মুখোশধারীদের হামলায় নিহত শাহাদাতের পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে পাশে দাঁড়ালেন হাজী ফোরকান

সাতকানিয়ার রাস্তার মাথা এলাকায় মুখোশধারী সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত চা ও পান বিক্রেতা মো. শাহাদাতের শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে তাঁর বাড়িতে ছুটে গিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী মোহাম্মদ ফোরকান।
গত ২৬ এপ্রিল একদল মুখোশধারী সন্ত্রাসীর বর্বরোচিত হামলায় নির্মমভাবে প্রাণ হারান শাহাদাত। তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এলেও এক বুক বিদীর্ণ করা আর্তনাদ লুকিয়ে আছে তাঁর বাড়িতে। শাহাদাতের অবুঝ সন্তানরা এখনো জানে না যে তাদের বাবা আর কোনোদিন ফিরে আসবে না। তারা এখনো পথ চেয়ে বসে থাকে বাবার ফেরার অপেক্ষায়।
গতকাল ১২ মে মঙ্গলবার সরেজমিনে শাহাদাতের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় এক আবেগঘন পরিবেশ। হাজী মোহাম্মদ ফোরকান নিহত শাহাদাতের ছোট সন্তানদের বুকে টেনে নেন এবং পরম মমতায় তাদের আদর করেন। বাবার শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয়, তবুও সন্তানদের প্রতি তাঁর এই পিতৃতুল্য স্নেহ উপস্থিত সকলকে অশ্রুসিক্ত করে তোলে।
এ সময় হাজী মোহাম্মদ ফোরকান পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন:
"শাহাদাতের এই মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। বিশেষ করে এই ছোট বাচ্চাদের মুখের দিকে তাকালে স্থির থাকা যায় না। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই পরিবারের পাশে আছি এবং এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও অপরাধীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।"
তিনি আরও জানান, কেবল মৌখিক সান্ত্বনা নয়, ভবিষ্যতে এই এতিম শিশুদের পড়াশোনা ও জীবনযাত্রার বিষয়েও তিনি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেবেন। এলাকার সাধারণ মানুষ হাজী ফোরকানের এই মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন এবং শাহাদাত হত্যার বিচার চেয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৬ এপ্রিল রাস্তার মাথা এলাকায় একদল মুখোশধারী সন্ত্রাসী শাহাদাতের ওপর হামলা চালায় এবং ২৭ এপ্রিল তিনি নিহত হন। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।






