পিএমখালীতে বলিখেলার নামে নগ্নতা ও বৈশাখী মেলা
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন

পিএমখালীতে বলিখেলার নামে নগ্নতা ও বৈশাখী মেলা

পিএমখালীতে বলিখেলার নামে নগ্নতা ও বৈশাখী মেলা
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজার সদরের পিএমখালীতে বলিখেলার নামে জমজমাট জুয়ার আসর বসানো হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, কয়েকজন বিএনপি নেতার ছত্রছায়ায় পুলিশকে টাকা দিয়ে জুয়ার আসর চালাচ্ছেন আয়োজকরা। জুয়া খেলা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তা সামাজিক অবক্ষয় ঘটাচ্ছে এবং যুবসমাজকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে। এতে ভাঙছে অনেকের গোছালো সংসার।

বলিখেলার নাম দিয়ে গত দুই সপ্তাহে সদর উপজেলার শুধুমাত্র পিএমখালীতেই অর্ধডজন জুয়ার আসর বসানো হয়েছে। জুয়া খেলায় সর্বস্বান্ত হয়ে অনেক পরিবারে চরম অশান্তি নেমে এসেছে। কয়েকটি জুয়া সিন্ডিকেট কৌশলে বলিখেলার নাম ব্যবহার করে জুয়ার আসরে মেতে উঠেছে। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বলিখেলার নামে জুয়ার অনুমতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কক্সবাজার মডেল থানার সদ্য বিদায়ী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শুধুমাত্র কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালীতে গত দুই সপ্তাহে ৯ দিন জুয়ার আসর বসেছে। বিএনপি নেতা নামধারী কতিপয় লোক পুলিশের সহযোগিতায় শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলে বলিখেলার নামে জুয়ার আসর বসাচ্ছে নিয়মিত। পুলিশে অভিযোগ দেওয়ার পর বলিখেলার স্থান পরিদর্শনে গিয়ে উল্টো টাকা নিয়ে ফেরত এসেছেন—এমন অভিযোগ রয়েছে মডেল থানার কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

গত দুই সপ্তাহে পুলিশের সহযোগিতায় পিএমখালীতে তিনটি বলিখেলার নামে জুয়ার আসর বসেছে। এর মধ্যে তোতাকখালী কমলাঘোনায় একজন ভিলেজারের নেতৃত্বে চার দিনব্যাপী বলিখেলার নামে জুয়ার আসর বসেছে। উক্ত বলিখেলার অনুমতি নিতে পুলিশকে মোটা অঙ্কের টাকা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

৮ ও ৯ মে পিএমখালীর পরানিয়া পাড়ায় ফরিত্তার দোকান নামক স্থানে শুরু হয়েছে বলিখেলার নামে জমজমাট জুয়ার আসর। এলাকাটি অপরাধপ্রবণ হিসেবে পরিচিত এবং কিছুদিন আগে মুবিন নামের এক যুবককে ওই এলাকায় হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের রেশ না কাটতেই এমন এলাকায় কীভাবে বলিখেলা চলে, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। পুলিশই বা কীভাবে অনুমতি প্রদান করেছে, এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা গুঞ্জন চলছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয় পরানিয়া পাড়ার রমজান আলী, খোরশেদ আলম, রানা, কলিম উল্লাহ, রেদোয়ান ও শাহজাহানসহ কয়েকজন কক্সবাজার মডেল থানায় ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে অনুমতি নিয়ে এই বলিখেলার নামে জুয়ার আসর চালিয়ে যাচ্ছেন। আয়োজক কমিটিকে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকার চুক্তির বিনিময়ে জুয়ার আসর বসানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে। জুয়া বোর্ডের মালিক কলাতলীর জয়নাল এবং খুরুশকুলের নবাব বলে জানা গেছে।

গ্রামপুলিশ জসিম উদ্দিন সাহেদ মডেল থানার এএসআই শাকিল আহমেদের মধ্যস্থতায় বলিখেলার অনুমতিপত্র পেয়েছেন বলে জানান। এদিকে বলিখেলার নামে জুয়ার আসর বসানোর বিষয়টি পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমানকে অবহিত করা হলে তিনি কক্সবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তা বন্ধের নির্দেশ দেন।

পুলিশ সুপারের নির্দেশ পেয়ে কক্সবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ৮ মে বিকেল পাঁচটায় পিএমখালীর পরানিয়া পাড়ার ফরিত্তার দোকান নামক স্থানে অভিযানিক দল পাঠালে, সেই দল উল্টো আয়োজক কমিটির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে বলিখেলা বন্ধ না করেই ফিরে আসে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ৮ মে বিকেল পাঁচটায় এএসআই মুজিবের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেলে লোকজন দৌড়াদৌড়ি শুরু করে। কিছুক্ষণ পর কমিটির কাছ থেকে ৬ হাজার টাকা নিয়ে চলে যায় পুলিশ। এরপর পুনরায় শুরু হয় বলিখেলা ও জুয়ার আসর।

এ বিষয়ে নবাগত ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, তিনি সবেমাত্র যোগদান করেছেন এবং বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। তবে তিনি খোঁজখবর নেবেন। পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান জানান, বলিখেলার নামে জুয়ার কোনো অনুমতি পুলিশ দেয়নি। জুয়ার আসর বসালে তা বন্ধে পুলিশ বদ্ধপরিকর। সঠিক অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে বৈশাখ মাসে রামু, কক্সবাজার সদর, উখিয়া ও টেকনাফে আশঙ্কাজনক হারে বলিখেলার নামে জুয়ার আসর বসছে। এতে সামাজিক অবক্ষয়, পারিবারিক বিরোধ ও অপরাধ বাড়ছে। জুয়া খেলা বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছে সচেতন মহল।




১৩ কোটি টাকায় নির্মিত গজালিয়া ব্রিজ আদৌ চলাচলের উপযোগী হবে কি?

১৩ কোটি টাকায় নির্মিত গজালিয়া ব্রিজ আদৌ চলাচলের উপযোগী হবে কি?
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার গজালিয়া এলাকায় ঈদগাঁও খালের ওপর প্রায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু পাঁচ বছর ধরে সংযোগ সড়কের অভাবে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। কোটি টাকার এই উন্নয়ন প্রকল্প জনসাধারণের কোনো কাজে না এসে এখন উল্টো জনদুর্ভোগের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। বাধ্য হয়ে এলাকাবাসী নিজেরাই মই তৈরি করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেতু পারাপার করছেন। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, নারী, বৃদ্ধ ও সাধারণ মানুষ এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করছেন।

১৭ জুলাই এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে সেতুতে ওঠানামার জন্য বড় একটি মই স্থাপন করেন। মুহূর্তেই সেখানে শত শত মানুষের ভিড় জমে যায়।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) প্রায় পাঁচ বছর আগে ঈদগাঁও খালের ওপর ৯০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৭ দশমিক ৩ মিটার প্রস্থের সেতুটি নির্মাণ সম্পন্ন করে। কিন্তু উভয় পাশের সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় সেতুটি আজও যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়নি।

এলাকাবাসী জানান, সেতুটি চালু হলে ঈদগাঁও উপজেলার সঙ্গে পাহাড়ি জনপদ ঈদগড়, বাইশারী ও গর্জনিয়ার যোগাযোগব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, তখন আর যাত্রীদের ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের ডাকাতি ও অপহরণের জন্য কুখ্যাত হটস্পট—হিমছড়ি, খেত ও সাঁততরা ডালা অতিক্রম করতে হবে না। দীর্ঘদিন ধরে এসব এলাকায় ডাকাতি, অপহরণ ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কে যাতায়াত করেন। বিকল্প এই সেতু চালু হলে লাখো মানুষ নিরাপদ পথে চলাচলের সুযোগ পাবেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিকল্পনার দুর্বলতা, জমি অধিগ্রহণ জটিলতা, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অবহেলা এবং ঠিকাদারের দায়িত্বহীনতার কারণেই পাঁচ বছর ধরে কোটি টাকার সেতুটি জনগণের কোনো কাজে আসছে না।

ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বলেন, এই সেতু চালু করা এখন জনগণের প্রাণের দাবি। দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া প্রয়োজন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জুবায়েদ উল্লাহ জুয়েল জানান, পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়কের কিছু অংশ ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে হওয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ঠিকাদার কাজ ফেলে চলে যাওয়ায় প্রকল্পটি আরও অনিশ্চয়তায় পড়ে।

এ বিষয়ে ঈদগাঁও উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আল মুইন শাহরিয়ার বলেন, সংযোগ সড়কের কাজ নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন না হওয়ায় আগের টেন্ডার বাতিল করা হয়েছে। অবশিষ্ট কাজের জন্য নতুন টেন্ডার আহ্বانের প্রক্রিয়া চলছে। প্রক্রিয়া শেষ হলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।

এদিকে সেতুতে সংযোগ সড়ক না থাকলেও মানুষের চলাচলের প্রয়োজন থেমে নেই। তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়েই অস্থায়ী মই বেয়ে প্রতিদিন পারাপার করছেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসীর প্রশ্ন—কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতুর ব্যবহার নিশ্চিত করতে আর কত বছর অপেক্ষা করতে হবে? কোনো প্রাণহানির পর কি সংশ্লিষ্টদের টনক নড়বে?

এলাকাবাসীর একটাই দাবি—দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ সম্পন্ন করে সেতুটি চালু করা হোক। এতে শুধু পাঁচ বছরের দুর্ভোগের অবসানই হবে না, বরং ডাকাতি-অপহরণের ঝুঁকিপূর্ণ পথ এড়িয়ে ঈদগাঁও-ঈদগড়সহ পাহাড়ি জনপদের লাখো মানুষের নিরাপদ ও সহজ যাতায়াত নিশ্চিত হবে।




কক্সবাজারের প্রবীণ সাংবাদিক আতাহার ইকবালের ইন্তেকাল

কক্সবাজারের প্রবীণ সাংবাদিক আতাহার ইকবালের ইন্তেকাল
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, সাবেক সভাপতি ও বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আতাহার ইকবাল (৭৪) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। 

২১ জুলাই মধ্যরাত ১টার দিকে কক্সবাজার শহরের নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্ট্রোক জনিত কারণে অসুস্থ ছিলেন। মৃত্যুকালে স্ত্রী ও একজন মাত্র ছেলে সন্তান রয়েছে। 
বুধবার বিকেল পাঁচটায় কক্সবাজার শহরের বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় কক্সবাজারের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অংশ নেন। 

আতাহার ইকবাল একাধারে সাংবাদিক, সংগীত শিল্পী, বেতার উপস্থাপক সর্বোপরি বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবেও তাঁর যথেষ্ট খ্যাতি রয়েছে। ১৯৭২ সালে দৈনিক গণকন্ঠের প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকতা জীবন শুরু। 
দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে আতাহার ইকবাল কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক তরংগ, সাগর বানী দৈনিক বাকখালীর প্রকাশক ও সম্পাদক ছিলেন। চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক পুর্বকোন দৈনিক নয়াবাংলা ঢাকার দৈনিক জনকণ্ঠ দৈনিক মানবজমিন দৈনিক মাতৃভূমি পত্রিকার কক্সবাজার প্রতিনিধি ও স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। ১৯৭৫ সালে কক্সবাজার প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাকালে তিনি ছিলেন অগ্রণী ভুমিকায়। 

সাংবাদিকতার পাশাপাশি দীর্ঘকাল তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। শুরুতে জড়িত ছিলেন জাসদ ছাত্রলীগের সাথে। তিনি ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তে যোগদান করেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে তিনি কক্সবাজার মহকুমা যুবদলের সেক্রেটারি এবং যুব সংস্থার চেয়ারম্যান। নব্বই দশকের শেষের দিকে তিনি জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা জাসাস এর দীর্ঘদিনের সভাপতি। 

শোক প্রকাশ:
সাংবাদিক আতাহার ইকবালের মৃত্যুতে কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী এবং সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাফর গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। 
শোক বার্তায় প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ তাঁর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং তাঁর মাগফিরাত কামনা করেন।

নেতৃবৃন্দ জানান, কক্সবাজারে সাংবাদিকতা পেশায় তাঁর দীর্ঘদিনের নিষ্ঠা, সততা ও অবদান কক্সবাজারের গণমাধ্যম অঙ্গনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর মৃত্যুতে কক্সবাজারবাসী একজন অভিজ্ঞ সাংবাদিক, অভিভাবকসুলভ ব্যক্তিত্ব এবং গণমাধ্যমের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হারালো।
মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহমর্মিতা জানান নেতৃবৃন্দ। 

মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে দোয়ার আর্জি, তিনি যেন মরহুমের সকল গুনাহ ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেন এবং শোকাহত পরিবারকে এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করেন। আমীন।




টানা ৭ দিন ধরে চকরিয়া পৌর শহরের মহাসড়কের পাশে হাঁটু পানি, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

টানা ৭ দিন ধরে চকরিয়া পৌর শহরের মহাসড়কের পাশে হাঁটু পানি, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর শহরের থানা রাস্তার মাথা থেকে ব্র্যাক ব্যাংক পর্যন্ত মহাসড়কের পাশে টানা সাত দিন ধরে হাঁটুসমান পানি জমে রয়েছে। দীর্ঘদিনের এ জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী, যানবাহন চালক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, পানি চলাচলের পথ বন্ধ করে রাখার কারণে এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ তাদের।

বুধবার (২২ জুলাই) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের একাংশে হাঁটুসমান পানি জমে থাকায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। জলাবদ্ধতার কারণে ওই এলাকায় অবস্থিত দুটি সরকারি ব্যাংক ও একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা, গ্রাহক এবং আশপাশের ব্যবসায়ীরাও ভোগান্তিতে পড়েছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী আলী আকবার সওদাগর ও জসিম উদ্দিন সওদাগর বলেন, টানা সাত দিন ধরে পানি জমে থাকায় আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য প্রায় স্থবির হয়ে গেছে। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আব্দুল আলিম, কাশেম ও তৌহিদের নেতৃত্বে পানি চলাচলের পথ বন্ধ করে দেয়ায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।