলাইমানের পালক পুত্র। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সাথে লামা পৌরসভার চেয়ারম্যান পাড়ার আনোয়ারা বেগমের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত হাসানের ছোট বোন মেহেরুন্নেসা (২০) পরিবারের অজান্তে স্থানীয় সাকিব নামের এক যুবকের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। ছোট বোনের এমন কাণ্ড মেনে নিতে না পেরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিমানে হাসান নিজ বসতঘরের বাঁশের আড়ার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

খবর পেয়ে লামা থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল কবির সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ মরহুমের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

এ বিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কায়ছার হামিদ জানান, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”




নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিপুল পরিমাণ টাকাসহ ২ চোরাকারবারিকে আটক করেছে বিজিবি। এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোজাম্মেল হক।

বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে আটকের পর তাদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২ জনকে থানায় সোপর্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— ছুরত আলম (৩২) ও আমানুল্লাহ (৪০)। তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

সূত্র আরও জানায়, আটক ব্যক্তিদের সীমান্তের ৫০ নম্বর পিলার এলাকা থেকে আটক করেছে ১১ বিজিবির আওতাধীন লেবুছড়ি বিওপির জওয়ানেরা।

১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “বিজিবি সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী। যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড বিজিবি কঠোর হস্তে দমন করবে। এতে ছাড় দেওয়া হবে না।”