খাগড়াছড়ির রামগড়ে প্রতিষ্ঠার চার বছরের মাথায় স্কুল পুড়ে ছাই
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন

খাগড়াছড়ির রামগড়ে প্রতিষ্ঠার চার বছরের মাথায় স্কুল পুড়ে ছাই

খাগড়াছড়ির রামগড়ে প্রতিষ্ঠার চার বছরের মাথায় স্কুল পুড়ে ছাই
ছবি সংগৃহীত।

খাগড়াছড়ির রামগড়ে অগ্নিকান্ডে কলাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় নামে একটি বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল প্রতিষ্ঠার চার বছরের মাথায় আগুনে পুড়ে সম্পূর্ণ ভস্মিভুত হয়েছে। 
শনিবার রাত আনুমানিক পৌনে ৮ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আগুনে টিনশেটের পুরো স্কুলঘর আসবাবপত্র ও অন্যসকল মালামালসহ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো: আবদুল কাদের জানান, শনিবার রাত আনুমানিক পৌনে ৮ টার দিকে স্কুলঘরের পশ্চিম অংশে আগুনের সূত্রপাত হয়ে দ্রুত  তা ছড়িয়ে পড়ে। অল্প সময়ের মধ্যে পুরো স্কুলঘর পুড়ে যায়। এসময়  স্কুলে কেউ ছিল না। তিনি বলেন, রবিবার এসএসসি  পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। তিনি বলেন, আগুনে  ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্লাসরুম, শিক্ষক রুম, অফিস কক্ষ, কম্পিউটার, আইপিএস, আসবাবপত্র কোন কিছুই অবশিষ্ট নেই। সবকিছুই ছাই হয়ে গেছে।
তিনি জানান, ২০২২ সালে তৎকালীন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস ও রামগড়ের ইউএনও খন্দকার ইফতেখার উদ্দিন আরাফাতের উদ্যোগে উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকা কলাবাড়ীতে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শামীম বলেন, খবর পাওয়ার পরই  রামগড় থেকে ফায়ার সার্ভিসেরর কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। তবে তারা পৌঁছার আগেই স্কুলটি সম্পূর্ণ পুড়ে ভস্মিভূত হয়ে যায়।  অগ্নিকান্ডের প্রকৃত কারণ  তদন্ত করে বের করা হবে।
রামগড় ফায়ার স্টেশনের ইনচার্জ  বিশ্বান্তর  বিকাশ বড়ুয়া জানান, খবর পেয়ে দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পোঁছে আগুন নেভানোর কাজ করে। অগ্নিকান্ডের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানাযায়নি বলে তিনি জানান।




কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল

কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়ায় এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাত দলের রড ও দা'র উল্টো পিঠের আঘাতে আহত হন কৃষক মো. ইসমাঈল (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী।

বুধবার (২২ জুলাই) গভীর রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের শহরআলীর চর গ্রামের মোহাম্মদ ইসমাইলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ৭-৮ জন ডাকাত অংশ নেয়।

তারা কৃষক ইসমাঈলের বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ১৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে। এমনকি কৃষককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁর কোলের শিশুকে বিছানায় শুইয়ে জবাই করতেও উদ্যত হয় ডাকাত দল। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কৃষক ইসমাঈল এ প্রতিবেদকের কাছে অকপটে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বাড়ির সবকিছু লুট করে চলে যাওয়ার সময় ডাকাতদল তাঁর বাড়ি থেকে ৩০ ফুট দূরে গিয়ে পরপর দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

ইসমাইল আক্ষেপ করে বলেন, তাঁদের এলাকায় পুলিশ কখনো টহল দেয় না। যদি মাঝে মাঝে পুলিশি টহল থাকত, তবে ডাকাত দল অস্ত্র নিয়ে তাঁর বাড়িতে ডাকাতি করার সাহস পেত না। তিনি এখন নিঃস্ব।

বর্তমানে এই ইউনিয়নের শহরআলীর চর, নাপিতের চর, ডেইংগার চর, ডাকভাঙ্গা ও আশপাশের মানুষ চরম আতঙ্কে রয়েছে।




লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা

লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় বোনের পালিয়ে বিয়ের খবর সহ্য করতে না পেরে মো. হাসান (২৫) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে লামা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান পাড়াস্থিত একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. হাসান পটিয়া থানার কোলাগাঁও টেক (চর কানাই, ছবুর মার্কেট) এলাকার মনো মিয়ার ছেলে এবং মো. সোলাইমানের পালক পুত্র। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সাথে লামা পৌরসভার চেয়ারম্যান পাড়ার আনোয়ারা বেগমের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত হাসানের ছোট বোন মেহেরুন্নেসা (২০) পরিবারের অজান্তে স্থানীয় সাকিব নামের এক যুবকের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। ছোট বোনের এমন কাণ্ড মেনে নিতে না পেরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিমানে হাসান নিজ বসতঘরের বাঁশের আড়ার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

খবর পেয়ে লামা থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল কবির সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ মরহুমের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

এ বিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কায়ছার হামিদ জানান, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”




নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিপুল পরিমাণ টাকাসহ ২ চোরাকারবারিকে আটক করেছে বিজিবি। এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোজাম্মেল হক।

বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে আটকের পর তাদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২ জনকে থানায় সোপর্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— ছুরত আলম (৩২) ও আমানুল্লাহ (৪০)। তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

সূত্র আরও জানায়, আটক ব্যক্তিদের সীমান্তের ৫০ নম্বর পিলার এলাকা থেকে আটক করেছে ১১ বিজিবির আওতাধীন লেবুছড়ি বিওপির জওয়ানেরা।

১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “বিজিবি সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী। যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড বিজিবি কঠোর হস্তে দমন করবে। এতে ছাড় দেওয়া হবে না।”