নাইক্ষ্যংছড়িতে কোটি টাকার ব্রিজ নির্মান কাজে ওয়ার্ক এসিস্ট্যান্ট থাকে না সিমেন্ট,বালু,কংক্রিট ব্যবহারে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ঢাকঢালা সড়কের সড়ক মেরাচং পাড়া ব্রীজ নির্মানকাজে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জনপদ বিভাগের আওতায় ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের প্রায় ৪ কোটি টাকা এ ব্রীজে ঠিকাদার ইউনুসের অনুপস্থিতে এ অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমান মেলে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলের পর সরেজমিন গেলে এ দৃশ্য চোখে পড়ে এ প্রতিবেদকের । ব্রীজে মাটি টেনে নিয়ে কংক্রিটে মিশিয়ে ঢালা হচ্ছে ঢালাই মেশিনে। সিমেন্টে ব্যবহার হচ্ছে যথেচ্ছা। কাজে দেখবালের সরকারী কোন প্রতিনিধি নেই। শ্রমিক দিয়ে ঠিকাদার মনগড়া সব করে যাচ্ছে। এটি কী দুর্নীতির আওতায় পড়ে না? প্রশ্ন স্থানীয়দের। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা -ঢাকঢালা সড়কের প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মানাধিন মেরাচং চাক পাড়া সংলগ্ন নাইক্ষ্যংছড়ি খালের এই ব্রীজটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা ।
সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে অভিভাবক বিহীন এ কাজের শ্রমিকরা সাংবাদিকের উপস্থিতি দেখে কাজের ছন্দ হারায়।
সাংবাদিকদের প্রম্নের জবাবে শ্রমিকরা তারা বলেন , এটি বান্দরবানের ঠিকাদার মোহাম্মদ ইউনুসের কাজ। সড়ক ও জনপদ বিভাগের আওতায় এ কাজ এভাবে চলছে শুরু থেকে। সরকারী কার্য সহকারীর কথা জানতে চাইলে তারা কোন সদুত্তর দিতে পারে নি।
এ এলাকার বাসিন্দা বৃদ্ধা আবুল কাশেম ও মুহাম্মদ ওলামিয়া এই প্রতিবেদককে বলেন,সড়কের ব্রীজের ঢালাই কাজে বালির পরিবর্তে সরাসরি পাহাড়ি মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে। সিডিউল অনুযায়ী কাজ না করে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে ব্রিজটির স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এতে সরকারের বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও টেকসই ব্রীজ নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়রা আরও বলেন,সে যেই হোক সরকারের টাকার একাজ সঠিকভাবে করতেই হবে। নচেৎ ছাড় দেয়ার সুযোগ নেই।
এলাকাবাসী আরও জানান, কাজের তদারকির অভাব এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অনিয়মের সুযোগ নিচ্ছে। তারা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বান্দরবান সড়ক ও জনপদ(সওজ)বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন,ব্রিজের কাজে কোন অনিয়মের সুযোগ নেই। তবে ঠিকাদার যদি এমন ভুল করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করব। ছাড় দেয়া হবে না।









