বান্দরবানে মিথ্যা মামলায় নির্যাতিত ৭৫০ বিএনপি নেতা-কর্মীকে রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরীর সম্মাননা
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন

বান্দরবানে মিথ্যা মামলায় নির্যাতিত ৭৫০ বিএনপি নেতা-কর্মীকে রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরীর সম্মাননা

বান্দরবানে মিথ্যা মামলায় নির্যাতিত ৭৫০ বিএনপি নেতা-কর্মীকে রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরীর সম্মাননা
ছবি সংগৃহীত।

বিগত ১৭ বছরে স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার কর্তৃক মামলা, হামলা, জেল ও নির্যাতনের শিকার বিএনপি'র ৭৫০ জন নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সম্মাননা দিয়েছেন বান্দরবান ৩০০নং সংসদীয় আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা শহরের হোটেল হিলভিউ কনভেনশন হলে এ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে মামলা, হামলা, জেল ও নির্যাতনের শিকার ৭৫০ জন বিএনপি'র নেতাকর্মী, সমর্থককে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩০০নং (বান্দরবান) সংসদীয় আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক মো: ওসমান গনি, মুজিবুবুর রশিদ, আব্দুল মাবুদ, মশিউর রহমান মিঠুন, জাহাঙ্গীর আলমসহ জেলার শীর্ষস্থানীয় নেতা, সহযোগী সংগঠনের প্রতিনিধি, এবং বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা শত শত নেতাকর্মী।

সম্মাননা অনুষ্ঠানে বিএনপি'র নির্যাতিত নেতা কর্মীরা অভিযোগ করে বলেন—স্বৈরাচার সরকার বিরোধী মতকে দমনে মামলা, হামলা, গ্রেপ্তার ও নির্যাতনকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে ব্যবহার করেছে।

নির্যাতিত নেতাকর্মীরা বলেন, বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী বিগত ১৭ বছরের নির্যাতিত প্রতিটি নেতাকর্মী ও সমর্থকের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং প্রতিটি মামলার খরচ বহন করেছেন। তাই রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরীকে ৩০০নং আসন বান্দরবানে বিএনপি ধানের শীষের প্রার্থী ঘোষণা করায় আমরা আনন্দিত এবং দলের ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানাই, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

নেতারা বলেন, আমাদের নেতা-কর্মীরা গণতন্ত্রের জন্য লড়েছেন। সরকার তাঁদের ওপর যেসব মিথ্যা মামলা দিয়েছে—তা ছিল ভয় দেখানোর চেষ্টা। আজকের এই সংবর্ধনা তাঁদের সাহস ও অবদানের স্বীকৃতি।

নেতারা আরও বলেন, মামলা-হামলার পরও বিএনপির নেতা-কর্মীরা পিছিয়ে যায়নি বরং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে আরও ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন তারা। কারাগার, হামলা—সবই সহ্য করেছি। কিন্তু গণতন্ত্রের জন্য লড়াই থেমে যায়নি। আজকের এই স্বীকৃতি আমাদের নতুন উদ্দীপনা যোগিয়েছে।




মাতামুহুরী কলেজের জমি দখল: আলটিমেটাম, অবরোধের ঘোষণা

মাতামুহুরী কলেজের জমি দখল: আলটিমেটাম, অবরোধের ঘোষণা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলার অন্যতম প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘সরকারি মাতামুহুরী কলেজ’-এর প্রায় দুই একর সরকারি জমি জবরদখলের প্রতিবাদে এবং চিহ্নিত দখলদার ও ভূমিদস্যু সুমনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্র-জনতা।

​বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচি থেকে প্রশাসনকে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম প্রদান করা হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমি উদ্ধার না হলে আগামী ২৬ জুলাই থেকে পুরো লামা উপজেলা অচল করে দেওয়াসহ অনির্দিষ্টকালের কড়া আলটিমেটামের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

​সমাবেশে বক্তারা জানান, ৩০৫ নম্বর গজালিয়া মৌজার সাপমারা ঝিরি সীমানার ১৭০ নম্বর হোল্ডিংয়ে অবস্থিত সরকারি মাতামুহুরী কলেজের মালিকানাধীন ২ একর জায়গা দীর্ঘদিন ধরে জবরদখল করে রেখেছেন স্থানীয় মো: সুমন (ওরফে চাঁন্দা সুমন/স্যান্ডেল সুমন)। বক্তাদের অভিযোগ, প্রশাসন ও কলেজ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে উক্ত চিহ্নিত ভূমিদস্যু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি গ্রাস করে রেখেছে।

​সমাবেশ শেষে ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ৫ দফা দাবি তুলে ধরা হয় ১. অবিলম্বে উচ্ছেদ ও দখলমুক্তকরণ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কলেজের জবরদখলকৃত দুই একর জমি থেকে দখলদার সুমনকে উচ্ছেদ করে কলেজের নিয়ন্ত্রণে বুঝিয়ে দেওয়া।

২. লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-কে বাদী হয়ে চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যু মো: সুমনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং তাকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে গ্রেপ্তারের দাবি।

৩. উদ্ধারকৃত জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে পূর্বের ন্যায় কলেজের লোগো সংবলিত সাইনবোর্ড টানানো।

৪.আন্দোলনের বিপক্ষে বা শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনকারী মাফিয়া ও দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভিত্তিহীন পাল্টা মামলা খারিজ করা।

৫. জমি দখলের সময় অভিযোগ পাওয়ার পরও ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ায় লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) শিক্ষার্থীদের সামনে জবাবদিহি করা।

শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আগামী ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে জমি বুঝিয়ে দেওয়া না হলে তারা নিম্নলিখিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাধ্য হবেন,​কলেজে অনির্দিষ্টকালের জন্য তালা ঝুলিয়ে দিয়ে সকল ক্লাস,পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কাজ বন্ধ করা।

অধ্যক্ষকে তাঁর বাসভবনে অবরুদ্ধ করা এবং অধ্যাপকদের কার্যালয়ে প্রবেশ করতে না দেওয়া।​লামা-চকরিয়া প্রধান সড়কসহ উপজেলার সকল প্রবেশপথ অবরুদ্ধ করে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করা।
​প্রশাসনিক কার্যালয় ঘেরাও করে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন পালন।

মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রী ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন শিক্ষার্থীরা।

​উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশ ও কর্মসূচিতে সরকারি মাতামুহুরী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মোনায়েম, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক শামসুল আলম, অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক রফিকুল ইসলাম খাঁ, ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক ইয়াসির আরাফাত, বাংলা বিভাগের প্রভাষক আকতার কামাল, ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মনজুর-ই-এলাহী এবং দর্শন বিভাগের প্রভাষক সুমাইয়া আক্তার কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। 
কলেজ ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের সাধারণ শিক্ষার্থীরা সংহতি প্রকাশ করে অংশ নেন। কর্মসূচিতে কলেজের সভাপতি মো: তুষার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: হাসান, সাধারণ সম্পাদক মো: শহিদুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মো: আলাউদ্দিন ও সদস্য মো: রাকিবুল ইসলামসহ ছাত্রনেতা ও বিপুলসংখ্যক সাধারণ শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।




লামায় সরকারি মাতামুহুরী কলেজের জমি দখলের প্রতিবাদে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম ও রাজপথ অবরোধের ঘোষণা

লামায় সরকারি মাতামুহুরী কলেজের জমি দখলের প্রতিবাদে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম ও রাজপথ অবরোধের ঘোষণা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলার অন্যতম প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান 'সরকারি মাতামুহুরী কলেজ'-এর প্রায় দুই একর সরকারি জমি জবরদখলের প্রতিবাদে এবং চিহ্নিত দখলদার ও ভূমিদস্যু সুমনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্র-জনতা।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচি থেকে প্রশাসনকে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম প্রদান করা হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমি উদ্ধার না হলে আগামী ২৬ জুলাই থেকে পুরো লামা উপজেলা অচল করে দেওয়াসহ অনির্দিষ্টকালের কড়া আলটিমেটামের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।

সমাবেশে বক্তারা জানান, ৩০৫ নম্বর গজারিয়া মৌজার সাপমারা ঝিরি সীমানার ১৭০ নম্বর হোল্ডিংয়ে অবস্থিত সরকারি মাতামুহুরী কলেজের মালিকানাধীন ২ একর জায়গা দীর্ঘদিন ধরে জবরদখল করে রেখেছেন স্থানীয় মো. সুমন (ওরফে চাঁন্দা সুমন/স্যান্ডেল সুমন)। বক্তাদের অভিযোগ, প্রশাসন ও কলেজ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে উক্ত চিহ্নিত ভূমিদস্যু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জমি গ্রাস করে রেখেছে।

সমাবেশ শেষে ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ৫ দফা দাবি তুলে ধরা হয়: ১. অবিলম্বে উচ্ছেদ ও দখলমুক্তকরণ: ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কলেজের জবরদখলকৃত দুই একর জমি থেকে দখলদার সুমনকে উচ্ছেদ করে কলেজের নিয়ন্ত্রণে বুঝিয়ে দেওয়া। ২. লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-কে বাদী হয়ে চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যু মো. সুমনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং তাঁকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে গ্রেপ্তারের দাবি। ৩. উদ্ধারকৃত জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে পূর্বের ন্যায় কলেজের লোগো সংবলিত সাইনবোর্ড টানানো। ৪. আন্দোলনের বিপক্ষে বা শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনকারী মাফিয়া ও দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভিত্তিহীন পাল্টা মামলা খারিজ করা। ৫. জমি দখলের সময় অভিযোগ পাওয়ার পরও ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ায় লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) শিক্ষার্থীদের সামনে জবাবদিহি করা।

শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আগামী ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে জমি বুঝিয়ে দেওয়া না হলে তাঁরা নিম্নলিখিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাধ্য হবেন:

  • কলেজে অনির্দিষ্টকালের জন্য তালা ঝুলিয়ে দিয়ে সকল ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কাজ বন্ধ করা।

  • অধ্যক্ষকে তাঁর বাসভবনে অবরুদ্ধ করা এবং অধ্যাপকদের কার্যালয়ে প্রবেশ করতে না দেওয়া।

  • লামা-চকরিয়া প্রধান সড়কসহ উপজেলার সকল প্রবেশপথ অবরুদ্ধ করে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করা।

  • প্রশাসনিক কার্যালয় ঘেরাও করে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন পালন।

মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন শিক্ষার্থীরা।

উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশ ও কর্মসূচিতে সরকারি মাতামুহুরী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মোনায়েম, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক শামসুল আলম, অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক রফিকুল ইসলাম খান, ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক ইয়াসির আরাফাত, বাংলা বিভাগের প্রভাষক আকতার কামাল, ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মনজুর-ই-ইলাহী এবং দর্শন বিভাগের প্রভাষক সুমাইয়া আক্তার উপস্থিত ছিলেন।

কলেজ ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের সাধারণ শিক্ষার্থীরা সংহতি প্রকাশ করে এতে অংশ নেন। কর্মসূচিতে কলেজের সভাপতি মো. তুষার, সিনিয়র সহসভাপতি মো. হাসান, সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন ও সদস্য মো. রাকিবুল ইসলামসহ ছাত্রনেতা ও বিপুলসংখ্যক সাধারণ শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।




কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল

কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়ায় এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাত দলের রড ও দা'র উল্টো পিঠের আঘাতে আহত হন কৃষক মো. ইসমাঈল (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী।

বুধবার (২২ জুলাই) গভীর রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের শহরআলীর চর গ্রামের মোহাম্মদ ইসমাইলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ৭-৮ জন ডাকাত অংশ নেয়।

তারা কৃষক ইসমাঈলের বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ১৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে। এমনকি কৃষককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁর কোলের শিশুকে বিছানায় শুইয়ে জবাই করতেও উদ্যত হয় ডাকাত দল। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কৃষক ইসমাঈল এ প্রতিবেদকের কাছে অকপটে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বাড়ির সবকিছু লুট করে চলে যাওয়ার সময় ডাকাতদল তাঁর বাড়ি থেকে ৩০ ফুট দূরে গিয়ে পরপর দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

ইসমাইল আক্ষেপ করে বলেন, তাঁদের এলাকায় পুলিশ কখনো টহল দেয় না। যদি মাঝে মাঝে পুলিশি টহল থাকত, তবে ডাকাত দল অস্ত্র নিয়ে তাঁর বাড়িতে ডাকাতি করার সাহস পেত না। তিনি এখন নিঃস্ব।

বর্তমানে এই ইউনিয়নের শহরআলীর চর, নাপিতের চর, ডেইংগার চর, ডাকভাঙ্গা ও আশপাশের মানুষ চরম আতঙ্কে রয়েছে।