লামা সরকারি কলেজের ভূমি দখল ও গণমাধ্যমে অপপ্রচার করে সম্মানহানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন

লামা সরকারি কলেজের ভূমি দখল ও গণমাধ্যমে অপপ্রচার করে সম্মানহানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

লামা সরকারি কলেজের ভূমি দখল ও গণমাধ্যমে অপপ্রচার করে সম্মানহানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
ছবি সংগৃহীত।

সরকারি মাতামুহুরী কলেজ লামার জায়গা জবরদখলের চেষ্টা এবং ফেসবুক, গণমাধ্যমে কলেজের মামলা পরিচালনা কমিটির সদস্যদের ব্যক্তিগতভাবে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার করে সম্মানহানির প্রতিবাদে এক জরুরী সংবাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৫ মার্চ বুধবার দুপুরে সরকারি মাতামুহুরী কলেজের কনফারেন্স ভবনে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সুভাষ কান্তি নাথ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে বলেন,কথিত সাংবাদিক নামধারী
সুমন গং সরকারী মাতামুহরী কলেজ লামার ৩০৫নং গজালিয়া মৌজার সাপমারাঝিরি সাকিনে ১৭০নং হোল্ডিং এর জায়গায় অনাধিকার প্রবেশ করে দুইটি সাইন বোর্ড ভেঙে জোরপূর্বক একটি টিনের ঘর নির্মান করে। আসামী মোঃ সুমনসহ অজ্ঞাতনামা ২০/২২জন আসামী সরকারী মালিকানাধীন ভূমিতে অনাধিকার প্রবেশ, অবৈধ দখল, কাঠামো নির্মাণ, ক্ষতিসাধন, চুরি ও কেয়ারটেকারকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করলে বিষযটি আমি অধ্যক্ষ জানার পর তাৎক্ষণিক আইনগত প্রতিরোধ করার জন্য কযেকজন শিক্ষককে জানাই। ফলশ্রুতিতে শিক্ষকগণ ১৪/৩/২৬ ইং তারিখে ওসি লামাকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ঐদিন প্রায় ঘরটির আশি পার্সেন্ট নির্মাণ করে সুমন গং। এরপর অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভাক্রমে ১৫-৩-২৬ ইং তারিখে থানায় ফৌজদারি মামলা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ও একটি মামলা পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয। পরবর্তীতে ১৬/৩/২০২৬ ইং তারিখে কেয়ারটেকার বাদী হযে দুটি মামলা রুজু করেন। অত্যন্ত দুঃখের বিষয ১৬/৩/২০২৬ ইং তারিখে সুমন গংয়ের বিরুদ্ধে থানায় ফৌজদারী মামলা থাকার পরেও রীতিমতো নিরাপদে তার ঘরটি নির্মাণ সম্পন্ন করে ২৩/৩/২০২৬ ইং তারিখে এক মহিলাকে ঘরে তুলে দেন।

এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হযে সুমন গং ফেসবুক ও গণমাধ্যমে মামলা পরিচালনা কমিটির সদস্যদের ব্যক্তিগতভাবে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য সন্নিবেশ করে সম্মানহানি করে চলেছেন। বিশেষ করে আমাদের ইংলিশ ও অ্যাকাউন্টিং ডিপার্টমেন্টের শিক্ষক ও কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মানহানিকর প্রচারণা চালান। ফলশ্রুতিতে আমাদের অ্যাকাউন্টিং ডিপার্টমেন্টের শিক্ষক জনাব মুহাম্মদ সামশুল আলম এ বিষযে গণমাধ্যমে কথা বলেছেন এবং প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন আমরা আশা করছি এই নিন্দনীয় ঘটনা আপনারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সত্য ও প্রকৃত ঘটনা সুন্দরভাবে তুলে ধরবেন যাতে করে লামার গণমানুষের সরকারি সম্পত্তি দখলদার বাহিনী থেকে উদ্ধার হয় এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী তার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার মাধ্যমে সরকারি ভূমির মালিকানাস্বত্ব রক্ষা করেন।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন,বান্দরবান জেলা বিএনপি'র যুগ্ম-আহবায়ক ও সাবেক মেয়র মোঃ আমির হোসেন, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আবু তাহের মিয়া, বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী লামা উপজেলা শাখার আমির কাজী মোঃ ইব্রাহীম,যুবনেতা দেলোয়ার হোসেন রফিক সহ কলেজের অন্যান্য শিক্ষক, স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী,স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন।




কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল

কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়ায় এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাত দলের রড ও দা'র উল্টো পিঠের আঘাতে আহত হন কৃষক মো. ইসমাঈল (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী।

বুধবার (২২ জুলাই) গভীর রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের শহরআলীর চর গ্রামের মোহাম্মদ ইসমাইলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ৭-৮ জন ডাকাত অংশ নেয়।

তারা কৃষক ইসমাঈলের বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ১৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে। এমনকি কৃষককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁর কোলের শিশুকে বিছানায় শুইয়ে জবাই করতেও উদ্যত হয় ডাকাত দল। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কৃষক ইসমাঈল এ প্রতিবেদকের কাছে অকপটে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বাড়ির সবকিছু লুট করে চলে যাওয়ার সময় ডাকাতদল তাঁর বাড়ি থেকে ৩০ ফুট দূরে গিয়ে পরপর দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

ইসমাইল আক্ষেপ করে বলেন, তাঁদের এলাকায় পুলিশ কখনো টহল দেয় না। যদি মাঝে মাঝে পুলিশি টহল থাকত, তবে ডাকাত দল অস্ত্র নিয়ে তাঁর বাড়িতে ডাকাতি করার সাহস পেত না। তিনি এখন নিঃস্ব।

বর্তমানে এই ইউনিয়নের শহরআলীর চর, নাপিতের চর, ডেইংগার চর, ডাকভাঙ্গা ও আশপাশের মানুষ চরম আতঙ্কে রয়েছে।




লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা

লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় বোনের পালিয়ে বিয়ের খবর সহ্য করতে না পেরে মো. হাসান (২৫) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে লামা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান পাড়াস্থিত একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. হাসান পটিয়া থানার কোলাগাঁও টেক (চর কানাই, ছবুর মার্কেট) এলাকার মনো মিয়ার ছেলে এবং মো. সোলাইমানের পালক পুত্র। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সাথে লামা পৌরসভার চেয়ারম্যান পাড়ার আনোয়ারা বেগমের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত হাসানের ছোট বোন মেহেরুন্নেসা (২০) পরিবারের অজান্তে স্থানীয় সাকিব নামের এক যুবকের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। ছোট বোনের এমন কাণ্ড মেনে নিতে না পেরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিমানে হাসান নিজ বসতঘরের বাঁশের আড়ার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

খবর পেয়ে লামা থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল কবির সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ মরহুমের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

এ বিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কায়ছার হামিদ জানান, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”




নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিপুল পরিমাণ টাকাসহ ২ চোরাকারবারিকে আটক করেছে বিজিবি। এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোজাম্মেল হক।

বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে আটকের পর তাদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২ জনকে থানায় সোপর্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— ছুরত আলম (৩২) ও আমানুল্লাহ (৪০)। তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

সূত্র আরও জানায়, আটক ব্যক্তিদের সীমান্তের ৫০ নম্বর পিলার এলাকা থেকে আটক করেছে ১১ বিজিবির আওতাধীন লেবুছড়ি বিওপির জওয়ানেরা।

১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “বিজিবি সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী। যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড বিজিবি কঠোর হস্তে দমন করবে। এতে ছাড় দেওয়া হবে না।”