নাইক্ষ্যংছড়ি বিজিবির অভিযান: কচ্ছপিয়া থেকে দুই রঙের বিপুল ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়ি বিজিবির মাদকবিরোধী অভিযানে বড় সাফল্য পেয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) এর সদস্যরা বিশেষ অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় প্রায় ৪০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য এক কোটি ১৯ লাখ ৭০ হাজার ৬০০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ১০টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা রামু উপজেলার গর্জনিয়া গরুর হাটসংলগ্ন চাকমারকাটা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির একটি টহল দল মাদক চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালায়।
বিজিবি সূত্র জানায়, অভিযানের একপর্যায়ে চাকমারকাটা এলাকার একটি পাটখেতের মধ্যে সন্দেহজনকভাবে ফেলে রাখা একটি বস্তা দেখতে পায় টহল দল। পরে সেখানে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় খয়েরি রঙের ৩৯ হাজার ৫০২ পিস এবং সবুজ রঙের ৪০০ পিসসহ মোট ৩৯ puzzle ৯০২ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় ইয়াবার মালিক বা চোরাকারবারিদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার রোধে বিজিবি নিয়মিতভাবে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করে আসছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন পয়েন্ট ব্যবহার করে মাদক চোরাকারবারিরা ইয়াবা পাচারের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এসব চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় বিজিবির এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
তিনি আরও জানান, উদ্ধার করা ইয়াবা ট্যাবলেটের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনস্থ ১১ বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত সুরক্ষা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ এবং চোরাচালান প্রতিরোধে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে আসছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব অভিযানের কারণে সীমান্ত এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থা তৈরি হয়েছে।









