হরতালে অচল উত্তর ফটিকছড়ি, দ্বিতীয় দিনেও বন্ধ মহাসড়ক, স্থবির জনজীবন
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন

হরতালে অচল উত্তর ফটিকছড়ি, দ্বিতীয় দিনেও বন্ধ মহাসড়ক, স্থবির জনজীবন

হরতালে অচল উত্তর ফটিকছড়ি, দ্বিতীয় দিনেও বন্ধ মহাসড়ক, স্থবির জনজীবন
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে ডাকা ৪৮ ঘণ্টার হরতালের দ্বিতীয় দিনেও ঢাকা-খাগড়াছড়ি মহাসড়কের ফটিকছড়ি অংশসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল কার্যত বন্ধ রয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) ভোর থেকে আন্দোলনকারীদের সড়ক অবরোধের কারণে উত্তর উপজেলার দাঁতমারা, বাগানবাজার ও নারায়নহাট ইউনিয়নে জনজীবন প্রায় অচল হয়ে পড়ে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী, পরিবহনশ্রমিক ও সাধারণ মানুষ।

ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের ডাকা এই ৪৮ ঘণ্টার হরতাল রোববার সকাল ৮টায় শুরু হয়। প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। ফলে টানা দুই দিন ধরে উত্তরাঞ্চলের তিন ইউনিয়নে স্বাভাবিক জনজীবন ও যোগাযোগব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকেই বালুটিলা, সোনাইপুল ও নারায়নহাট এলাকায় সড়কে গাছ ফেলে অবরোধ সৃষ্টি করা হয়। এতে ঢাকা-খাগড়াছড়ি মহাসড়কের ফটিকছড়ি অংশসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। দাঁতমারা, শান্তিরহাট, হোঁয়াকো/হেঁয়াকো, চিকনছড়া ও বাগানবাজার এলাকার অধিকাংশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ রয়েছে। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান, ফার্মেসি ও ক্লিনিক সীমিত পরিসরে খোলা থাকায় জরুরি সেবা কার্যক্রম চালু রয়েছে।

হরতালের কারণে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় অনেককে দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (দুপুর ১২টা) কোথাও ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, সংঘর্ষ বা আটকের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়ে মোড়ে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে।

আন্দোলনকারী কে এফ সাইমুন বলেন, “জালিয়াতির মাধ্যমে সদর দপ্তর ভুজপুর মৌজায় নেওয়া হয়েছে। মাত্র কয়েক কিলোমিটারের ব্যবধানে দুটি উপজেলা সদর রাখার কোনো যৌক্তিকতা নেই। এতে নতুন উপজেলা গঠনের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে।”

বালুটিলা এলাকায় আন্দোলনকারী শাহাদাত হোসেন বলেন, “এটি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর আন্দোলন নয়; এটি উত্তর ফটিকছড়ির সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকারের আন্দোলন। আমরা যৌক্তিক স্থানে উপজেলা সদর দপ্তর চাই। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।”

ভুজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, “পরিস্থিতি আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে রয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।”




উত্তর ফটিকছড়িতে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল ৬ ঘণ্টা শিথিল

উত্তর ফটিকছড়িতে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল ৬ ঘণ্টা শিথিল
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে ডাকা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল নির্ধারিত সময়ের ছয় ঘণ্টা আগেই সমাপ্তির ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

সোমবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার হেয়াকো বাজার চত্বরে আয়োজিত সমাবেশে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক রকিবুল আলম চৌধুরী পিটু এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, “জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি ছয় ঘণ্টা কমিয়ে সোমবার রাত ১২টায় শেষ করা হবে।”

রকিবুল আলম চৌধুরী পিটু বলেন, “আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। আগামী শনিবার তিন ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে হেয়াকোতে জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ওই সমাবেশ থেকেই হরতালসহ আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”

এর আগে সোমবার ভোর থেকে হরতালের দ্বিতীয় দিনে ঢাকা-খাগড়াছড়ি মহাসড়কের ফটিকছড়ি অংশসহ উপজেলার বিভিন্ন আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধ থাকে অধিকাংশ দোকানপাট ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী, পরিবহনশ্রমিক ও সাধারণ মানুষ।

ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল রোববার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়। প্রথম দিনে উত্তর উপজেলার দাঁতমারা, বাগানবাজার ও নারায়ণহাট ইউনিয়নে সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়। দ্বিতীয় দিনেও এই তিন ইউনিয়নে হরতালের প্রভাব অব্যাহত ছিল। ফলে দুই দিন ধরেই এসব এলাকায় যান চলাচল ও স্বাভাবিক জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকেই বালুটিলা, সোনাইপুল ও নারায়ণহাট এলাকায় সড়কে গাছ ফেলে অবরোধ সৃষ্টি করা হয়। এতে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ে। পাশাপাশি দাঁতমারা, শান্তিরহাট, হেয়াকো, চিকনছড়া ও বাগানবাজার এলাকার অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ ছিল। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান, ফার্মেসি ও ক্লিনিক খোলা থাকায় সীমিত পরিসরে কিছু কার্যক্রম চলতে দেখা যায়। হরতালের কারণে অফিসগামী চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েন। সড়কে যানবাহন না থাকায় অনেককে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়।

ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের সমন্বয়ক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান একরামুল হক বাবুল বলেন, “সদর দপ্তর নির্ধারণের ক্ষেত্রে জনমত ও বাস্তবতা উপেক্ষা করে ভূজপুর মৌজাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এত অল্প দূরত্বে দুটি উপজেলা সদর স্থাপনের সিদ্ধান্ত নতুন উপজেলা গঠনের উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আমরা যৌক্তিক স্থানে সদর দপ্তর স্থাপনের দাবি জানাচ্ছি।”

আন্দোলনকারী মনির হায়দার বলেন, “এই আন্দোলন কোনো ব্যক্তি বা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়; এটি উত্তর ফটিকছড়ির সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। যৌক্তিক স্থানে উপজেলা সদর দপ্তর স্থাপন না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।”

ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, “পরিস্থিতি আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে রয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। হরতাল চলাকালে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।”




ফটিকছড়ি উত্তর সদর দপ্তর ইস্যুতে ভূজপুরে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ

ফটিকছড়ি উত্তর সদর দপ্তর ইস্যুতে ভূজপুরে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ
ছবি সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর পশ্চিম ভূজপুর মৌজায় নির্ধারণের সরকারি ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপজেলার ভূজপুর, হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন এবং সুয়াবিল ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের একাংশের বাসিন্দারা অংশ নেন।

রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে ভূজপুর ন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত সমাবেশে দুই ইউনিয়ন ও সুয়াবিল, নারায়ণহাটের একাংশের বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে একটি আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি কাজিরহাট বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে হরিনাখুল এইচএফ কনভেনশন হলের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। পরে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা জুনায়েদ বিন জালাল।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকারি গেজেটে নির্ধারিত পশ্চিম ভূজপুর মৌজাতেই উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর স্থাপনের সিদ্ধান্তকে তারা স্বাগত জানান।

তাদের মতে, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবসম্মত এবং এর ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। পাশাপাশি উত্তর ফটিকছড়ির সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

সুয়াবিল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এয়াকুব শহীদ আনন্দ মিছিলে অংশগ্রহণকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

নারায়ণহাট ইউনিয়নের বাসিন্দা জহির উদ্দিন বাবর বলেন, উপজেলা আলাদা হয়েছে, এতেই আমরা খুশি। সদর দপ্তর কোথায় হবে, সেটি বড় বিষয় নয়। নতুন উপজেলার মাধ্যমে মানুষ যে সরকারি সুবিধা পাবে, সেটিই আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। 
হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরী বলেন, উপজেলা পরিষদে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষকে খুব বেশি যেতে হয় না। বর্তমানে সড়ক উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতা এবং বিভিন্ন সরকারি সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে।

ভূজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এএইচএম শাহজাহান চৌধুরী শিপন বলেন, সরকার সব দিক বিবেচনা করেই পশ্চিম ভূজপুর মৌজায় উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর নির্ধারণ করেছে। সেখানে ইতোমধ্যে থানা ভবনসহ প্রশাসনিক বিভিন্ন অবকাঠামো রয়েছে। এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে উত্তর ফটিকছড়ির উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে আমরা আশা করি।




উত্তর ফটিকছড়িতে ৪৮ ঘন্টা হরতাল, বন্ধ যান চলাচল ও দোকানপাট

উত্তর ফটিকছড়িতে ৪৮ ঘন্টা হরতাল, বন্ধ যান চলাচল ও দোকানপাট
ছবি সংগৃহীত।

নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে ঘোষিত ৪৮ ঘণ্টার হরতাল রোববার সকাল থেকে উত্তর ফটিকছড়ির দাঁতমারা, বাগানবাজার ও নারায়ণহাট ইউনিয়নে শুরু হয়েছে। হরতালের কারণে দোকানপাট ও যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ রয়েছে। এতে সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা দুর্ভোগে পড়েছেন।

রোববার সকালে গহিরা–হেয়াকো সড়ক ও ফেনী–খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল কার্যত বন্ধ দেখা যায়। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে হরতাল সমর্থকদের অবস্থান, পিকেটিং, বিক্ষোভ ও মিছিল করতে দেখা গেছে। বালুটিলা, চিকনছড়া, গার্ডের দোকান, হেয়াঁকো, দাঁতমারা, শান্তিরহাট ও নারায়ণহাট এলাকায় কর্মসূচি পালন করা হয়।

শান্তিরহাট ও দাঁতমারা বাজার এলাকায় যান চলাচল বন্ধ থাকায় আন্দোলনকারীদের সড়কে ফুটবল ও ক্রিকেট খেলতেও দেখা যায়।

তবে হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি সেবার যানবাহন এবং চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতে কোনো বাধা দেওয়া হয়নি। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদের সমন্বয়ক শফিউল আজম ও নুরুল আমিন আজাদ বলেন, উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর ন্যায্য ও যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। দাবি বাস্তবায়ন না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে জানান, হরতালকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।