লামায় ‘পর্যটন ও নিরাপত্তা’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন

লামায় ‘পর্যটন ও নিরাপত্তা’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

লামায় ‘পর্যটন ও নিরাপত্তা’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামায় পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমাদের করণীয় শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।৭মে(বৃহস্পতিবার)সকাল ১০ টায় লামা থানা পুলিশের আয়োজনে থানা মিলনায়তনে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

​লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলার পুলিশ সুপার মোঃ আব্দুর রহমান।
প্রধান অতিথি মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে পর্যটন ও নিরাপত্তার ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, "পর্যটন নগরী বান্দরবানের অন্যতম প্রবেশদ্বার লামা এখানে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে স্থানীয় অর্থনীতির আমূল পরিবর্তন সম্ভব।"

​সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,​উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ মঈন উদ্দিন।
​সহকারী পুলিশ সুপার (লামা সার্কেল) মাসুম সর্দার।​বান্দরবান জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক মেয়র আমির হোসেন।
​সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবু তাহের মিয়া।​লামা রিসোর্ট মালিক সমিতির আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন রফিক সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

​বক্তারা লামার পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

​সেমিনার শেষে দুপুর ১২টায় সময় এক মানবিক উদ্যোগের প্রতিফলন ঘটে। গত এক মাসে লামা থানা পুলিশ বিভিন্ন এলাকা থেকে উদ্ধার করা ১৫টি দামী মোবাইল ফোন তাদের প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেয়।
​পুলিশ সুপার মোঃ আব্দুর রহমান নিজ হাতে ফোনগুলো মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেন। হারানো ফোন ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মালিকরা। তারা পুলিশ প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

​মোবাইল হস্তান্তরকালে পুলিশ সুপার জানান, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং পুলিশের তৎপরতায় এই মোবাইলগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। জননিরাপত্তা রক্ষায় এবং সাধারণ মানুষের সেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে জেলা পুলিশ সবসময় কাজ করে যাচ্ছে।




কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল

কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়ায় এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাত দলের রড ও দা'র উল্টো পিঠের আঘাতে আহত হন কৃষক মো. ইসমাঈল (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী।

বুধবার (২২ জুলাই) গভীর রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের শহরআলীর চর গ্রামের মোহাম্মদ ইসমাইলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ৭-৮ জন ডাকাত অংশ নেয়।

তারা কৃষক ইসমাঈলের বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ১৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে। এমনকি কৃষককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁর কোলের শিশুকে বিছানায় শুইয়ে জবাই করতেও উদ্যত হয় ডাকাত দল। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কৃষক ইসমাঈল এ প্রতিবেদকের কাছে অকপটে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বাড়ির সবকিছু লুট করে চলে যাওয়ার সময় ডাকাতদল তাঁর বাড়ি থেকে ৩০ ফুট দূরে গিয়ে পরপর দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

ইসমাইল আক্ষেপ করে বলেন, তাঁদের এলাকায় পুলিশ কখনো টহল দেয় না। যদি মাঝে মাঝে পুলিশি টহল থাকত, তবে ডাকাত দল অস্ত্র নিয়ে তাঁর বাড়িতে ডাকাতি করার সাহস পেত না। তিনি এখন নিঃস্ব।

বর্তমানে এই ইউনিয়নের শহরআলীর চর, নাপিতের চর, ডেইংগার চর, ডাকভাঙ্গা ও আশপাশের মানুষ চরম আতঙ্কে রয়েছে।




লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা

লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় বোনের পালিয়ে বিয়ের খবর সহ্য করতে না পেরে মো. হাসান (২৫) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে লামা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান পাড়াস্থিত একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. হাসান পটিয়া থানার কোলাগাঁও টেক (চর কানাই, ছবুর মার্কেট) এলাকার মনো মিয়ার ছেলে এবং মো. সোলাইমানের পালক পুত্র। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সাথে লামা পৌরসভার চেয়ারম্যান পাড়ার আনোয়ারা বেগমের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত হাসানের ছোট বোন মেহেরুন্নেসা (২০) পরিবারের অজান্তে স্থানীয় সাকিব নামের এক যুবকের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। ছোট বোনের এমন কাণ্ড মেনে নিতে না পেরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিমানে হাসান নিজ বসতঘরের বাঁশের আড়ার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

খবর পেয়ে লামা থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল কবির সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ মরহুমের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

এ বিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কায়ছার হামিদ জানান, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”




নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিপুল পরিমাণ টাকাসহ ২ চোরাকারবারিকে আটক করেছে বিজিবি। এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোজাম্মেল হক।

বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে আটকের পর তাদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২ জনকে থানায় সোপর্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— ছুরত আলম (৩২) ও আমানুল্লাহ (৪০)। তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

সূত্র আরও জানায়, আটক ব্যক্তিদের সীমান্তের ৫০ নম্বর পিলার এলাকা থেকে আটক করেছে ১১ বিজিবির আওতাধীন লেবুছড়ি বিওপির জওয়ানেরা।

১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “বিজিবি সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী। যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড বিজিবি কঠোর হস্তে দমন করবে। এতে ছাড় দেওয়া হবে না।”