নাইক্ষ্যংছড়িতে পাহাড়ধস ও সেতু ধস্ত, বরাদ্দ ১০ টন খাদ্যশস্য

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পাহাড়ধসে গুড়িয়ে গেছে বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি এবং ঢলের স্রোতে ভেঙে পড়েছে বাইশারী ইউনিয়নের একটি সেতু, যাতে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।
বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) ভোররাতে উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের থুইলা অং পাড়ায় প্রবল পানির স্রোতে গর্জন খালের ওপর নির্মিত একমাত্র সেতুটি ভেঙে পড়ে। স্থানীয় স্কুলশিক্ষক মংচাচিং মার্মা বলেন, “ভোররাত ৪টার দিকে বিকট শব্দে আমাদের ঘুম ভাঙে। বাইরে এসে দেখি সেতুটি ভেঙে খালের মধ্যে পড়ে আছে। এখন পাড়ার মানুষের যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ।” এছাড়া নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে পাহাড়ধসে রহমত উল্লাহ, শফি উল্লাহ, মোহাম্মদ ইসমাইলসহ বেশ কয়েকজন বাসিন্দার কাঁচা ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে।

উপজেলার সোনাইছড়ি, দৌছড়ি ও ঘুমধুম ইউনিয়নের নিচু এলাকা থেকে পানি নামতে শুরু করলেও নতুন করে প্লাবনের শঙ্কায় দিন কাটছে পানিবন্দী মানুষের। এই দুর্যোগে চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন উপজেলার প্রান্তিক কৃষকেরা।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং দুর্গতদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তিনি বলেন, “বাইশারীতে একটি সেতু ভেঙে যাওয়ার খবর পেয়েছি। ইতিমধ্যে ঘুমধুম, বাইশারী ও সদর ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। জরুরি সহায়তার জন্য ১০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ পাওয়া গেছে।”









