রামুতে র্যাবের অভিযানে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত ১ আসামী গ্রেফতার

দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক নির্মূল, অস্ত্র উদ্ধার এবং দুর্ধ্বষ অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে প্রতিষ্ঠার সূচনালগ্ন থেকেই এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই র্যাবের মূল লক্ষ্য ছিল দেশের বড় বড় সন্ত্রাসী দমন, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, জলদস্যু-বনদস্যু দমন, চাঞ্চল্যকর অপরাধের রহস্য উদঘাটন এবং মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা। বিগত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে র্যাব সাধারণ মানুষের মনে নিরাপত্তার এক নির্ভরযোগ্য প্রতীক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
উক্ত ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবং মাদকের মরণ ছোবল থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করার প্রত্যয়ে র্যাব-১৫, কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন সদর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল কক্সবাজারের রামু থানা এলাকায় একটি অত্যন্ত সফল অভিযান পরিচালনা করেছে।
২৩ জুন রাত আনুমানিক ৯ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৫ এর আভিযানিক দল কক্সবাজার জেলার রামু থানাধীন রাবার বাগান সংলগ্ন রাজ মহল হোটেলের সামনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত এবং দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা ওয়ারেন্টভুক্ত শীর্ষ মাদক কারবারি সোনা মিয়া (৪৫) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামি সোনা মিয়া (৪৫) কক্সবাজার জেলার সদর থানাধীন কুতুবদিয়া পাড়া (পশ্চিম কুতুবদিয়া পাড়া, ১নং ওয়ার্ড, কক্সবাজার পৌরসভা) মৃত নজির আহমদ এর ছেলে। সে একজন পেশাদার মাদক কারবারি এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার লক্ষ্যে তাকে কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে এবং সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব-১৫ এর এই ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে







