সোনার দাম ভরিতে একলাফে বাড়ল ৯,৮৫৬ টাকা
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন

সোনার দাম ভরিতে একলাফে বাড়ল ৯,৮৫৬ টাকা

সোনার দাম ভরিতে একলাফে বাড়ল ৯,৮৫৬ টাকা
ছবি সংগৃহীত।

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে সোনার এই নতুন দাম কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। বুধবার (৫ আগস্ট) পর্যন্ত এর দাম ছিল ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা।

​সোনার দামের সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার নতুন দাম ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা।




বাংলা কিউআর ব্যবহারে চাঁদাবাজি ও জাল নোটের ঝুঁকি কমবে : গভর্নর

বাংলা কিউআর ব্যবহারে চাঁদাবাজি ও জাল নোটের ঝুঁকি কমবে : গভর্নর
ছবি সংগৃহীত।

বাংলা কিউআর ব্যবহারের মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানো গেলে চাঁদাবাজি ও জাল নোটের ঝুঁকি কমার পাশাপাশি নগদ টাকা পরিবহনের ঝুঁকিও কমবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

শনিবার (৮ আগস্ট) চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু হোটেলে বাংলা কিউআর লেনদেন বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক অর্থ সংস্থার (আইএফসি) মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় পরিচালিত ‘ক্যাশলেস ডিজিটাল বাংলাদেশ’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে ২০ জন নারী মার্চেন্টসহ প্রায় ১২০ জন বাংলা কিউআর ব্যবহারকারী মার্চেন্ট অংশ নেন।

গভর্নর বলেন, বর্তমানে দেশে মাসে এক কোটি লেনদেন হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের মধ্যে দৈনিক এক কোটি লেনদেনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তিনি বলেন, বর্তমানে ছয় কোটি মানুষ বাটন ফোন ব্যবহার করেন। তাদের হাতে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ও ইন্টারনেট সুবিধা না থাকাকে ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানোর ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। গ্রাহকদের স্বল্পমূল্যে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল সরবরাহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলছে।

মোস্তাকুর রহমান বলেন, ডিজিটাল পেমেন্ট নিশ্চিত হলে ব্যবসায়ীরা কর্মচারীদের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন। এতে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে, জাল নোটের ঝুঁকি কমবে এবং নগদ টাকা পরিবহনের ঝুঁকি হ্রাস পাবে।

তিনি আরও বলেন, টাকা ছাপাতে বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। ডিজিটাল মাধ্যমে লেনদেন বাড়ানো গেলে এই ব্যয় সাশ্রয় করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহাম্মদ বলেন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ বিনির্মাণে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তিমূলক পেমেন্ট ব্যবস্থা প্রয়োজন। বাংলা কিউআর এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে ২৪ লাখ মার্চেন্ট বাংলা কিউআর ব্যবহার করছেন। প্রতিদিন প্রায় দুই লাখ লেনদেন হচ্ছে, যার আর্থিক পরিমাণ প্রায় ৫০ কোটি টাকা। কর ও মোট দেশজ উৎপাদনের অনুপাত বাড়াতেও বাংলা কিউআরের মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আন্তর্জাতিক অর্থ সংস্থার (আইএফসি) প্রতিনিধি হাসান শাহরিয়ার বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ছিল মাসে ২০ লাখ লেনদেন। বর্তমানে মাসে এক কোটি লেনদেন হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি সাড়া পাচ্ছি। বাংলাদেশে ডিজিটাল লেনদেনের অগ্রযাত্রায় আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগের নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম অফিসের নির্বাহী পরিচালক মো. হানিফ মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় বাংলা কিউআরের ব্যবহার পদ্ধতি, সুবিধা, প্রয়োজনীয়তা ও সচেতনতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগ-১-এর অতিরিক্ত পরিচালক মো. পারওয়েজ আনজাম মুনির, যুগ্মপরিচালক জুয়েল মজুমদার ও মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন তিনটি অধিবেশন পরিচালনা করেন।

পরে বাংলা কিউআর ব্যবহারের অভিজ্ঞতা, আন্তঃসীমান্ত লেনদেন ব্যবস্থা চালু, লেনদেনের খরচ কমানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে মার্চেন্টদের প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেন গভর্নর।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম অফিসের পরিচালক (প্রশাসন) স্বরূপ কুমার চৌধুরী, পরিচালক (পরিদর্শন) মো. নুরুল আলম, পরিচালক (ব্যাংকিং) ইয়াসমিন রহমান বুলা, পরিচালক (বৈদেশিক মুদ্রা) মাহবুবুল রহমানসহ বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলা কিউআর বাস্তবায়ন ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




সোনার দাম ভরিতে কমলো ৩ হাজার ২৬৬ টাকা

সোনার দাম ভরিতে কমলো ৩ হাজার ২৬৬ টাকা
ছবি সংগৃহীত।

​দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। গতকাল একদিনে ভরিতে বাড়িয়েছিল ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা।

​শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে সোনার এই নতুন দাম কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৩৪২ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৩৭৪ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪৮ টাকা।

​সোনার দাম কমানো হলেও অপরিবর্তিত আছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা।




রপ্তানি আয়ে পতন দিয়ে শুরু নতুন অর্থবছর

রপ্তানি আয়ে পতন দিয়ে শুরু নতুন অর্থবছর
ছবি সংগৃহীত।

রপ্তানি আয়ে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি নিয়ে শুরু হলো বাংলাদেশের নতুন অর্থবছর। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ কমে ৪ দশমিক ৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বাংলাদেশ মোট ৪ দশমিক ৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। আগের অর্থবছরের একই মাসে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় কমেছে শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ।

দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক (আরএমজি) শিল্পেও মন্দা দেখা গেছে। জুলাই মাসে এ খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৫ সালের জুলাইয়ের ৩ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কম।

এর মধ্যে নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের ১ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ কম। অন্যদিকে, ওভেন পোশাক রপ্তানি ৩ দশমিক ১৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলারে।