শিশু নিখোঁজ হলেই দেশজুড়ে বাজবে ‘মুন অ্যালার্ট’, চালু হলো হেল্পলাইন ১৩২১৯
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন

শিশু নিখোঁজ হলেই দেশজুড়ে বাজবে ‘মুন অ্যালার্ট’, চালু হলো হেল্পলাইন ১৩২১৯

শিশু নিখোঁজ হলেই দেশজুড়ে বাজবে ‘মুন অ্যালার্ট’, চালু হলো হেল্পলাইন ১৩২১৯
ছবি সংগৃহীত।

নিখোঁজ বা অপহৃত শিশুদের দ্রুত উদ্ধারে দেশে প্রথমবারের মতো চালু হলো জাতীয় জরুরি সতর্কতা ব্যবস্থা ‘মুন অ্যালার্ট’ (Moon Alert) । এই ব্যবস্থার অধীনে শিশুদের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে ছড়িয়ে দিতে একটি টোল ফ্রি হেল্পলাইন ‘১৩২১৯’ চালু করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর মালিবাগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) সদর দপ্তরে এই বিশেষ সেবা ও ‘মিসিং আর্জেন্ট নোটিফিকেশন’ (MUN) ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ।

সিআইডি জানায়, কোনো শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর প্রথম তিন ঘণ্টাকে ‘গোল্ডেন আওয়ার’ হিসেবে বিবেচনা করে এই অ্যালার্ট কাজ করবে। সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিখোঁজ শিশুর তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (ফেসবুক ও এক্স), এটিএম বুথ, মেট্রোরেল স্টেশন, বাস, ট্রেন ও লঞ্চ টার্মিনালের জায়ান্ট স্ক্রিনে পৌঁছে যাবে। এমনকি সীমান্ত দিয়ে পাচার রোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকেও (বিজিবি) তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা পাঠানো হবে।

সিআইডি প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহ বলেন, “শিশু সুরক্ষায় এই সমন্বিত উদ্যোগে সরকারের প্রায় সব অংশীজন যুক্ত থাকবে। এছাড়া কোনো শিশুর অশ্লীল বা যৌন নির্যাতনের ছবি মোবাইলে ধারণ করা মাত্রই সেই তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিআইডির সার্ভারে পৌঁছে যাবে।” তিনি শিশু সুরক্ষায় সাধারণ মানুষকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নভেম্বরে সিলেটের কানাইঘাটে নিখোঁজ হওয়ার সাত দিন পর শিশু মুনতাহা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মর্মান্তিক সেই ঘটনার প্রেক্ষাপটে শিশু মুনতাহার স্মৃতিকে উৎসর্গ করেই এই ‘মুন অ্যালার্ট’ নামকরণ করা হয়েছে। সিআইডি ও ‘অ্যাম্বার অ্যালার্ট ফর বাংলাদেশ’-এর যৌথ উদ্যোগে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগের পরিচালক মো. নুরাননবী, অ্যাম্বার অ্যালার্ট ফর বাংলাদেশের আহ্বায়ক সাদাত রহমান, সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাশরুর আরেফিন এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মোহা. কামরুজ্জামান।




বাসে কিলোমিটারে ২০ পয়সা ভাড়া বাড়তে পারে

বাসে কিলোমিটারে ২০ পয়সা ভাড়া বাড়তে পারে
ছবি সংগৃহীত।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর বাসের ভাড়া সমন্বয়ের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)। নতুন প্রস্তাবে সিটি সার্ভিস ও দূরপাল্লার বাস— উভয় ক্ষেত্রেই কিলোমিটারপ্রতি ২০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সর্বনিম্ন ভাড়াৃ বাসে ১০ টাকা ও মিনিবাসে ৮ টাকা অপরিবর্তিত রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিআরটিএর বনানী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ভাড়া সমন্বয় কমিটির বৈঠকে ভাড়া পুনর্নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা ও সুপারিশ করা হয়।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির অতিরিক্ত মহাসচিব এএসএম আহমেদ খোকন বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কিলোমিটারপ্রতি ২০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রস্তাব অনুযায়ী আন্তঃজেলা বাসের ভাড়া কিলোমিটার প্রতি ২ টাকা ২৩ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৪৩ পয়সা এবং নগর বাসের ভাড়া ২ টাকা ৫৩ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৭৩ পয়সা হবে। আমরা আমাদের প্রস্তাব বিআরটিএর কাছে দিয়েছি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য বিআরটিএ এটি মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে।

বৈঠকে থাকা কমিটির একজন সদস্যও জানান, সিটি সার্ভিস ও দূরপাল্লার বাসে কিলোমিটারপ্রতি ২০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। তবে সর্বনিম্ন ভাড়া আগের মতোই রাখার প্রস্তাব রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, পরিবহন মালিকেরা ভাড়া আরও বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের পক্ষ থেকে কিলোমিটারপ্রতি অন্তত ৪০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব ছিল। তবে কমিটির আলোচনায় এর চেয়ে কম হারে, অর্থাৎ ২০ পয়সা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

এখন বিআরটিএর পক্ষ থেকে সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবারের মধ্যে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।

গত রোববার রাতে সরকার চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। প্রতিটি জ্বালানির দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। এতে ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ থেকে ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ থেকে ১৬৫ টাকা এবং পেট্রল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা হয়েছে। নতুন দর সোমবার থেকে কার্যকর হয়েছে।

গণপরিবহনের বড় একটি অংশ ডিজেলচালিত। ফলে ডিজেলের দাম এক লাফে ২০ টাকা বাড়ায় বাস পরিচালনার খরচও বেড়েছে। এই বাড়তি ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে নতুন করে ভাড়া নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে জ্বালানি খরচের পাশাপাশি বাস পরিচালনার অন্যান্য ব্যয়ও হিসাবের মধ্যে রাখা হয়েছে।

এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলেও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর বাসের ভাড়া সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বেড়ে ১১৫ টাকা হয়। ২৩ এপ্রিলের প্রজ্ঞাপনে দূরপাল্লার বাসের ভাড়া কিলোমিটার প্রতি ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ২৩ পয়সা করা হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরের বাসে ২ টাকা ৪২ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫৩ পয়সা এবং ডিটিসিএ এলাকার মিনিবাসে ২ টাকা ৩২ পয়সা থেকে ২ টাকা ৪৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।

এর আগে ২০২২ সালের আগস্টে ডিজেলের দাম ৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৪ টাকা করা হয়েছিল। তখন দূরপাল্লার বাসের ভাড়া কিলোমিটার প্রতি ৪০ পয়সা এবং মহানগরের বাসে ৩৫ পয়সা বাড়ানো হয়। পরে ডিজেলের দাম ৫ টাকা কমানো হলে ওই বছরের ৩১ আগস্ট দূরপাল্লার বাসের ভাড়া ২ টাকা ২০ পয়সা থেকে কমিয়ে ২ টাকা ১৫ পয়সা এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরের বাসের ভাড়া ২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ২ টাকা ৪৫ পয়সা করা হয়েছিল।

২০২৪ সালের এপ্রিলে ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ৩ টাকা কমার পরও ভাড়া সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তখন দূরপাল্লা ও মহানগরের ডিজেলচালিত বাসের ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ৩ পয়সা কমানোর সুপারিশ করেছিল বিআরটিএ।




জ্বালানি তেল দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে কোনো বিকল্প ছিল না : প্রতিমন্ত্রী

জ্বালানি তেল দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে কোনো বিকল্প ছিল না : প্রতিমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে কোনো বিকল্প ছিল না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

দাম বাড়ানোর কারণে জনগণের যে কষ্ট হবে, তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে অব্যাহতভাবে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সংকট প্রতিদিন নতুন মাত্রায় আমাদের সামনে আবির্ভূত হচ্ছে। এর ফলশ্রুতিতে বিমার প্রিমিয়াম ও জাহাজ ভাড়া বাড়ছে। এ অবস্থায় জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের পক্ষে এ মুহূর্তে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এরকম একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত কঠিন। জনগণের জীবনমানের কষ্ট লাঘবের অভিপ্রায়ে রাজনীতিতে এসেছি। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে জনগণের যে কষ্ট হবে, এটি আমি উপলব্ধি করি।

তিনি বলেন, সরকার উপায়হীন না হলে এমন অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিতে চাইতো না। তবে চলমান সংকট দ্রুত কেটে যাবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জ্বালানি তেলের দাম আবারও সমন্বয় করে আগের পর্যায়ে বা তার চেয়েও কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।




সমাজের পচন ও নৈতিক অবক্ষয় বহু বছর ধরে শুরু হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সমাজের পচন ও নৈতিক অবক্ষয় বহু বছর ধরে শুরু হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

সমাজের পচন ও নৈতিক অবক্ষয় বহু বছর ধরে শুরু হয়েছে এবং এর বিভিন্ন লক্ষণও দেখা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমাজের সব সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, কুমিল্লার ঘটনা মর্মান্তিক। সারাদেশবাসী এতে মর্মাহত। তার (নিহত অপ্রতীম) বয়স সম্ভবত ১৩ বছর। সে নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর ১২ ঘণ্টার মধ্যে সন্দেহভাজন আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা যে অপরাধী, সেটাও স্বীকার করেছে। এটার আইনানুগ কার্যক্রম চলমান।

তিনি বলেন, অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা অনেকটা কিশোর অপরাধীর মতো। তাদের বয়স নিহত কিশোরের চেয়ে পাঁচ থেকে ১০ বছর বেশি। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি কিছু আলামতও পাওয়া গেছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে দাফন করা হয়েছে।

পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখানে আমরা পুলিশের প্রশংসা করতে পারি যে তারা ১২ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। ফরেনসিক অ্যানালাইসিস করা হচ্ছে। পোস্টমর্টেম করে তার দাফন হয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডের মতো কুমিল্লার এই হত্যাকাণ্ডের বিচারও দ্রুত শেষ হবে। বিচার বিভাগ মামলাটিকে রামিসা হত্যা মামলার মতো গুরুত্ব দিয়ে দেখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধ কেন সংঘটিত হচ্ছে, তার পেছনে তাকালে অনেক ক্ষেত্রে মাদক ও জুয়ার সংশ্লিষ্টতা দেখা যায়। এ সমস্যা সমাধানে মোটিভেশনাল কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। স্কুলের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে, যাতে তারা সঠিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, সমাজের পচন ও নৈতিক অবক্ষয় বহু বছর ধরে শুরু হয়েছে এবং এর বিভিন্ন লক্ষণও দেখা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমাজের সব সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে।

তিনি বলেন, অপরাধ সংঘটিত হলে সেটার বিচার হচ্ছে কি না, এটাও দেখতে হবে। আমাদের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রতিটি জঘন্য অপরাধের দ্রুততম সময়ে উদঘাটন করতে পেরেছি। আর যেগুলো সময়সাপেক্ষ, সেগুলোর কার্যক্রম চলছে।