লক্ষ্মীছড়ির মো: মোবারক হোসেন-কে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ সদস্য দেখতে চায় উপজেলাবাসী
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন

লক্ষ্মীছড়ির মো: মোবারক হোসেন-কে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ সদস্য দেখতে চায় উপজেলাবাসী

লক্ষ্মীছড়ির মো: মোবারক হোসেন-কে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ সদস্য দেখতে চায় উপজেলাবাসী
ছবি সংগৃহীত।

খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক, সাংবাদিকতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের, জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার মাধ্যমে পরিচিত মুখ মো. মোবারক হোসেন'কে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে দেখতে চাই দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা ও বিভিন্ন মহলের সমাজিক সংগঠন গুলো।
সমাজের বিভিন্ন মহলে তাকে একজন ত্যাগী, সৎ, কর্মীবান্ধব ও সমাজমুখী, একজন পেশাদার সাংবাদিক ব্যক্তি হিসেবে মূল্যায়ন করেন।
জানা যায়, নব্বইয়ের দশকের শেষদিকে বিএনপির ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। পরবর্তীতে উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সাংগঠনিক দক্ষতা, নিষ্ঠা ও তৃণমূলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে তিনি স্থানীয় নেতা-কর্মীদের কাছে আস্থার ঠিকানা হয়ে ওঠেন। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন বর্তমান সাংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়া, তিনি নিষ্ঠার সাথে সেই দায়িত্ব পালন করে আসছেন দীর্ঘ বছর ধরে এখনও পর্যন্ত।
স্থানীয়দের মতে, তিনি রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা ও তৎকালিন আওয়ামী লীগ দলের, হামলা-মামলা এবং চাপের মধ্যেও তিনি এলাকা ছাড়েননি। কঠিন সময়েও দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশে থেকে সংগঠনকে সচল রাখার চেষ্টা করেছেন। একজন দলের দায়িত্বশীল ও গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে অনেক নেতা-কর্মীকে আইনি জটিলতা থেকে সহায়তা করার ভূমিকাও রেখেছেন বলে জানান তারা।
রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও মোবারক হোসেনের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। তিনি লক্ষ্মীছড়ি প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার পাশাপাশি লক্ষীছড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়া উপজেলা সংগীত শিক্ষা, গণপাঠাগার ও বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগের সঙ্গেও তিনি বিশেষ ভাবে যুক্ত রয়েছেন।
লক্ষ্মীছড়িবাসীর অধিকাংশ মনে করেন, তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা, রাজনৈতিক, সমাজসেবার অভিজ্ঞতায়, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং উন্নয়নমুখী চিন্তাধারার কারণে তিনি জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেলে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যায় তাকে নিয়ে সর্ব মহলের মানুষজন জেলা পরিষদের সদস্য পদের দাবিতে লেখালেখি করতে এবং তিনি এখন উপজেলার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতায় আলোচনার শীর্ষে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। উপজেলা বিএনপিসহ সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা ওয়াদুদ ভূইয়ার কাছে এ বিষয়ে জোড়ালো দাবিও জানানো হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট মহলের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয়রা।




কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল

কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়ায় এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাত দলের রড ও দা'র উল্টো পিঠের আঘাতে আহত হন কৃষক মো. ইসমাঈল (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী।

বুধবার (২২ জুলাই) গভীর রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের শহরআলীর চর গ্রামের মোহাম্মদ ইসমাইলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ৭-৮ জন ডাকাত অংশ নেয়।

তারা কৃষক ইসমাঈলের বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ১৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে। এমনকি কৃষককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁর কোলের শিশুকে বিছানায় শুইয়ে জবাই করতেও উদ্যত হয় ডাকাত দল। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কৃষক ইসমাঈল এ প্রতিবেদকের কাছে অকপটে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বাড়ির সবকিছু লুট করে চলে যাওয়ার সময় ডাকাতদল তাঁর বাড়ি থেকে ৩০ ফুট দূরে গিয়ে পরপর দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

ইসমাইল আক্ষেপ করে বলেন, তাঁদের এলাকায় পুলিশ কখনো টহল দেয় না। যদি মাঝে মাঝে পুলিশি টহল থাকত, তবে ডাকাত দল অস্ত্র নিয়ে তাঁর বাড়িতে ডাকাতি করার সাহস পেত না। তিনি এখন নিঃস্ব।

বর্তমানে এই ইউনিয়নের শহরআলীর চর, নাপিতের চর, ডেইংগার চর, ডাকভাঙ্গা ও আশপাশের মানুষ চরম আতঙ্কে রয়েছে।




লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা

লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় বোনের পালিয়ে বিয়ের খবর সহ্য করতে না পেরে মো. হাসান (২৫) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে লামা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান পাড়াস্থিত একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. হাসান পটিয়া থানার কোলাগাঁও টেক (চর কানাই, ছবুর মার্কেট) এলাকার মনো মিয়ার ছেলে এবং মো. সোলাইমানের পালক পুত্র। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সাথে লামা পৌরসভার চেয়ারম্যান পাড়ার আনোয়ারা বেগমের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত হাসানের ছোট বোন মেহেরুন্নেসা (২০) পরিবারের অজান্তে স্থানীয় সাকিব নামের এক যুবকের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। ছোট বোনের এমন কাণ্ড মেনে নিতে না পেরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিমানে হাসান নিজ বসতঘরের বাঁশের আড়ার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

খবর পেয়ে লামা থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল কবির সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ মরহুমের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

এ বিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কায়ছার হামিদ জানান, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”




নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিপুল পরিমাণ টাকাসহ ২ চোরাকারবারিকে আটক করেছে বিজিবি। এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোজাম্মেল হক।

বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে আটকের পর তাদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২ জনকে থানায় সোপর্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— ছুরত আলম (৩২) ও আমানুল্লাহ (৪০)। তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

সূত্র আরও জানায়, আটক ব্যক্তিদের সীমান্তের ৫০ নম্বর পিলার এলাকা থেকে আটক করেছে ১১ বিজিবির আওতাধীন লেবুছড়ি বিওপির জওয়ানেরা।

১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “বিজিবি সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী। যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড বিজিবি কঠোর হস্তে দমন করবে। এতে ছাড় দেওয়া হবে না।”