কাঞ্চনায় শিক্ষকসংকটে বন্ধ ধর্মঘণ্টা, ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন

কাঞ্চনায় শিক্ষকসংকটে বন্ধ ধর্মঘণ্টা, ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা

কাঞ্চনায় শিক্ষকসংকটে বন্ধ ধর্মঘণ্টা, ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কাঞ্চনা ইউনিয়নের বকশিরখীল আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে কোনো মুসলিম শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীদের ধর্মশিক্ষা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়টির সব শিক্ষক হিন্দুধর্মাবলম্বী হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় ক্লাস বা ধর্মঘণ্টা নেওয়া হচ্ছে না; যার ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ধর্মশিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সব শিক্ষার্থীর জন্য ধর্মীয় শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব হলেও এই বিদ্যালয়টিতে তা সম্পূর্ণ উপেক্ষিত হচ্ছে। মুসলিম শিক্ষার্থীরা তাদের মৌলিক ধর্মীয় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় অভিভাবকমহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

কাঞ্চনা ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি যায়েদ হোসেন এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা উপজেলা শিক্ষা অফিস ও জেলা শিক্ষা অফিসে বারবার লিখিত আবেদন দেওয়ার পরও কর্তৃপক্ষ এখনো পর্যন্ত কোনো মুসলিম শিক্ষক পদায়ন করেনি। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, দ্রুত একজন মুসলিম শিক্ষক পদায়ন করে শিক্ষার্থীদের ধর্মশিক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।”

উপজেলা উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আনিসুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি আমরা আপনাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি এবং স্থানীয়দের পক্ষ থেকেও একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। শিক্ষক পদায়ন একটি নিয়মিত ও কেন্দ্রীয় বদলি প্রক্রিয়ার অংশ। খুব শিগগিরই শূন্যপদ বা প্রয়াজনে পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে বিদ্যালয়টিতে একজন মুসলিম শিক্ষক পদায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের ধর্মশিক্ষা আর ব্যাহত না হয়।”

যোগাযোগ করা হলে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ ইউনূছ বলেন, “আমরা এ বিষয়ে উপজেলা ও জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর আবেদন করেছি। তারপরও কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, বিষয়টা খুবই দুঃখজনক।”

সাতকানিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজীব দাশ বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সব ধর্মের শিক্ষার্থীদের স্ব স্ব ধর্মচর্চা ও শিক্ষার সুযোগ থাকা উচিত। কাঞ্চনার ওই বিদ্যালয়টিতে শিক্ষকসংকটের কারণে ধর্মশিক্ষা ব্যাহত হওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছি এবং দ্রুত এ সমস্যার একটি সন্তোষজনক সমাধান করা হবে।”

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজ আহমদ বলেন, “সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকঘাটতি পূরণের জন্য আমরা সচেষ্ট আছি। কাঞ্চনার বিদ্যালয়টির সুনির্দিষ্ট তথ্য নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করা হবে। তবে পার্শ্ববর্তী যেকোনো স্কুলে যদি পর্যাপ্ত মুসলিম শিক্ষক থাকেন এবং উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সে বিষয়ে প্রস্তাব দেন, তবে আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে সেখানে শিক্ষক পদায়নের ব্যবস্থা করা হবে।”

স্কুলের অভিভাবকেরা জানান, “আমাদের সন্তানেরা স্কুলে যায় শিক্ষার আলো নিতে, কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ধর্মের ক্লাস না হওয়ায় তারা পিছিয়ে পড়ছে। অন্য সব বিষয়ের মতো ধর্মশিক্ষাও সমানভাবে জরুরি। আমরা অবিলম্বে এই বিদ্যালয়ে একজন মুসলিম শিক্ষক নিয়োগের জন্য সরকারের উচ্চমহলের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”




পটিয়ায় মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, আহত ৩

পটিয়ায় মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, আহত ৩
ছবি সংগৃহীত।

চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে চট্টগ্রামের পটিয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন চাকরিচ্যুত ব্যাংকাররা।  এ সময় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন আন্দোলনকারীরা।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পটিয়া মডেল মসজিদের সামনে জড়ো হন আন্দোলনকারীরা। পরে তাঁরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল ব্যাহত হয়। সড়কের দুই পাশে আটকা পড়ে বেশ কিছু যানবাহন। সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট, দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।

আন্দোলনকারীরা জানান, চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন। এর ধারাবাহিকতায় আন্দোলনকারীদের ওপর কয়েক দফা হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁদের অভিযোগ। এসব ঘটনার প্রতিবাদ এবং চাকরিচ্যুতদের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে এবার মহাসড়ক অবরোধের কর্মসূচি দেওয়া হয়।

কর্মসূচির একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কে অবস্থান নেওয়া আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তি হয়। এতে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন আন্দোলনকারীরা। তবে পুলিশের দাবি, ঘটনাটি ভুল-বোঝাবুঝির কারণে ঘটেছে।

দীর্ঘ প্রায় দেড় ঘণ্টা অবরোধের পর দুপুর আড়াইটার দিকে ঘটনাস্থলে যান পটিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান। আধাঘন্টা উভয় পক্ষের আলোচনা শেষে তিনি আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের দাবি ও পরিস্থিতির বিষয়টি আগামী বুধবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সভায় উপস্থাপনের আশ্বাস দেন। এ ছাড়া বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান তিনি।

ইউএনও ফারহানুর রহমান বলেন, “আশা করি, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান আসবে। প্রশাসনের আশ্বাসের পর আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন। পরে তাঁরা ধীরে ধীরে মহাসড়ক থেকে সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

আন্দোলনকারী আশরাফুল আলম তৌকির বলেন, চাকরিতে পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে। দাবি আদায় না হলে রাজপথেই প্রাণ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। দাবি মেনে নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলেও জানান তিনি।

পরে আন্দোলনকারীরা আলটিমেটাম দিয়ে জানান, আগামী বুধবারের মধ্যে ইতিবাচক সমাধান না এলে এবং তাঁদের দাবি মেনে নেওয়া না হলে বৃহস্পতিবার থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধসহ আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।




আধুনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি এ.টি.এম জাহেদ চৌধুরী

আধুনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি এ.টি.এম জাহেদ চৌধুরী
ছবি সংগৃহীত।

লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে এ.টি.এম জাহেদ চৌধুরীকে মনোনয়ন দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম। 

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক অধ্যাপক মো. আবুল কাশেম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে নতুন এ অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

অ্যাডহক কমিটির সদস্যরা হলেন, যথাক্রমে- অনুমোদিত কমিটিতে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত সভাপতি এ.টি.এম জাহেদ চৌধুরী, জেলা শিক্ষা অফিসার মনোনীত শিক্ষক প্রতিনিধি মো. ওসমান গণি এবং জেলা প্রশাসক/উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনোনীত অভিভাবক প্রতিনিধি মোহাম্মদ আবদুল আলম রয়েছেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদাধিকারবলে কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রামের প্রবিধানমালা-২০২৪-এর বিধান অনুসারে বিদ্যালয়ের দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এ অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নতুন কমিটি বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি শিক্ষা কার্যক্রমের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালন করবে।
এদিকে, আধুনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে এ.টি.এম জাহেদ চৌধুরীর মনোনয়নের বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনায় এসেছে। নতুন কমিটির মাধ্যমে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

এ.টি.এম জাহেদ চৌধুরী বলেন, আধুনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে আমাকে দায়িত্ব দেওয়ায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। এ দায়িত্ব আমার জন্য সম্মানের পাশাপাশি একটি বড় দায়িত্বও। বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ আরও সুন্দর ও কার্যকর করা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি ও পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ানো এবং শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়দের সমন্বয়ে বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চাই। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

আমি আশা করি, অ্যাডহক কমিটির সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আধুনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ও পরিবেশ উন্নয়নে আমরা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারব। দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও বিদ্যালয়ের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। 
 




লোহাগাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ৪ যুবক গ্রেপ্তার

লোহাগাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ৪ যুবক গ্রেপ্তার
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় চার যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। 

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন- পদুয়া ইউনিয়নের ধলিবিলা ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আবু সুফিয়ানের ছেলে আব্দুল আল নোমান (২০), পশ্চিম বাঘমুড়া ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সোলতান আহমদের ছেলে ওমর ফারুক (২৫), একই এলাকার মো. মহসিনের ছেলে মো. জহিরুল ইসলাম টিপু (২৪) এবং আমিরাবাদ ইউনিয়নের হাজিরপাড়া এলাকার সাহাদুল আলমের ছেলে রাজিবুল হাসান (১৯)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লোহাগাড়া থানা পুলিশের পৃথক বিশেষ অভিযানে চারজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে লোহাগাড়া থানায় দায়ের করা মামলা নম্বর-২৮, তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে তাদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি পুলিশ।লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ বলেন, আটক 

ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।