ফটিকছড়ির এবিসি উচ্চবিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন হামিদুর রহমান
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ন

ফটিকছড়ির এবিসি উচ্চবিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন হামিদুর রহমান

ফটিকছড়ির এবিসি উচ্চবিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন হামিদুর রহমান
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাটের দৌলতপুর আব্দুল বারী চৌধুরী (এবিসি) উচ্চবিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন শিল্পপতি, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক হামিদুর রহমান চৌধুরী।

সোমবার (৩ আগস্ট) চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক অধ্যাপক মো. আবুল কাসেম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাঁকে এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

হামিদুর রহমান চৌধুরী মরহুম মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর পুত্র। তাঁর দাদা খানসাহেব হাফেজুর রহমান চৌধুরী বিলুপ্ত দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দীর্ঘ ৩৫ বছর দায়িত্ব পালন করেন।

সভাপতি মনোনীত করায় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, শিক্ষাবিদ ও স্থানীয় মহল তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছে।

হামিদুর রহমান চৌধুরী সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।




হেলিপ্যাড থেকে বাবুনগর মাদ্রাসা—নিরাপত্তার চাদরে পুরো এলাকা

হেলিপ্যাড থেকে বাবুনগর মাদ্রাসা—নিরাপত্তার চাদরে পুরো এলাকা
ছবি সংগৃহীত।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফটিকছড়ি সফরকে ঘিরে পুরো এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। হেলিপ্যাড থেকে বাবুনগর মাদ্রাসা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সফরস্থল, সংযোগ সড়ক ও আশপাশের এলাকায় চলছে কঠোর নজরদারি।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বাবুনগরের সংশ্লিষ্ট সড়কে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তায় আড়াই থেকে তিন হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ইতোমধ্যে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সফরস্থল একাধিকবার পরিদর্শন করে নিরাপত্তার সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করেছেন।

ফটিকছড়ির পাইন্দংয়ের পেলাগাজী দিঘি হেলিপ্যাড থেকে বাবুনগর মাদ্রাসা পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা চৌকি ও কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সফরপথের আশপাশে সন্দেহজনক ব্যক্তি ও যানবাহনের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সংবেদনশীল এলাকাগুলোতেও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। দল-মত নির্বিশেষে বিপুলসংখ্যক মানুষ সড়কের পাশে অবস্থান নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিয়েছেন।

তবে জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ এবং প্রধানমন্ত্রীর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রামের কয়েকটি ভেন্যুতে সফর রয়েছে। সফর উপলক্ষে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভেন্যু ও সড়ককেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে আড়াই থেকে তিন হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।’




সাংসদ সরওয়ার আলমগীরের মা খাদিজা নূরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক

সাংসদ সরওয়ার আলমগীরের মা খাদিজা নূরের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীরের মা এবং মরহুম নূর আহমদ ইঞ্জিনিয়ারের সহধর্মিণী খাদিজা নূর (৮৫) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর তাঁর মায়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শনিবার রাত ৯টায় মরহুমার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। মায়ের রুহের মাগফিরাতের জন্য তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে খাদিজা নূর চার ছেলে, এক মেয়ে, নাতি-নাতনি, আত্মীয়স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

খাদিজা নূরের মৃত্যুতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, মেয়র, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।

এ ছাড়া ফটিকছড়ি উপজেলা জামায়াতে ইসলামী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দীন মুহুরী, ফটিকছড়ি উপজেলা প্রেসক্লাব, 'ফটিকছড়ি প্রতিদিন' পরিবারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সংগঠনের পক্ষ থেকেও গভীর শোক ও সমবেদনা জানানো হয়েছে।

শোকবার্তায় শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে মরহুমার রুহের মাগফিরাত ও জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করা হয়।




ফটিকছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে বেকারি পুড়ে ছাই

ফটিকছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে বেকারি পুড়ে ছাই
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার শান্তিরহাট বাজারে অগ্নিকাণ্ডে একটি বেকারির প্রায় ২৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাজারের বড়ইতলী সড়কে অবস্থিত শহীদ বেকারিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকাল থেকে টানা বৃষ্টির মধ্যেও আগুন দ্রুত পুরো বেকারিতে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বাজারজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে স্থানীয় দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালান।

পরে ফটিকছড়ি ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে বেকারির যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল ও তৈরি পণ্য পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন বেকারির মালিক।

বেকারির মালিক শহীদ বলেন, “দুপুরে কিছু সময়ের জন্য আমি কারখানার বাইরে ছিলাম। এ সময় এক কর্মচারী আগুন লাগার খবর দেন। এসে দেখি, পুরো কারখানা আগুনে জ্বলছে। রান্নার কাজে ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকেই এ আগুনের সূত্রপাত।”

তবে অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি করেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

অভিযোগ প্রসঙ্গে ফটিকছড়ি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ পংকজ কুমার বড়ুয়া বলেন, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হই। উপজেলা সদর থেকে দুর্ঘটনাস্থলের দূরত্ব বেশি হওয়ায় পৌঁছাতে কিছুটা সময় লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে, তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ জানা যাবে।”