‎মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার আসছেন ১৩ জুন
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন

‎মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার আসছেন ১৩ জুন

‎মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার আসছেন ১৩ জুন
ছবি সংগৃহীত।

‎সরকার গঠনের তিন মাসের মাথায় ১৩ জুন পর্যটন গনগরী কক্সবাজারে আসছেন মাননীয়  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ষষ্ঠবারের মতো তিনি কক্সবাজার আসছেন। ১৯৮৫ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা সম্পন্ন করে প্রথমবার কক্সবাজার আসেন তিনি।এরপর ১৯৯৭ সালে দুইদিন পারিবারিক সফরে কক্সবাজার অবস্থান করেন। সে সময় তিনি হোটেল শৈবালে রাত্রি যাপন করেন। এরপর ২০০৩ সালে হোটেল সী গালে অনুষ্ঠিত জেলা বিএনপি সম্মেলন ও কাউন্সিলে যোগদান করেন। এরপর ২০০৫ সালের কক্সবাজার স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তৃণমূল বিএনপির প্রতিনিধি সভায় যোগদেন। পরের বছর ২০০৬ সালে হোটেল  সি গালে অনুষ্ঠিত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির মিলনমেলায় যোগদান করেন। তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে নতুন করে সাজছে পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার।

‎জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির অঙ্গ সংগঠন, জেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ইতিমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। সমুদ্র নগরে তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কক্সবাজারবাসী। ইতিমধ্যে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে দরিয়া নগরবাসীর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে বেছে নিয়েছে দাবি আদায়ের আয়না হিসেবে।  এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৩ জুন কক্সবাজার সফরে আসছেন। সেটা নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার ১- মোহাম্মদ উজ্জল হোসেন। প্রটোকল অফিসারে স্বাক্ষরকৃত সংশোধিত সফরসূচি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৩ জুন শনিবার দিনব্যাপী কক্সবাজার সফর করবেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত সফরসূচী মতে এদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম, প্রশাসনিক অনুষ্ঠান এবং জনসভায় অংশ নেবেন। সকাল ৮টায় ঢাকার বাসভবন থেকে রওনা হয়ে তিনি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন এবং সেখান থেকে বিমানযোগে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা করবেন। কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছে প্রথমেই পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলী খান পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। সেখানে খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও পথসভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। পরে তিনি চকরিয়ার ডুলহাজারা সাফারি পার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন এবং পার্ক পরিদর্শন করবেন। এরপর ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মো. ওয়াসিমের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। দুপুরে প্রধানমন্ত্রী নবগঠিত মাতারবাড়ী উপজেলা এবং পেকুয়া পৌরসভার প্রশাসনিক বিভাগের উদ্বোধন করবেন। বিকেলে চকরিয়ায় আয়োজিত রাজনৈতিক জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। সন্ধ্যায় চকরিয়া পৌরসভার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন এবং সমুদ্র সৈকত এলাকা পরিদর্শনের পর রাত ৮টায় সুধী সমাবেশে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হবেন এবং রাত ১০টায় ঢাকার উদ্দেশে বিমানযোগে যাত্রা করবেন। রাত ১১টার দিকে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার জেলায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সফর উপলক্ষে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই হবে ওনার প্রথম কক্সবাজার সফর। এ সফরকে ঘিরে জেলাজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গন, প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে কক্সবাজারবাসীর মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। জেলার উন্নয়ন ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বিভিন্ন মহল থেকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ও প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনেক। ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভরে গেছে দাবি-দাওয়ার ফুলঝুরিতে। তবে প্রতিটি দাবি বর্তমান সময়ের সাথে প্রয়োজনতার নিরিখে বাস্তবসম্মত বলে জানিয়েছেন জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ ইউসুফ বদরী। এ দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন রামু সদর ঈদগাও আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজলও।  এদিকে প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমান ১৩ জুন সকাল দশটায় কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে সরাসরি পিএম খালিতে ১৯৭৯ সালের ৪ ডিসেম্বর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নিজ হাতে খননকৃত পাতলী খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন এবং সংক্ষিপ্ত পথ সভাই বক্তব্য রাখবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে পিএম হালিতে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসক মোঃ আঃ মন্নান এবং পুলিশ সুপার আ ন ম সাজেদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসন পাতলী খালের খনন কাজের জন্য বাছাইকৃত স্থান পরিদর্শন করেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে উক্ত স্থানে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন সংসদ লুৎফর রহমান কাজল। তিনি স্থানীয় নেতাকর্মী এবং প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে ইতিমধ্যে প্রস্তুতি সভা ও সম্পন্ন করেছেন। পরিশেষে বলা যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দরিয়া নগরে আধিয়েতা দিতে প্রস্তুত কক্সবাজারবাসী।

‎মাননীয় প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান এর কক্সবাজার এর সকল কর্মসূচী সফল করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ  জানিয়েছেন রামুর ঈদগড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ডাক্তার এম ইব্রাহীম বাবুল এবং সাধারণ সম্পাদক তৈয়ব উল্লাহ চৌধুরী।




১৩ কোটি টাকায় নির্মিত গজালিয়া ব্রিজ আদৌ চলাচলের উপযোগী হবে কি?

১৩ কোটি টাকায় নির্মিত গজালিয়া ব্রিজ আদৌ চলাচলের উপযোগী হবে কি?
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার গজালিয়া এলাকায় ঈদগাঁও খালের ওপর প্রায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু পাঁচ বছর ধরে সংযোগ সড়কের অভাবে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। কোটি টাকার এই উন্নয়ন প্রকল্প জনসাধারণের কোনো কাজে না এসে এখন উল্টো জনদুর্ভোগের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। বাধ্য হয়ে এলাকাবাসী নিজেরাই মই তৈরি করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেতু পারাপার করছেন। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, নারী, বৃদ্ধ ও সাধারণ মানুষ এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করছেন।

১৭ জুলাই এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে সেতুতে ওঠানামার জন্য বড় একটি মই স্থাপন করেন। মুহূর্তেই সেখানে শত শত মানুষের ভিড় জমে যায়।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) প্রায় পাঁচ বছর আগে ঈদগাঁও খালের ওপর ৯০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৭ দশমিক ৩ মিটার প্রস্থের সেতুটি নির্মাণ সম্পন্ন করে। কিন্তু উভয় পাশের সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় সেতুটি আজও যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়নি।

এলাকাবাসী জানান, সেতুটি চালু হলে ঈদগাঁও উপজেলার সঙ্গে পাহাড়ি জনপদ ঈদগড়, বাইশারী ও গর্জনিয়ার যোগাযোগব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, তখন আর যাত্রীদের ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের ডাকাতি ও অপহরণের জন্য কুখ্যাত হটস্পট—হিমছড়ি, খেত ও সাঁততরা ডালা অতিক্রম করতে হবে না। দীর্ঘদিন ধরে এসব এলাকায় ডাকাতি, অপহরণ ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কে যাতায়াত করেন। বিকল্প এই সেতু চালু হলে লাখো মানুষ নিরাপদ পথে চলাচলের সুযোগ পাবেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিকল্পনার দুর্বলতা, জমি অধিগ্রহণ জটিলতা, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অবহেলা এবং ঠিকাদারের দায়িত্বহীনতার কারণেই পাঁচ বছর ধরে কোটি টাকার সেতুটি জনগণের কোনো কাজে আসছে না।

ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বলেন, এই সেতু চালু করা এখন জনগণের প্রাণের দাবি। দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া প্রয়োজন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জুবায়েদ উল্লাহ জুয়েল জানান, পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়কের কিছু অংশ ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে হওয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ঠিকাদার কাজ ফেলে চলে যাওয়ায় প্রকল্পটি আরও অনিশ্চয়তায় পড়ে।

এ বিষয়ে ঈদগাঁও উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আল মুইন শাহরিয়ার বলেন, সংযোগ সড়কের কাজ নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন না হওয়ায় আগের টেন্ডার বাতিল করা হয়েছে। অবশিষ্ট কাজের জন্য নতুন টেন্ডার আহ্বانের প্রক্রিয়া চলছে। প্রক্রিয়া শেষ হলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।

এদিকে সেতুতে সংযোগ সড়ক না থাকলেও মানুষের চলাচলের প্রয়োজন থেমে নেই। তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়েই অস্থায়ী মই বেয়ে প্রতিদিন পারাপার করছেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসীর প্রশ্ন—কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতুর ব্যবহার নিশ্চিত করতে আর কত বছর অপেক্ষা করতে হবে? কোনো প্রাণহানির পর কি সংশ্লিষ্টদের টনক নড়বে?

এলাকাবাসীর একটাই দাবি—দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ সম্পন্ন করে সেতুটি চালু করা হোক। এতে শুধু পাঁচ বছরের দুর্ভোগের অবসানই হবে না, বরং ডাকাতি-অপহরণের ঝুঁকিপূর্ণ পথ এড়িয়ে ঈদগাঁও-ঈদগড়সহ পাহাড়ি জনপদের লাখো মানুষের নিরাপদ ও সহজ যাতায়াত নিশ্চিত হবে।




কক্সবাজারের প্রবীণ সাংবাদিক আতাহার ইকবালের ইন্তেকাল

কক্সবাজারের প্রবীণ সাংবাদিক আতাহার ইকবালের ইন্তেকাল
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, সাবেক সভাপতি ও বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আতাহার ইকবাল (৭৪) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। 

২১ জুলাই মধ্যরাত ১টার দিকে কক্সবাজার শহরের নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্ট্রোক জনিত কারণে অসুস্থ ছিলেন। মৃত্যুকালে স্ত্রী ও একজন মাত্র ছেলে সন্তান রয়েছে। 
বুধবার বিকেল পাঁচটায় কক্সবাজার শহরের বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় কক্সবাজারের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অংশ নেন। 

আতাহার ইকবাল একাধারে সাংবাদিক, সংগীত শিল্পী, বেতার উপস্থাপক সর্বোপরি বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবেও তাঁর যথেষ্ট খ্যাতি রয়েছে। ১৯৭২ সালে দৈনিক গণকন্ঠের প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকতা জীবন শুরু। 
দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে আতাহার ইকবাল কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক তরংগ, সাগর বানী দৈনিক বাকখালীর প্রকাশক ও সম্পাদক ছিলেন। চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক পুর্বকোন দৈনিক নয়াবাংলা ঢাকার দৈনিক জনকণ্ঠ দৈনিক মানবজমিন দৈনিক মাতৃভূমি পত্রিকার কক্সবাজার প্রতিনিধি ও স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। ১৯৭৫ সালে কক্সবাজার প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাকালে তিনি ছিলেন অগ্রণী ভুমিকায়। 

সাংবাদিকতার পাশাপাশি দীর্ঘকাল তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। শুরুতে জড়িত ছিলেন জাসদ ছাত্রলীগের সাথে। তিনি ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তে যোগদান করেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে তিনি কক্সবাজার মহকুমা যুবদলের সেক্রেটারি এবং যুব সংস্থার চেয়ারম্যান। নব্বই দশকের শেষের দিকে তিনি জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা জাসাস এর দীর্ঘদিনের সভাপতি। 

শোক প্রকাশ:
সাংবাদিক আতাহার ইকবালের মৃত্যুতে কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী এবং সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাফর গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। 
শোক বার্তায় প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ তাঁর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং তাঁর মাগফিরাত কামনা করেন।

নেতৃবৃন্দ জানান, কক্সবাজারে সাংবাদিকতা পেশায় তাঁর দীর্ঘদিনের নিষ্ঠা, সততা ও অবদান কক্সবাজারের গণমাধ্যম অঙ্গনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর মৃত্যুতে কক্সবাজারবাসী একজন অভিজ্ঞ সাংবাদিক, অভিভাবকসুলভ ব্যক্তিত্ব এবং গণমাধ্যমের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হারালো।
মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহমর্মিতা জানান নেতৃবৃন্দ। 

মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে দোয়ার আর্জি, তিনি যেন মরহুমের সকল গুনাহ ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেন এবং শোকাহত পরিবারকে এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করেন। আমীন।




টানা ৭ দিন ধরে চকরিয়া পৌর শহরের মহাসড়কের পাশে হাঁটু পানি, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

টানা ৭ দিন ধরে চকরিয়া পৌর শহরের মহাসড়কের পাশে হাঁটু পানি, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর শহরের থানা রাস্তার মাথা থেকে ব্র্যাক ব্যাংক পর্যন্ত মহাসড়কের পাশে টানা সাত দিন ধরে হাঁটুসমান পানি জমে রয়েছে। দীর্ঘদিনের এ জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী, যানবাহন চালক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, পানি চলাচলের পথ বন্ধ করে রাখার কারণে এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ তাদের।

বুধবার (২২ জুলাই) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের একাংশে হাঁটুসমান পানি জমে থাকায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। জলাবদ্ধতার কারণে ওই এলাকায় অবস্থিত দুটি সরকারি ব্যাংক ও একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা, গ্রাহক এবং আশপাশের ব্যবসায়ীরাও ভোগান্তিতে পড়েছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী আলী আকবার সওদাগর ও জসিম উদ্দিন সওদাগর বলেন, টানা সাত দিন ধরে পানি জমে থাকায় আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য প্রায় স্থবির হয়ে গেছে। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আব্দুল আলিম, কাশেম ও তৌহিদের নেতৃত্বে পানি চলাচলের পথ বন্ধ করে দেয়ায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।