টেকনাফে কলেজ শিক্ষার্থী শফি উল্লাহ হত্যার পরই উন্মুক্ত হল ঘরের রাস্তা
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৮ অপরাহ্ন

টেকনাফে কলেজ শিক্ষার্থী শফি উল্লাহ হত্যার পরই উন্মুক্ত হল ঘরের রাস্তা

টেকনাফে কলেজ শিক্ষার্থী শফি উল্লাহ হত্যার পরই উন্মুক্ত হল ঘরের রাস্তা
ছবি সংগৃহীত।

টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের পুরাতন পাড়ার বাসিন্দা মুক্তার আহমদের ছেলে হ্নীলার মঈন উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী শফি উল্লাহ শফি। যিনি গত ৪ জুলাই বিকালে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হন। শুধুমাত্র বসত ঘরের চলাচলের রাস্তাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধে প্রাণ দিয়ে হয়েছে এই কলেজ শিক্ষার্থীকে। দীর্ঘদিন ধরে সৃষ্ট বিরোধ, আদালতে মামলা, একাধিক বার থানায় সাধারণ ডায়েরি ও অভিযোগ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেও প্রভাবশালী চক্রের হাতে বন্ধ ছিল রাস্তাটি। অথচ শফি উল্লাহ হত্যার পর সেই রাস্তাটি উন্মুক্ত করে দিয়েছে প্রভাবশালীরা।
আর এর মধ্যে প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিচয়ে থাকা মামলার এজাহারভূক্ত আসামিদের অব্যাহত হুমকির কারণে টেকনাফ ছেড়ে ঢাকায় পালিয়ে আত্মগোপনে রয়েছে মামলার বাদি এবং নিহতের ভাই বিদেশ ফেরত ছিদ্দিক আহমদ।
তিনি প্রতিবেদকে ঢাকায় অবস্থান করার কথা স্বীকার করেছেন। তার অভিযোগ, মামলার এজাহারভূক্ত প্রধান আসামি জামায়াতের সহযোগী সংগঠন শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সাবরাং ইউনিয়ন সভাপতি ইসমাইল, ৫ নম্বর অভিযুক্ত ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামাল উদ্দিন। মামলাটির এজাহারভূক্ত মোট ১০ জন আসামি রয়েছে। অপর ৮ জনই এই দুইটি পরিবারের সদস্য। যে মামলায় ৭ নম্বর আসামি ইলিয়াসকে পুলিশ গ্রেফতার করলেও অপর ৯ আসামি এখন দলীয় পরিচয়ে প্রকাশ্যে ঘুরছেন। বিশেষ করে  শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সাবরাং ইউনিয়ন সভাপতি ইসমাইল ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামাল উদ্দিন প্রকাশ্যে ঘুরে বাদিকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন।
ছিদ্দিক আহমদ জানান, দীর্ঘ ৮ বছর ধরে বাড়ির চলাচলের রাস্তাটি দখলের চেষ্টা করে আসছিল স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি কামাল আহমদ ও সাবরাং ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি ইসমাইল। সর্বশেষ গত এপ্রিল মাসে রাস্তাটি দখল করে ব্ন্ধ করে দেয়া হয়। এ বিষয়টি স্থানীয়ভাবে বেশ কয়েকবার মিমাংসার চেষ্টাও করা হয়। এব্যাপারে আদালতে একটি মামলা করা হলে সেই মামলার তদন্তে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই ৪ জুলাই শফি উল্লাহ শফিসহ তার পরিবারের সদস্যের ওপর জামায়াত নেতা ইসমাইল ও বিএনপি নেতা কামালের নেতৃত্বে হামলা চালায়। সেই হামলায় শফি উল্লাহ শফি গুরুতর আহত হলে হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। ভাইয়ের মৃত্যুর ওই চলাচলের রাস্তাটি এখন উন্মুক্ত করে দিয়েছে প্রভাবশালীরা।
অথচ এই চলাচলের রাস্তাটি নিয়ে একাধিক অভিযোগের নথিপত্র প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। যেখানে দেখা গেছে, গত ১৬ জুন ছিদ্দিক আহমদের স্ত্রী সেলিনা আক্তার সেলি বাদি হয়েছে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি সিআর মামলা দায়ের করেন। যেখানে একই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে   চাঁদা দাবিতে ঘরের চলাচলের রাস্তা দখল করে বন্ধ করার অভিযোগ আনা হয়। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য টেকনাফ থানাকে নিদের্শ দেন। এর পর থেকে শুরু হয় অভিযুক্তদের ধারাবাহিক হুমকি। যার জের ধরে ২১ জুন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে সেলিনা আক্তার সেলি লিখিত আবেদন করেন। ওই আবেদনটিতেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিদেশ থেকে আসা প্রবাসি স্বামী সহ পরিবারের স্বজনদের হুমকি অভিযোগ আনা হয়। এরপর ৩০ জুন ছিদ্দিক আহমদ বাদি হয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন টেকনাফ থানায়। যেখানে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ আনা হয়।
সেলিনা আক্তার সেলি জানান, আদালতে দায়ের করা মামলাটির তদন্ত করতে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার সময় ছিল ৪ জুলাই বিকালে। এর জন্য সকলের ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে অভিযুক্তরা হামলা চালায়। এতে মারা যান শফি উল্লাহ। তার মৃত্যুর পর রাস্তাটি নিজেরা ছেড়ে দিয়েছেন।
মামলার বাদি নিহতের ভাই বিদেশ ফেরত ছিদ্দিক আহমেদ বলেন, আমার কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। আমার পরিচয় আমি একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা। রেমিট্যান্স দিয়ে দেশের রাজস্বে ভূমিকা রাখি। কিন্তু, দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আমাকে অসহায় করেছে। ভাইকে হত্যার পর তারা আমাদের চলাচলের রাস্তা উন্মুক্ত করে দেয় রাতের আঁধারে। আমার ভাইকে একটা রাস্তার জন্য, অধিকারের জন্য জীবন দিতে হলো। এটা কেমন সমাজ, কতটা নিকৃষ্ট মানুষ হলে তারা এসব করতে পারে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের প্রতি আমার পরিবারের আস্থা আছে। তাই মামলা দায়ের করেছি। কিন্তু এই মামলা থেকে কামাল ও ইসমাইলকে বাদ দেওয়ার জন্য এবং আমি ও আমার পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করতে নতুন করে আবারও হত্যার পরিকল্পনা করছে তারা। ফলে আমাকে দীর্ঘদিন পর দেশে এসেও পালিয়ে থাকতে হচ্ছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি সরকারের কাছে আমার পরিবারের সকল সদস্যদের নিরাপত্তা চাই।
তিনি বলেন, সরকার দলীয় পরিচয়ের বাইরে প্রকৃত খুনের সাথে জড়িত জামায়াত নেতা ইসমাইল ও বিএনপি নেতা কামাল গং এর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিবেন।
এদিকে কামাল উদ্দিনকে হত্যা মামলা থেকে বাদ দিতে টাকার মিশন নিয়ে নেমেছে একটি পক্ষ এমন অভিযোগও করেন বাদি।
এ ব্যাপারে টেকনাফ থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনার পরপরই ৭ নম্বর আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এব্যাপারে তিনি বাদির সহযোগিতা চেয়েছেন।




চকরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নারীদের নামাজের স্থান বন্ধ, ধর্মপ্রাণ নারীদের ক্ষোভ

চকরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নারীদের নামাজের স্থান বন্ধ, ধর্মপ্রাণ নারীদের ক্ষোভ
ছবি সংগৃহীত।

এবার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে নারীদের নামাজের স্থানটি। কিছুদিন আগেও হাসপাতালের নির্ধারিত এই নামাজের স্থানে ময়লা-পানি ও বিভিন্ন জিনিসপত্র রেখে নামাজ আদায়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছিল।

বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর এবার আরও একধাপ এগিয়ে নামাজের স্থানটি থেকে পর্দা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেয়ালে থাকা ‘নারীদের নামাজের স্থান’ লেখা সাইনবোর্ডটিও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ফলে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা শত শত নারী রোগী ও তাঁদের স্বজনদের জন্য নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) সরেজমিনে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা নারী রোগী ও তাঁদের স্বজনদের ধর্মীয় ইবাদতের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত নামাজের স্থানটি পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এখন প্রশ্ন উঠেছে, হাসপাতালের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবাপ্রতিষ্ঠানে নারী রোগী ও স্বজনদের নামাজ আদায়ের ন্যূনতম সুযোগটুকুও কি থাকবে না?

তবে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. জয়নুল আবেদীন বলেন, “নামাজের স্থানটি সংস্কারের জন্য জিনিসপত্রগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। নামাজের আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র ক্রয় করে আবার নামাজের ব্যবস্থা করা হবে।”

নামাজের ব্যবস্থা বন্ধ হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হাসপাতালে আসা অনেক রোগীর স্বজন।




স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশ্ন: ‘কিসের হাসিনা, তার চেহারা কী দেখা গেছে?

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশ্ন: ‘কিসের হাসিনা, তার চেহারা কী দেখা গেছে?
ছবি সংগৃহীত।

বাংলাদেশের মানুষ কখনোই আওয়ামী লীগের রাজনীতি গ্রহণ করবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘কিসের হাসিনা, তার চেহারা কী দেখা গেছে? মাঝেমধ্যে শুধু আওয়াজ-টাওয়াজ শোনা যায়। তারা চেষ্টা করছে, বাংলাদেশে কোনো অস্থিরতা সৃষ্টি করা যায় কি না। বাংলাদেশের মানুষ কখনোই তাদের এসব রাজনীতি গ্রহণ করবে না।’

শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে ৫০০ শয্যার কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) আবাসিক ফ্ল্যাট উন্নয়ন প্রকল্প-১-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রসম্পদ ও সমুদ্রবন্দরকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশ বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করতে সক্ষম হবে। নীল অর্থনীতির (ব্লু ইকোনমি) সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। কক্সবাজারের অপরিসীম পর্যটন সম্ভাবনাকে পূর্ণাঙ্গভাবে কাজে লাগানোর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের অবদান রাখা সম্ভব বলেও জানান তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ইতিপূর্বে ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে ইচ্ছেমতো বিভিন্ন এলাকাকে ইসিএ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। জরিপকার্য পরিচালনার মাধ্যমে পর্যটনের বিকাশের জন্য এসব এলাকা পুনর্বিবেচনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রকৃতিকে সংরক্ষণ করে পর্যটনের উন্নয়নে সব ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। শুধু উঁচু ইমারত নির্মাণই পর্যটন হতে পারে না। কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সব এলাকাজুড়েই পর্যটনকেন্দ্রিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে হবে। বিশ্বব্যাপী কক্সবাজারের সৌন্দর্য ছড়িয়ে দিয়ে ভ্রমণপিপাসুদের আকৃষ্ট করতে হবে। শুধু অবকাঠামো নির্মাণকে গুরুত্ব না দিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করেই পর্যটন সম্প্রসারণের চেষ্টা করতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, কক্সবাজারকে ঘিরে উচ্চশিক্ষা ও সামুদ্রিক গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার একটি মেরিন ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সামুদ্রিক শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য শাহাজাহান চৌধুরী, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শামীম আরা স্বপ্না প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, দুই দিনের সফরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আজ সন্ধ্যায় বিমানযোগে তার ঢাকা ফেরার কথা রয়েছে।




পল্লী চিকিৎসকদের সঙ্গে এভারগ্রীন হাসপাতালে মতবিনিময় সভা

পল্লী চিকিৎসকদের সঙ্গে এভারগ্রীন হাসপাতালে মতবিনিময় সভা
ছবি সংগৃহীত।

সরকারঘোষিত স্বাস্থ্যসেবা প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে চকরিয়া এভারগ্রীন হাসপাতালে পল্লী ডাক্তার সমিতির একাংশের প্রতিনিধিদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে এভারগ্রীন হাসপাতাল চকরিয়ার সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। চকরিয়া পল্লী ডাক্তার সমিতির সভাপতি ডাক্তার জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং ডাক্তার ফয়সাল আহমেদের উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এভারগ্রীন হাসপাতাল চকরিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. সাইদুল হক চৌধুরী।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডাক্তার সুরাইয়া শারমিন প্রমা এবং বিভিন্ন এলাকার পল্লী চিকিৎসকসহ সমাজের বিশিষ্টজনেরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন চকরিয়া পল্লী ডাক্তার সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার প্রদীপ দাশ।