লামার কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের ৭ ক্রীড়াবিদ পেলেন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন

লামার কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের ৭ ক্রীড়াবিদ পেলেন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি

লামার কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের ৭ ক্রীড়াবিদ পেলেন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি
ছবি সংগৃহীত।

"ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা"—এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ৩০ মার্চ ২০২৬ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। প্রথম ধাপে তিনি ১২৯ জন ক্রীড়াবিদের হাতে ক্রীড়া কার্ড তুলে দেন, যার মাধ্যমে র‍্যাংকিংয়ের ভিত্তিতে কার্ডধারী ক্রীড়াবিদরা মাসে এক লক্ষ টাকা ক্রীড়া ভাতা পাচ্ছেন। দ্বিতীয় ধাপে ১৯ এপ্রিল ২০২৬ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) অডিটোরিয়ামে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক আরও ১৭১ জন খেলোয়াড়ের হাতে ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা তুলে দেন। দুই ধাপে এ সুবিধার আওতায় এসেছেন ৩০০ ক্রীড়াবিদ, যাদের মধ্যে রয়েছেন বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে গড়ে ওঠা শিক্ষায়তন কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের ৭ জন।

"অলিম্পিকে সোনা আমরা জিতবই"—এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০১২ সালে বাংলাদেশ জিمن্যাস্টিকস ফেডারেশনের সহযোগিতায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজে শুরু হয় "আমরা পারি জিমন্যাস্টিকস" কার্যক্রম। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বাংলাদেশ জিمن্যাস্টিকস ফেডারেশনের সহায়তায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কোচদের তত্ত্বাবধানে এই প্রতিষ্ঠানের জিমন্যাস্টরা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে আসছেন। গত এক যুগে জাতীয়ভাবে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় প্রশংসনীয় দক্ষতা ও পারদর্শিতা প্রদর্শন করে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২১৮টি স্বর্ণসহ মোট ৫৫৬টি পদক জিতে দেশের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে কোয়ান্টাম।

পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম থানচি এলাকার জুমচাষি পরিবারের সন্তান উহাইমং মার্মা ২০১১ সালে মাত্র পাঁচ বছর বয়সে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজে ভর্তি হন। এ প্রতিষ্ঠানের জিমনেসিয়ামে ২০১৩ থেকে শুরু করেন জিমন্যাস্টিকস চর্চা। বর্তমানে তিনি এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং জাতীয় জিমন্যাস্টিকস দলের একজন চৌকস জিমন্যাস্ট। ২০১০ সালে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের সূচনা শ্রেণিতে ভর্তি হন রাজীব চাকমা। ২০১২ সালে এখানেই জিمن্যাস্টিকসে হাতেখড়ি হয় তাঁর। ২০২৪ সালে কোয়ান্টাম থেকেই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এখন তিনি পড়ছেন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। শৈশবের সেই বিদ্যাপীঠের টিনের ঘরে সীমিত সুবিধার মাঝে জিمن্যাস্টিকস চর্চা শুরু করে এখন তিনি বাংলাদেশ জাতীয় দলের জিমন্যাস্ট; অংশ নিয়েছেন অসংখ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায়।

রাঙামাটির নানিয়ারচর ইউনিয়নের গলাছড়ি গ্রামের নিঝুম খীসা ২০১০ সালে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের সূচনা শ্রেণিতে ভর্তি হন। এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৪ বছর লেখাপড়া করার পর এখান থেকেই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ২০২৪ সালে। জিمن্যাস্টিকসে তাঁর পথচলা শুরু হয় স্কুলে পড়ার সময়েই। কোয়ান্টামের হয়ে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন তিনি।

সাংখেঅং খুমী কিতং বাবার হাত ধরে ২০০৫ সালে মাত্র ৩ বছর বয়সে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজে শিশু শ্রেণিতে ভর্তি হন। এখানকার জিমনেসিয়ামে তাঁর জিمن্যাস্টিকস অনুশীলন শুরু হয়। সে সময় থেকেই বিভিন্ন আঞ্চলিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জিمن্যাস্টিকসে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি। ২০২০ সালে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন কিতং।

৩০ মার্চ ২০২৬ উহাইমং মার্মা ও রাজীব চাকমার হাতে ক্রীড়া কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ছাড়া নিঝুম খীসা ও সাংখেয়ং খুমী ১৯ এপ্রিল ২০২৬ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের কাছ থেকে ক্রীড়া কার্ড গ্রহণ করেন। প্রাণবন্ত পদচারণা টেবিল টেনিসেও। ৩০ আগস্ট ২০২৫ কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের টেবিল টেনিস একাডেমি ভবন উদ্বোধন করা হয়। এ খেলায় আঞ্চলিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের রয়েছে অসাধারণ সাফল্য। ২০১৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত জাতীয় স্কুল ও মাদ্রাসা ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় টেবিল টেনিসে দ্বৈত (বালক) ইভেন্টে ধারাবাহিক চ্যাম্পিয়নশিপ অক্ষুণ্ণ রাখে কোয়ান্টাম। ২০২০, ২০২২ ও ২০২৩ সালে টেবিল টেনিসে দ্বৈত (বালিকা) ইভেন্টে এবং ২০২২, ২০২৩ ও ২০২৪ সালে একক (বালিকা) ইভেন্টে টানা চ্যাম্পিয়ন হয়ে দুটিতেই অর্জন করে হ্যাটট্রিক শিরোপা।

রাঙামাটির রাজস্থলীর দুর্গম চুশাক পাড়ার খই খই সাই মার্মা বর্তমানে দেশের অন্যতম সেরা টেবিল টেনিস তারকা। ২০১৫ সালে ৮ বছর বয়সে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজে ২য় শ্রেণিতে ভর্তি হন খই খই। নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করার পর তিনি বিকেএসপিতে স্থানান্তরিত হন। ২০১৮ সাল থেকে তিনি জেলা, উপজেলা এবং বিভাগীয় পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে শুরু করেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের জন্য অনন্য সম্মান বয়ে আনা এই তারকা খেলোয়াড় বর্তমানে র‍্যাংকিংয়ে এক নম্বর অবস্থানে রয়েছেন। ৩০ মার্চ ২০২৬ প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে মাসিক এক লক্ষ টাকার ক্রীড়া কার্ড গ্রহণ করেছেন তিনি।

২০০৮ সালে নিজ বাড়ি থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরের কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজে মাত্র ৩ বছর বয়সে সূচনা শ্রেণিতে রামহিমলিয়ান বমকে ভর্তি করে দেন তাঁর বাবা। ২০১২ সালে শিক্ষার্থীদের টেবিল টেনিস শেখানোর উদ্যোগ গ্রহণ করে কোয়ান্টাম। তখন থেকেই তিনি আঞ্চলিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করতে থাকেন। ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের কাছ থেকে ভাতা ও কার্ড গ্রহণ করেন রামহিম।

ছেলে ও মেয়েদের ভলিবল অনুশীলনের জন্য এ শিক্ষাঙ্গনে রয়েছে পৃথক ভলিবল মাঠ। ইতোমধ্যে কোয়ান্টামের ভলিবল খেলোয়াড়রা অর্জন করেছেন আঞ্চলিক ও জাতীয় সাফল্য। মৌমৌ খই মার্মা তাদের একজন। ২০১৬ সালে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজে ২য় শ্রেণিতে ভর্তি হন পিতৃহারা মৌমৌ খই। এখান থেকেই মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ২০২৫ সালে। জাতীয় নারী ভলিবল দলের এই কৃতী সদস্যকে ৩০ মার্চ ২০২৬ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও ক্রীড়া কার্ড প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন শিক্ষাসেবা কার্যক্রমের ইনচার্জ ছালেহ আহমেদ বলেন, "জাতিগতভাবে অলিম্পিকে স্বর্ণ জয়ের লক্ষ্যে ২০১০ সাল থেকে 'অলিম্পিকে সোনা আমরা জিতবই'—বাক্যটিকে জাতীয় পর্যায়ে জনপ্রিয় করে তোলে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন।"

তিনি আরও জানান, কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের ক্রীড়াবিদদেরাও এই বাক্যটিকে নিজেদের স্বপ্ন হিসেবে লালন করছেন দীর্ঘদিন ধরে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ক্রীড়াবিদদের পেশাগত স্বীকৃতি, ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড প্রদানের এই মহতী উদ্যোগে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে ও ক্রীড়াবিদদের মধ্যে যে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে, যে আত্মবিশ্বাস ক্রীড়াবিদদের মধ্যে তৈরি হয়েছে, তাতে বাংলাদেশও অলিম্পিকে স্বর্ণ জিতবে ইনশাআল্লাহ।




কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল

কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়ায় এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাত দলের রড ও দা'র উল্টো পিঠের আঘাতে আহত হন কৃষক মো. ইসমাঈল (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী।

বুধবার (২২ জুলাই) গভীর রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের শহরআলীর চর গ্রামের মোহাম্মদ ইসমাইলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ৭-৮ জন ডাকাত অংশ নেয়।

তারা কৃষক ইসমাঈলের বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ১৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে। এমনকি কৃষককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁর কোলের শিশুকে বিছানায় শুইয়ে জবাই করতেও উদ্যত হয় ডাকাত দল। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কৃষক ইসমাঈল এ প্রতিবেদকের কাছে অকপটে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বাড়ির সবকিছু লুট করে চলে যাওয়ার সময় ডাকাতদল তাঁর বাড়ি থেকে ৩০ ফুট দূরে গিয়ে পরপর দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

ইসমাইল আক্ষেপ করে বলেন, তাঁদের এলাকায় পুলিশ কখনো টহল দেয় না। যদি মাঝে মাঝে পুলিশি টহল থাকত, তবে ডাকাত দল অস্ত্র নিয়ে তাঁর বাড়িতে ডাকাতি করার সাহস পেত না। তিনি এখন নিঃস্ব।

বর্তমানে এই ইউনিয়নের শহরআলীর চর, নাপিতের চর, ডেইংগার চর, ডাকভাঙ্গা ও আশপাশের মানুষ চরম আতঙ্কে রয়েছে।




লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা

লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় বোনের পালিয়ে বিয়ের খবর সহ্য করতে না পেরে মো. হাসান (২৫) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে লামা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান পাড়াস্থিত একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. হাসান পটিয়া থানার কোলাগাঁও টেক (চর কানাই, ছবুর মার্কেট) এলাকার মনো মিয়ার ছেলে এবং মো. সোলাইমানের পালক পুত্র। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সাথে লামা পৌরসভার চেয়ারম্যান পাড়ার আনোয়ারা বেগমের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত হাসানের ছোট বোন মেহেরুন্নেসা (২০) পরিবারের অজান্তে স্থানীয় সাকিব নামের এক যুবকের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। ছোট বোনের এমন কাণ্ড মেনে নিতে না পেরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিমানে হাসান নিজ বসতঘরের বাঁশের আড়ার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

খবর পেয়ে লামা থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল কবির সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ মরহুমের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

এ বিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কায়ছার হামিদ জানান, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”




নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিপুল পরিমাণ টাকাসহ ২ চোরাকারবারিকে আটক করেছে বিজিবি। এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোজাম্মেল হক।

বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে আটকের পর তাদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২ জনকে থানায় সোপর্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— ছুরত আলম (৩২) ও আমানুল্লাহ (৪০)। তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

সূত্র আরও জানায়, আটক ব্যক্তিদের সীমান্তের ৫০ নম্বর পিলার এলাকা থেকে আটক করেছে ১১ বিজিবির আওতাধীন লেবুছড়ি বিওপির জওয়ানেরা।

১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “বিজিবি সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী। যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড বিজিবি কঠোর হস্তে দমন করবে। এতে ছাড় দেওয়া হবে না।”