দিল্লিতে হাসিনার গণমাধ্যমে বক্তব্য নিয়ে যা বলল ভারত
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন

দিল্লিতে হাসিনার গণমাধ্যমে বক্তব্য নিয়ে যা বলল ভারত

দিল্লিতে হাসিনার গণমাধ্যমে বক্তব্য নিয়ে যা বলল ভারত
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গণমাধ্যমের ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি। মঙ্গলবার দিল্লিতে নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই তথ্য জানান।

ব্রিফিংয়ে রণধীর জয়সওয়াল জোর দিয়ে বলেন, এটি একটি ‘বেসরকারি গণমাধ্যম সংস্থার’ আয়োজিত অনুষ্ঠান এবং সেখানে কোনো ধরনের মতামত ব্যক্ত করা হলে তার দায় ভারতের নয় কিংবা ভারত তা সমর্থনও করে না।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র জানান, নয়াদিল্লিতে দক্ষিণ এশিয়ার সাংবাদিকদের সংগঠন ফরেইন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব (এফসিসি) অব সাউথ এশিয়ার আয়োজিত অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশের যে উদ্বেগ রয়েছে, সেই অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো ভূমিকা নেই।

এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘‘আপনি যে মতবিনিময় সভার বিষয়টি উল্লেখ করছেন, সেটি একটি বেসরকারি গণমাধ্যম সংস্থা আয়োজন করছে। এতে সরকারের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। এমনকি এই ফোরামে যে মতামতই ব্যক্ত করা হোক না কেন, ভারত সরকার তার কোনোটিই সমর্থন করে না।’’

গত বছর ঢাকা ছাড়ার পর থেকে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা সেখানে একটি ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেবেন—এমন খবর প্রকাশের পর ভারতের কাছে নিজেদের গভীর উদ্বেগের কথা জানায় বাংলাদেশ। ঢাকা জানায়, এ ধরনের আয়োজন দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক ইতিবাচক গতিধারায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সোমবার ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল জানান, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতে দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘‘পরবর্তী ব্রিকস (BRICS) শীর্ষ সম্মেলনের বিষয়ে বলতে গেলে, বিমসটেকের বর্তমান সভাপতি হিসেবে পৃথকভাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।’’

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ব্রিকসের আউটরিচ সেশনে অতিথি আমন্ত্রণের যে প্রচলিত নিয়ম রয়েছে, সেই অনুযায়ী এই চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য আঞ্চলিক জোটের প্রধানদেরও একইভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণপত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্রহণ করেছেন এবং এটি বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে বলেন, ‘‘আমরা আমন্ত্রণপত্রটি পেয়েছি এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য তা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীই সিদ্ধান্ত দেবেন।’’

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, বিমসটেকের বর্তমান সভাপতি হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যা অত্যন্ত সময়োপযোগী। কারণ ২০২৭ সালে বিমসটেক তার প্রতিষ্ঠার ৩০ বছর পূরণ করবে এবং সে বছর ঢাকায় বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের কথা রয়েছে।

আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সূত্র: এএনআই




হাসিনার বক্তব্যকে আমরা সমর্থন করি না : ভারত

হাসিনার বক্তব্যকে আমরা সমর্থন করি না : ভারত
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশের আপত্তি সত্ত্বেও গত ৫ আগস্ট মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত শেখ হাসিনাকে একটি প্রেস ব্রিফিংয়ে কথা বলতে দেয় ভারত সরকার। এ নিয়ে ঢাকা ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া জানায়।

হাসিনার প্রেস ব্রিফিংয়ের দুইদিন পর বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে ভারত। আজ শুক্রবার (৮ আগস্ট) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে এ নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন এ সাংবাদিক। জবাবে তিনি প্রথমে দাবি করেন, হাসিনাকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারত সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। আর হাসিনা ওইদিন বাংলাদেশ সরকারকে নিয়ে যা যা বলেছেন সেটিতেও নয়াদিল্লির সমর্থন নেই।

রণধীর বলেন, “একটি বেসরকারি মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের আয়োজিত ওই প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারত সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এতে সরকারের কোনো অবদান নেই। আমি বিষয়টি আবারও পুনর্ব্যক্ত করছি।”

প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখা হাসিনা ও অন্যান্যদের কথার প্রতি ভারতের কোনো সমর্থন নেই উল্লেখ করে এ কূটনীতিক বলেছেন, “ওই প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা কোনো কথাকেই (ভারত) সরকার সমর্থন করে না, বিশেষ করে বাংলাদেশের বৈধভাবে গঠিত সরকারের ব্যাপারে দেওয়া কোনো মন্তব্য তো নয়ই।”

হাসিনাপুত্র সজিব ওয়াজেদ ওইদিন মন্তব্য করেন ভারতের পূর্ব দিকের অঞ্চল (বাংলাদেশ) এখন  পাকিস্তানে পরিণত হচ্ছে এবং বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদ বিস্তার লাভ করছে। এ ব্যাপারে রণধীরকে অপর এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন। তিনি জিজ্ঞেস করেন জয় যে কথা বলেছে সেটিকে ভারত সমর্থন করে কি না, এ ব্যাপারে তারা কোনো কিছু করছেন কি না।

জবাবে রণধীর বলেন, “আমরা আমাদের একদম পাশের প্রতিবেশীর ওপর গভীর নজর রাখি, বিশেষ করে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেগুলো সেগুলোর ওপর। আর এ ক্ষেত্রে যেসব পদক্ষেপ নিতে হয় আমরা সেগুলো নেই।”




থাইল্যান্ডে স্কুলে শিক্ষার্থীর বন্দুক হামলা, শিক্ষকসহ নিহত ৭

থাইল্যান্ডে স্কুলে শিক্ষার্থীর বন্দুক হামলা, শিক্ষকসহ নিহত ৭
ছবি সংগৃহীত।

থাইল্যান্ডে একটি স্কুলে এক শিক্ষার্থীর বন্দুক হামলায় ৭ জন নিহত এবং ১৫ জন আহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ওই স্কুলের এক শিক্ষক এবং হামলাকারী নিজেও আছে।

আজ শুক্রবার সকালে থাইল্যান্ডের মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশ ননথাবুরির বাং কুরাই জেলার একটি সুপরিচিত স্কুলে এই ঘটনা। হামলার সময় স্কুলটির দৈনন্দিন কার্যক্রম চলছিল।

ননথাবুরি প্রাদেশিক পুলিশের শীর্ষ নির্বাহী দেচরাপি কংদি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী কমপক্ষে ১৫ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক আহত হয়েছেন। হামলাকারী ওই শিক্ষার্থীর নাম প্রকাশ করেননি তিনি, তবে বলেছেন যে নবম গ্রেডে পড়ত ওই শিক্ষার্থী এবং তার বয়স আনুমানিক ১৪ বছর।

দেচরাপি কংদি আরও জানান, স্কুলভবনের তৃতীয় তলার একটি ফাঁকা কক্ষ থেকে গুলি ছুড়েছিল ওই শিক্ষার্থী। বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ার পর সে নিজে আত্মঘাতী হয়।

গুলি শুরু হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা স্কুল থেকে সরে পড়েছিলেন।

পাসাকর্ন চাইতাউইয়ং নামের আরেক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর। কী কারণে ওই শিক্ষার্থী এমন হামলা করল, তা এখনও জানা যায়নি। তবে প্রাদেশিক পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

উল্লেখ্য, দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে থাইল্যান্ডে আগ্নেয়য়াস্ত্রের মালিকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, থাইল্যান্ডে বর্তমানে সাধারণ নাগরিক পর্যায়ে ১ কোটি আগ্নেয়াস্ত্র আছে এবং দেশটিতে বসবাসকারী প্রতি ৭ জনের মধ্যে একজন আগ্নেয়াস্ত্রের মালিক।

সূত্র : এএফপি




নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, এবার উত্তাল ভারতের ঝাড়খণ্ড

নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, এবার উত্তাল ভারতের ঝাড়খণ্ড
ছবি সংগৃহীত।

ভারতের ঝাড়খণ্ডে এবার নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় টানা ১২ দিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন শিক্ষার্থীরা। এতে সমর্থন জানিয়েছে ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্ম ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্দোলনটি ইতোমধ্যে ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। রাজধানী রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে শত শত মানুষ অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন।

গত ৫ জুলাই ১৪তম ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (জেপিএসসি) প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পর এ প্রতিবাদ শুরু হয়। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া চাকরিপ্রার্থীরা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। এরপর থেকে শিক্ষার্থীরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির দাবিতে দিনরাত প্রতিবাদ এবং অনির্দিষ্টকালের অবস্থান ধর্মঘট করে আসছেন।
ক্রমবর্ধমান এ আন্দোলন শেষ পর্যন্ত রাজ্য সরকারকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে বাধ্য করেছে।

বুধবার রাঁচির মহকুমা কর্মকর্তা (এসডিও) কুমার রজত বিক্ষোভস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে সরকারের আগ্রহের কথা জানান। এ জন্য পাঁচ থেকে সাতজনের একটি প্রতিনিধি দল গঠন করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হেমন্ত সোরেন সরকার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করেছে। রজত জানিয়েছেন, নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মসংক্রান্ত অভিযোগগুলো ইতোমধ্যে তদন্তাধীন রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।

এদিকে শিক্ষার্থীরা রুদ্ধদ্বার বৈঠকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছভাবে ও প্রকাশ্যে পরিচালিত হলেই তারা আলোচনায় রাজি হবেন। সরকারের সঙ্গে যেকোনো আলোচনা গণমাধ্যম ও ক্যামেরার উপস্থিতিতে হওয়া উচিত।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা অনিয়মের বিষয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে রাজ্য সরকার জানিয়েছে, সিআইডি ইতোমধ্যে তদন্ত করছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

বুধবার রাজ্য পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থা টিডিপিএলের হিসাবরক্ষক রক্ষক সিংকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। তিনি পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থার সদস্য ছিলেন। সিআইডি তাকে লখনউ থেকে গ্রেপ্তার করে রাঁচিতে নিয়ে এসেছে।

মামলায় সিআইডি আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। সব মিলিয়ে এ ঘটনায় অন্তত ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, নিয়োগসংক্রান্ত অনিয়মের পূর্ণাঙ্গ উদ্ঘাটনে বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) দায়িত্ব পালন করছে। কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে ডিজিটাল রেকর্ড, আবেদনপত্রের তালিকা এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পরীক্ষা করেছে।

আন্দোলনে সিজেপির সমর্থন
ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বুধবার ঝাড়খণ্ডের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি নিশ্চিত করতে আন্দোলন একটি ‘চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী’ হিসেবে কাজ করবে।

মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে নিজ শহরে সিজেপির কোর টিমের বৈঠকের আগে দীপকে বলেন, সিজেপির সদস্যরা চাকরিপ্রার্থীদের সমর্থন জানাতে ঝাড়খণ্ডে যাবেন।

তিনি বলেন, মানুষ বিচার বিভাগ, রাজনীতি, গণমাধ্যম এবং নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা হারিয়েছে। আমাদের আন্দোলন দেশব্যাপী সমর্থন পেয়েছে। আন্দোলন যত বেড়েছে, সমর্থন কেবল শিক্ষা-সংক্রান্ত বিষয়েই সীমাবদ্ধ থাকেনি; এসব প্রতিষ্ঠানকে ঘিরেও সমর্থন বেড়েছে। তাই, এসব প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে একটি চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর প্রয়োজন রয়েছে।

সূত্র : এনডিটিভি