খাবারের বস্তা কাঁধে,নৌকায় চড়ে বন্যাদুর্গতদের পাশে সাইফুল ইসলাম
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:১০ পূর্বাহ্ন

খাবারের বস্তা কাঁধে,নৌকায় চড়ে বন্যাদুর্গতদের পাশে সাইফুল ইসলাম

খাবারের বস্তা কাঁধে,নৌকায় চড়ে বন্যাদুর্গতদের পাশে সাইফুল ইসলাম
ছবি সংগৃহীত।

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় যখন অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে চরম সংকটে দিন কাটাচ্ছেন,ভৌগলিক দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়া একটি ইউনিয়ন বমু বিলছড়ি,তখনই  এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সমাজ সেবক সাইফুল ইসলাম। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে খাদ্যসামগ্রী নিয়ে দুর্গত ও অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে যাচ্ছেন তিনি।

​সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্থানীয়দের নজর কেড়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে রাতের অন্ধকারে নিজের কাঁধে ভারী খাবারের বস্তা বহন করে নৌকায় চড়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন সাইফুল ইসলাম। দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় আটকে পড়া অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে এভাবে নিজে উপস্থিত হয়ে ত্রাণ বিতরণ করায় সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছেন তিনি।

​স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বন্যার এই কঠিন সময়ে যখন ঘরে খাবার ফুরিয়ে আসছিল এবং যাতায়াতের কোনো উপায় ছিল না, তখন সাইফুল ইসলামের এই মানবিক উদ্যোগ তাদের জন্য বড় আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিজের আরাম-আয়েশ বিসর্জন দিয়ে তিনি যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা সত্যিই এক উজ্জ্বল মানবিক দৃষ্টান্ত।

​এই বিষয়ে জানতে চাইলে সাইফুল ইসলাম বলেন, "দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সবচেয়ে বড় মানবিক দায়িত্ব। ক্ষমতার চেয়ে মানুষের ভালোবাসাই আমার কাছে বড়। বমু বিলছড়ির প্রতিটি পানিবন্দি মানুষ যেন নিরাপদে থাকে এবং কেউ যেন অনাহারে না থাকে, সেই লক্ষ্যেই আমি কাজ করে যাচ্ছি।
গত কয়েক দিন ধরে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি হওয়ায় বমু বিলছড়ির মানুষের পাশে দাঁড়াতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের নিজ তাহবিল  থেকে ২ লক্ষ টাকা অনুদানের ঘোষণা দিলেন তিনি।


​বন্যাদুর্গত এলাকার মানুষের সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি কামনা করে স্থানীয় সচেতন মহল এবং দুর্গত ব্যক্তিরা তার এই নিঃস্বার্থ মানবিক কাজের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও শুভকামনা জানিয়েছেন।




কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল

কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়ায় এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাত দলের রড ও দা'র উল্টো পিঠের আঘাতে আহত হন কৃষক মো. ইসমাঈল (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী।

বুধবার (২২ জুলাই) গভীর রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের শহরআলীর চর গ্রামের মোহাম্মদ ইসমাইলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ৭-৮ জন ডাকাত অংশ নেয়।

তারা কৃষক ইসমাঈলের বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ১৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে। এমনকি কৃষককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁর কোলের শিশুকে বিছানায় শুইয়ে জবাই করতেও উদ্যত হয় ডাকাত দল। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কৃষক ইসমাঈল এ প্রতিবেদকের কাছে অকপটে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বাড়ির সবকিছু লুট করে চলে যাওয়ার সময় ডাকাতদল তাঁর বাড়ি থেকে ৩০ ফুট দূরে গিয়ে পরপর দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

ইসমাইল আক্ষেপ করে বলেন, তাঁদের এলাকায় পুলিশ কখনো টহল দেয় না। যদি মাঝে মাঝে পুলিশি টহল থাকত, তবে ডাকাত দল অস্ত্র নিয়ে তাঁর বাড়িতে ডাকাতি করার সাহস পেত না। তিনি এখন নিঃস্ব।

বর্তমানে এই ইউনিয়নের শহরআলীর চর, নাপিতের চর, ডেইংগার চর, ডাকভাঙ্গা ও আশপাশের মানুষ চরম আতঙ্কে রয়েছে।




লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা

লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় বোনের পালিয়ে বিয়ের খবর সহ্য করতে না পেরে মো. হাসান (২৫) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে লামা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান পাড়াস্থিত একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. হাসান পটিয়া থানার কোলাগাঁও টেক (চর কানাই, ছবুর মার্কেট) এলাকার মনো মিয়ার ছেলে এবং মো. সোলাইমানের পালক পুত্র। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সাথে লামা পৌরসভার চেয়ারম্যান পাড়ার আনোয়ারা বেগমের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত হাসানের ছোট বোন মেহেরুন্নেসা (২০) পরিবারের অজান্তে স্থানীয় সাকিব নামের এক যুবকের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। ছোট বোনের এমন কাণ্ড মেনে নিতে না পেরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিমানে হাসান নিজ বসতঘরের বাঁশের আড়ার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

খবর পেয়ে লামা থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল কবির সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ মরহুমের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

এ বিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কায়ছার হামিদ জানান, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”




নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিপুল পরিমাণ টাকাসহ ২ চোরাকারবারিকে আটক করেছে বিজিবি। এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোজাম্মেল হক।

বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে আটকের পর তাদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২ জনকে থানায় সোপর্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— ছুরত আলম (৩২) ও আমানুল্লাহ (৪০)। তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

সূত্র আরও জানায়, আটক ব্যক্তিদের সীমান্তের ৫০ নম্বর পিলার এলাকা থেকে আটক করেছে ১১ বিজিবির আওতাধীন লেবুছড়ি বিওপির জওয়ানেরা।

১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “বিজিবি সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী। যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড বিজিবি কঠোর হস্তে দমন করবে। এতে ছাড় দেওয়া হবে না।”