বাঁশখালীতে জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২ হাজার মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

বাঁশখালীতে জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২ হাজার মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের মাঠে ত্রাণ ও পূণর্বাসন মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপির উপস্থিতিতে এই ত্রাণ সামগ্রী উপজেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে ওই ত্রাণ সামগ্রী বন্যা দূর্গত মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিয়া, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন, খানখানাবাদ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম সিকদার প্রমুখ
জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের ডাইরেক্টর আজিজুল হকের নেতৃত্বে জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিদল ত্রাণ সামগ্রিক বিতরণ ও হস্তান্তর করেন।
এসময় জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের পরিচালক মো: শাহাদুল হক, উপ-পরিচালক চট্টগ্রাম অঞ্চল
মো: জাকির হোসেন, জোনাল ম্যানেজার চট্টগ্রাম জোন
সন্তোষ চন্দ্র সরকার, এরিয়া ম্যানেজার (চকরিয়া), মো: আব্দুর রাজ্জাক এরিয়া ম্যানেজার (পটিয়া) প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে সরকারের পাশাপাশি জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের মতো বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সরকারকে সহযোগিতা করায় তিনি জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের প্রতি সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর (মাইক্রোফাইন্যান্স) মোঃ আজিজুল হক বলেন,
"মানুষের দুর্যোগে মানুষের পাশে থাকা—এটাই জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের অঙ্গীকার। আমরা বিশ্বাস করি, মানবিক দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়েই একটি উন্নয়ন সংস্থা তার প্রকৃত ভূমিকা পালন করে।"
১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বর্তমানে সংস্থাটি দেশের ১৮টি জেলায় প্রায় সাত লক্ষাধিক ক্ষুদ্রঋণ সুবিধাভোগীর সঙ্গে কাজ করছে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জীবিকায়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, চলমান বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।
মানুষের পাশে থাকা—এই অঙ্গীকার নিয়েই জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন দেশের দুর্যোগকালীন মানবিক সহায়তা কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।






