নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে নিহত তিন পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান

গত (২৪ মে) সকাল ১১টা ৩০ মিনিটের সময় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভালুকিয়া পাড়ার তিন উপজাতি নাইক্ষ্যংছড়ি-মিয়ানমার সীমান্ত পিলার ৪১/৪২ এর মধ্যবর্তী জায়গায় মাইন বিস্ফোরণে নিহত হন। উক্ত ৩ পরিবারের সদস্যদের মাঝে আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাধবী মার্মা। তিনি নিহত প্রত্যেকের পরিবারের হাতে নগদ ১৫ হাজার টাকা এবং ৩০ কেজি করে চাল তুলে দেন। এ সময় তিনি অসহায় পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং ভবিষ্যতে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবু তালেব এবং বান্দরবান প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চুসহ প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, গত ২৪ মে দুপুরে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় একটি বাগানে কাজ করার সময় মাইন বিস্ফোরণে ৩ বাংলাদেশি নিহত হন। নিহতরা হলেন—লেয়ারা চাকমা, অংকে মং চাকমা ও লিও মং চাকমা। সেই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে জরুরি সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে উক্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়।









