রাফি-উদ-দৌলা সরদারের নেতৃত্বে টংকাবতী রেঞ্জে টানা অভিযান: এক সপ্তাহে ২ গাড়িসহ বনজদ্রব্য জব্দ
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন

রাফি-উদ-দৌলা সরদারের নেতৃত্বে টংকাবতী রেঞ্জে টানা অভিযান: এক সপ্তাহে ২ গাড়িসহ বনজদ্রব্য জব্দ

রাফি-উদ-দৌলা সরদারের নেতৃত্বে টংকাবতী রেঞ্জে টানা অভিযান: এক সপ্তাহে ২ গাড়িসহ বনজদ্রব্য জব্দ
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবান বন বিভাগের টংকাবতী রেঞ্জে বনজ সম্পদ রক্ষায় ধারাবাহিক অভিযানে সাফল্য পেয়েছে বন বিভাগ। এক সপ্তাহের ব্যবধানে পৃথক দুইটি অভিযানে বনজদ্রব্যসহ দুইটি গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ১৮ মার্চ ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ দুপুর আনুমানিক ২:০০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টংকাবতী রেঞ্জের ত্রিপুরা পাড়া এলাকার সড়কে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন টংকাবতী রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ রাফি-উদ-দৌলা সরদার। এসময় Chittagong Hill Tracts Forest Transit Rule, 1973 ভঙ্গের দায়ে বনজদ্রব্য বহনকারী একটি জীপ গাড়ি জব্দ করা হয়। জব্দকৃত গাড়িটি টংকাবতী রেঞ্জ অফিস প্রাঙ্গণে হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং এ ঘটনায় বন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
রেঞ্জ কর্মকর্তা জানান, এর আগেও গত সপ্তাহে একই আইনের আওতায় টংকাবতী রেঞ্জের ডিসি রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে উলুফুল ও ঝাড়ুসহ একটি পিকআপ জব্দ করা হয়। ওই ঘটনাতেও বন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক ড. মোল্যা রেজাউল করিম এবং বান্দরবান বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ তৌফিকুল ইসলামের কঠোর নির্দেশনার কারণে বন অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এছাড়াও আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বনাঞ্চলে অবৈধ কার্যক্রম রোধে টহল জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ। বনজ সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও আশ্বাস দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।




কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল

কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়ায় এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাত দলের রড ও দা'র উল্টো পিঠের আঘাতে আহত হন কৃষক মো. ইসমাঈল (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী।

বুধবার (২২ জুলাই) গভীর রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের শহরআলীর চর গ্রামের মোহাম্মদ ইসমাইলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ৭-৮ জন ডাকাত অংশ নেয়।

তারা কৃষক ইসমাঈলের বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ১৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে। এমনকি কৃষককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁর কোলের শিশুকে বিছানায় শুইয়ে জবাই করতেও উদ্যত হয় ডাকাত দল। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কৃষক ইসমাঈল এ প্রতিবেদকের কাছে অকপটে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বাড়ির সবকিছু লুট করে চলে যাওয়ার সময় ডাকাতদল তাঁর বাড়ি থেকে ৩০ ফুট দূরে গিয়ে পরপর দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

ইসমাইল আক্ষেপ করে বলেন, তাঁদের এলাকায় পুলিশ কখনো টহল দেয় না। যদি মাঝে মাঝে পুলিশি টহল থাকত, তবে ডাকাত দল অস্ত্র নিয়ে তাঁর বাড়িতে ডাকাতি করার সাহস পেত না। তিনি এখন নিঃস্ব।

বর্তমানে এই ইউনিয়নের শহরআলীর চর, নাপিতের চর, ডেইংগার চর, ডাকভাঙ্গা ও আশপাশের মানুষ চরম আতঙ্কে রয়েছে।




লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা

লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় বোনের পালিয়ে বিয়ের খবর সহ্য করতে না পেরে মো. হাসান (২৫) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে লামা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান পাড়াস্থিত একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. হাসান পটিয়া থানার কোলাগাঁও টেক (চর কানাই, ছবুর মার্কেট) এলাকার মনো মিয়ার ছেলে এবং মো. সোলাইমানের পালক পুত্র। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সাথে লামা পৌরসভার চেয়ারম্যান পাড়ার আনোয়ারা বেগমের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত হাসানের ছোট বোন মেহেরুন্নেসা (২০) পরিবারের অজান্তে স্থানীয় সাকিব নামের এক যুবকের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। ছোট বোনের এমন কাণ্ড মেনে নিতে না পেরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিমানে হাসান নিজ বসতঘরের বাঁশের আড়ার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

খবর পেয়ে লামা থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল কবির সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ মরহুমের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

এ বিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কায়ছার হামিদ জানান, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”




নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিপুল পরিমাণ টাকাসহ ২ চোরাকারবারিকে আটক করেছে বিজিবি। এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোজাম্মেল হক।

বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে আটকের পর তাদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২ জনকে থানায় সোপর্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— ছুরত আলম (৩২) ও আমানুল্লাহ (৪০)। তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

সূত্র আরও জানায়, আটক ব্যক্তিদের সীমান্তের ৫০ নম্বর পিলার এলাকা থেকে আটক করেছে ১১ বিজিবির আওতাধীন লেবুছড়ি বিওপির জওয়ানেরা।

১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “বিজিবি সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী। যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড বিজিবি কঠোর হস্তে দমন করবে। এতে ছাড় দেওয়া হবে না।”