রামুর কচ্ছপিয়ার দোছড়ি খালের ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি

কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে দোছড়ি খালের ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। খালের তীব্র স্রোতে ইতোমধ্যে কয়েকটি বসতবাড়ির অংশ বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদী-খালপাড়ের বাসিন্দারা। একই সঙ্গে হুমকির মুখে পড়েছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)-এর প্রায় ১০০ একর কৃষি প্রকল্প।
স্থানীয়রা জানান, টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ি ঢলের পানি দোছড়ি খালে নেমে আসায় খালের পানির প্রবাহ ও স্রোত কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এতে খালের দুই তীর দ্রুত ভাঙতে শুরু করে। এ বছর নতুন এলাকা খালের গর্ভে বিলীন হচ্ছে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে আরও অসংখ্য বসতবাড়ি, ফসলি জমি এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।
রামু উপজেলা কৃষক দল নেতা রেজাউল করিম টিপু ও ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ফয়েজ উল্লাহ বলেন,“দোছড়ি খালের ভয়াবহ ভাঙনে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেক পরিবার তাদের বসতভিটা হারানোর আশঙ্কায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দ্রুত ভাঙনরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”
কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছালেহ আহমদ বলেন, “খালের ভাঙন ইতোমধ্যে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বসতবাড়ির পাশাপাশি বিএডিসির প্রায় ১শ একরের কৃষি প্রকল্পও হুমকির মুখে রয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা দ্রুত পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”
স্থানীয়দের দাবি, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই দোছড়ি খালের ভাঙনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। কিন্তু স্থায়ীভাবে ভাঙনরোধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় বছরের পর বছর একই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তারা দ্রুত টেকসই প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ ও জরুরি ভিত্তিতে ভাঙনরোধে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।







