চট্টগ্রাম, শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১

[bangla_day]

বিষয় :

প্রকাশ :  ২০২১-০৭-১৩ ১৩:৪৫:৫২

কোরবানির পশু বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় খাগড়াছড়ির খামারিরা

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :
লকডাউনের কারণে কোরবানির পশু বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় খাগড়াছড়ির খামারিরা। করোনার কারণে গত বছরও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তারা। কোন কোন খামারির বিনিয়োগ আছে ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা। হাট না বসলে এবার পুঁজি হারানোর আশঙ্কা তাদের। তবে অনলাইন প্লাটফরম চালু আছে জানিয়ে গরু বিক্রির জন্য মাইকিং করার পরামর্শ দিয়েছে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

খাগড়াছড়ির পাহাড়ি ও সমতল ভূমিতে গড়ে উঠেছে গবাদিপশুর কয়েকশ’ খামার। পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশে এসব গবাদিপশু লালন-পালন করা হয়। নিজেদের চাষ করা ঘাস ও ভুট্টা গবাদিপশুর প্রধান খাবার। তাই ক্রেতাদের কাছে পাহাড়ে বেড়ে উঠা গরু-ছাগলের কদর বেশি।
খামারীরা জানান, কাঁচা ঘাস আর দানাদার এর বাইরে কোনো মোটাতাজাকরণ ওষুধ এখানকার পশুদের খাওয়ানো হয় না। এবার ক্রেতাও নাই বেচাবিক্রিও নাই।
কোরবানি সামনে রেখে কোনো কোনো খামারি ইতোমধ্যে ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন। অনলাইন হাট চালু না হওয়ায় এবং লকডাউনের কারণে পশু বিক্রি করতে পারছেন না তারা। তাই এবার বড় ধরনের লোকসানের শঙ্কা তাদের।
এ কে এগ্রো অ্যান্ড ডেইরি ফার্মের খামার তত্ত্বাবধায়ক এমরান হোসেন বলেন, অনলাইনের মাধ্যমে যে সেল করা হয় সেটা খাগড়াছড়িতে এখনও চালু হয়নি। ফলে আমরা পশু বেচাবিক্রি করতে পারছি না।
কোরবানির পশু বিক্রির জন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হয়েছে। পাশাপাশি মাইকিং করে প্রচারণারও পরামর্শ দিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. নুরুল আফসার।
তিনি জানান, কারো পশু বেশি থাকলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ইউএনও এর মাধ্যমে মাইকিং করে সে তার গরু সম্পর্কে প্রচার করতে পারে। তাহলে আমার মনে হয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে একটা দুইটা গরু ওখান থেকে বিক্রি হলে এই সমস্যা কেটে যাবে।    
খাগড়াছড়ি জেলায় প্রায় ২৫০টি মাঝারি ও বড় পশুর খামার রয়েছে। এসব খামারে এবার ২২ হাজার ৩০০ গবাদিপশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

আরো সংবাদ

%d bloggers like this: