লামায় ৬০ বছরের ভোগদখলে থাকা বসতভিটা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন

লামায় ৬০ বছরের ভোগদখলে থাকা বসতভিটা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ

লামায় ৬০ বছরের ভোগদখলে থাকা বসতভিটা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান পাড়ায় প্রায় ৬০ বছরের বেশি সময় ধরে ভোগদখলে থাকা একটি বসতভিটা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, তারা পূর্বে যৌথ পরিবার হিসেবে একই বসতভিটায় বসবাস করতেন। পরবর্তীতে আলাদা হয়ে গেলেও সবাই নিজ নিজ অংশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন।
বড় বোন শহর বানু বেগম (৭০)কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন ছোট ভাই মৃত নবি হোসেন এবং সর্বকনিষ্ঠ ভাই মো.শফি আলম।জীবিত অবস্থায় মৃত নবি হোসেন কৌশলে জমির কাগজপত্র নিজের নামে করে নেন।
বর্তমানে তার উত্তরাধিকারীরা ওই জমির একক মালিকানা দাবি করে অন্য দুই ভাই-বোনকে উচ্ছেদের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেন।

শহর বানু বেগম এর বড় ছেলে বশিরুল আলম জানান,আমরা ১৯৭৫ সাল থেকে ২৯৩ নং ছাগলখাইয়া মৌজার হোল্ডিং আর/২৯০ এই বসতভিটায় বসবাস করছি আমার মামা প্রতারণার মাধ্যমে নিজের নামে জমি করে নেন মামার মৃত্যুর পর মামাত ভাইয়েরা গোপনে জমি নামজারী করার চেষ্টা করছে।আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে এবং নিজেদের বসতঘর মেরামত করতেও বাধা দিচ্ছে বৃষ্টির পানি ঘরের ভিতরে পড়লে রাতে কেউ ঘুমাতে পারছিনা। ছোট ছোট বাচ্চা ও বয়স্ক লোকজন নিয়ে রাতে বসে থাকতে হয়। যেকোনো সময় এই ঘর গুলো ভেঙ্গে পড়ার সম্ভাবনা আছে। অনেক বিচার সালিশ হয়েছে, এবং সমাধান ও দেওয়া হয়েছে এই জায়গার বিষয়ে। তারপরও তারা না মানার কারণে আজ এই পরিস্থিতি।  এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গ সমাজের মানুষ ও প্রশাসনের লোকজন এই বিষয়ে অবগত আছেন।  
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীরা সুষ্ঠু তদন্ত, হয়রানি বন্ধ এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
 




কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল

কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়ায় এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাত দলের রড ও দা'র উল্টো পিঠের আঘাতে আহত হন কৃষক মো. ইসমাঈল (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী।

বুধবার (২২ জুলাই) গভীর রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের শহরআলীর চর গ্রামের মোহাম্মদ ইসমাইলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ৭-৮ জন ডাকাত অংশ নেয়।

তারা কৃষক ইসমাঈলের বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ১৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে। এমনকি কৃষককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁর কোলের শিশুকে বিছানায় শুইয়ে জবাই করতেও উদ্যত হয় ডাকাত দল। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কৃষক ইসমাঈল এ প্রতিবেদকের কাছে অকপটে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বাড়ির সবকিছু লুট করে চলে যাওয়ার সময় ডাকাতদল তাঁর বাড়ি থেকে ৩০ ফুট দূরে গিয়ে পরপর দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

ইসমাইল আক্ষেপ করে বলেন, তাঁদের এলাকায় পুলিশ কখনো টহল দেয় না। যদি মাঝে মাঝে পুলিশি টহল থাকত, তবে ডাকাত দল অস্ত্র নিয়ে তাঁর বাড়িতে ডাকাতি করার সাহস পেত না। তিনি এখন নিঃস্ব।

বর্তমানে এই ইউনিয়নের শহরআলীর চর, নাপিতের চর, ডেইংগার চর, ডাকভাঙ্গা ও আশপাশের মানুষ চরম আতঙ্কে রয়েছে।




লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা

লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় বোনের পালিয়ে বিয়ের খবর সহ্য করতে না পেরে মো. হাসান (২৫) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে লামা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান পাড়াস্থিত একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. হাসান পটিয়া থানার কোলাগাঁও টেক (চর কানাই, ছবুর মার্কেট) এলাকার মনো মিয়ার ছেলে এবং মো. সোলাইমানের পালক পুত্র। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সাথে লামা পৌরসভার চেয়ারম্যান পাড়ার আনোয়ারা বেগমের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত হাসানের ছোট বোন মেহেরুন্নেসা (২০) পরিবারের অজান্তে স্থানীয় সাকিব নামের এক যুবকের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। ছোট বোনের এমন কাণ্ড মেনে নিতে না পেরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিমানে হাসান নিজ বসতঘরের বাঁশের আড়ার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

খবর পেয়ে লামা থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল কবির সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ মরহুমের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

এ বিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কায়ছার হামিদ জানান, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”




নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিপুল পরিমাণ টাকাসহ ২ চোরাকারবারিকে আটক করেছে বিজিবি। এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোজাম্মেল হক।

বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে আটকের পর তাদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২ জনকে থানায় সোপর্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— ছুরত আলম (৩২) ও আমানুল্লাহ (৪০)। তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

সূত্র আরও জানায়, আটক ব্যক্তিদের সীমান্তের ৫০ নম্বর পিলার এলাকা থেকে আটক করেছে ১১ বিজিবির আওতাধীন লেবুছড়ি বিওপির জওয়ানেরা।

১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “বিজিবি সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী। যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড বিজিবি কঠোর হস্তে দমন করবে। এতে ছাড় দেওয়া হবে না।”