চিহ্নিত ছিনতাইকারীসহ দাগী অপরাধীচক্রকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ
মাদক, মানবপাচার, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাং বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা পুলিশের আয়োজনে বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান।
প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, পুলিশী সেবা নিয়ে জনগণের অভিযোগের কমতি নেই। সব দোষ যেন পুলিশের। এরপরও যে কোন মানুষের প্রয়োজনে আগে পুলিশ গিয়ে দাঁড়ায়।
এসপি বলেন, পুলিশ সদস্যদের কোন অফিস টাইম বলতে নাই। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে উৎসব, অনুষ্ঠান, বিনোদন আয়োজনে সঙ্গ দেওয়া সম্ভব হয়না।
তিনি বলেন, কক্সবাজারে যে পরিমাণ জনবল দরকার তা না থাকা সত্বেও নিরলস কাজ চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। যে কারণে গেল ৩ মাসে চিহ্নিত ছিনতাইকারীসহ দাগী অপরাধীচক্রকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক (পিআর এন্ড মিডিয়া) ইমাম খাইর এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার বলেন, অবহেলায় বেড়ে উঠা সন্তান আগামী দিনের বড় সন্ত্রাসী। তাই সন্তানদের আচরণ, বিচরণ সম্পর্কে খোঁজখবর রাখতে হবে।
নিজের কর্ম জীবন সম্পর্কে দৃঢ় প্রত্যয় ও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ শব্দ শুনলে অনেকের কাছে খারাপ মনে হয়। সব পুলিশ খারাপ না। ৮০ শতাংশ পুলিশ সদস্য ভালো। তারা ঘুষ খায় না।
পুলিশের চাকুরীজীবনে আমি এক পয়সাও ঘুষ খাইনি। নৈতিক শক্তি ও মনোবল থাকলে সৎভাবে চাকুরী করা সম্ভব।
মোবাইলে একান্ত ব্যক্তিগত ছবি সংরক্ষণ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার থেকে শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার আহবান জানান পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান।
যার পেটে মাদকের টাকা ঢুকবে তার সন্তান অথবা প্রিয়জনের যে কাউকে আঘাত করবে, এমন মন্তব্য পুলিশ সুপারের।
মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. বেলাল নূর আজিজী, রেজিস্ট্রার রাজিদুল হক, সদর মডেল থানার ওসি মো. ছমি উদ্দিন, আইন বিভাগের চেয়ারম্যান মলই সরকারসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও জেলা পুলিশের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।







