চট্টগ্রাম, রোববার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১

প্রকাশ :  ২০২০-১২-০১ ২০:০০:১৮

চকরিয়ায় বনবিভাগের অভিযানে বসতি উচ্ছেদ, ২০ একর জায়গা উদ্ধার

চকরিয়া প্রতিনিধি :

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন ফুলছড়ী রেঞ্জের জুমনগর ও মেদাকচ্ছপিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অন্তত ২০টি ছোট-বড় অবৈধ ভাবে গড়ে তোলা ঝুপড়ি বসতি ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসব অবৈধ বসতি ও স্থাপনা উচ্ছেদ করে প্রায় আট হেক্টর (বিশ একর) বনবিভাগের বনভূমি অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়।
বন বিভাগের সহায়তায় এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট তানভীর হোসেন।
মঙ্গলবার (১ডিসেম্বর) সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ফুলছড়ী রেঞ্জের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভেতরে এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
এসময় ডুলাহাজারা বিট কর্মকর্তা ইলিয়াছ হোসেন, ফুলছড়ী বিট কর্মকর্তা আকরাম হোসেনসহ ফাঁসিয়াখালী ও ফুলছড়ি রেঞ্জের বিভিন্ন কর্মকর্তা, বনকর্মী, ভিলেজার ও চকরিয়া থানার একদল পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।
ফাঁসিয়াখালী ও ফুলছড়ি রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম বলেন, ফুলছড়ি রেঞ্জের মেধাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান ও ফুলছড়ি বিটের জুমনগর এলাকায় বনভূমি দখল করে অবৈধ ভাবে স্থাপনা নির্মাণ করছিল ভূমি দস্যুরা। বনবিভাগের জায়গায় অবৈধভাবে বসতি ও স্থাপনা নির্মাণের সংবাদ পেয়ে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান চালানো হয়। এসময় বনবিভাগের জায়গায় অবৈধ ভাবে গড়ে তোলা অন্তত বিশটি ঝুপড়ি বসতি ও স্থাপনা উচ্ছেদ করে প্রায় ২০ একর বনভূমি উদ্ধার করা হয়েছে। বনভূমি দখলকারী যতবড় শক্তিশালী হোক না কেন কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে তিনি জানান।
চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট তানভীর হোসেন বলেন, ফুলছড়ি রেঞ্জের জুমনগর ও মেদাকচ্ছপিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ২০ একর জায়গা উদ্ধার করা হয়। বনবিভাগের সংরক্ষিত এসব জায়গায় গাছপালা এবং পাহাড় কেটে অবৈধভাবে বসতি ও স্থাপনা নির্মাণ করেছিল বেশকিছু অবৈধ দখলদার৷ বনবিভাগের সহায়তায় মোবাইলকোর্ট মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে এসব অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে উচ্ছেদ করে প্রায় বিশ একর বনভূমি দখলমুক্ত করা হয়।

আরো সংবাদ