কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সেন্টার অনুমোদন

কক্সবাজার ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সেন্টার অনুমোদনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালের আইসিইউ ও সিসিইউ সেবার মানোন্নয়ন কার্যক্রমও সন্তোষজনকভাবে এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মংটিং অং।
সোমবার (৬ জুলাই) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদফতরের উদ্যোগে ‘হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম ব্যবস্থাপনায় পারদর্শিতা উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সদর হাসপাতালের ডা. বি. এন. পাল মেমোরিয়াল হলে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে সভাপতির বক্তব্যে মংটিং অং বলেন, ডায়ালাইসিস সেন্টার চালু হলে কক্সবাজারের কিডনি রোগীরা স্থানীয়ভাবে আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাবেন। এতে সময়, অর্থ ও ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে। একই সঙ্গে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা (আইসিইউ) ও করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) সেবার মান আরও উন্নত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
সমাজসেবা অধিদফতরের কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক শাহি নেওয়াজ বলেন, রোগী কল্যাণ সমিতি অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণে সমাজের বিত্তবান, দানশীল ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা প্রয়োজন।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সবুক্তগীন মাহমুদ সোহেল বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও রোগী কল্যাণ সমিতির সমন্বিত উদ্যোগে রোগীদের জন্য আরও উন্নত ও মানবিক সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব।
রোগী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কৌশিক খাঁনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সমাজসেবা অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আব্দুল আওয়াল, রোগী কল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি জেবর মুল্লুক, অর্থ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর হেলেনাজ তাহেরা, কার্যনির্বাহী সদস্য সাংবাদিক শামসুল হক শারেক, কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাবেক কাউন্সিলর আশরাফুল হুদা জামশেদ, অধ্যাপক আনোয়ার এবং মাস্টার বোরহান উদ্দিন।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, সমাজসেবা বিভাগের কর্মকর্তা এবং রোগী কল্যাণ সমিতির সদস্যরা অংশ নেন।
বক্তারা হাসপাতালভিত্তিক সমাজসেবা কার্যক্রমকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।







