রামগড়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন বুধবার, পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন

রামগড়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন বুধবার, পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক

রামগড়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন বুধবার, পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক
ছবি সংগৃহীত।

রামগড়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন বুধবার, পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক

মোবারক হোসেন, খাগড়াছড়ি: বিএনপি সরকারের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাবনা দেশের প্রান্তিক ও নিম্ন-আয়ের পরিবারগুলোকে সরাসরি মাসিক আর্থিক সহায়তা ও খাদ্য নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য ফ্যামিলি কার্ড (Family Card) বিতরণ কর্মসূচি।

তারই ধারাবাহিকতায় রামগড়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিকে সামনে রেখে  রামগড় উপজেলা পরিদর্শন করেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত। আগামী ১৭ জুন বুধবার দুপুরে সদর ইউনিয়নের লামকু পাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

পরিদর্শনকালে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হাসান মারুফ, রামগড় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কাজী শামীম, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আবছার, যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসেন,  মোঃ জসীম উদ্দিন, সভাপতি -রামগড় উপজেলা বিএনপি, মোঃ বাহার উদ্দিন, সভাপতি রামগড় পৌর বিএনপি, মোঃ সেফায়েত উল্ল্যাহ, সাধারণ সম্পাদক, রামগড় পৌর বিএনপি।

পরিদর্শনকালে উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে কার্যক্রমের অগ্রগতি, সুবিধাভোগীদের অভিজ্ঞতা এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি কার্যক্রমটি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করা হয়। জানাযায়, ৪৫৬ পরিবারের মাঝে এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।

উল্লেখ্য গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষকদের সুরক্ষায় ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার।  এই কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাভোগী পরিবারগুলো প্রতি মাসে আড়াই হাজার (২,৫০০) টাকা সহায়তা পেয়ে থাকেন। নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে সাধারণত পরিবারের মা বা নারী প্রধানের নামে এই কার্ড ইস্যু করা হয় এবং নগদ টাকা সরাসরি মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয় বলে জানা গেছে।




কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল

কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়ায় এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাত দলের রড ও দা'র উল্টো পিঠের আঘাতে আহত হন কৃষক মো. ইসমাঈল (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী।

বুধবার (২২ জুলাই) গভীর রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের শহরআলীর চর গ্রামের মোহাম্মদ ইসমাইলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ৭-৮ জন ডাকাত অংশ নেয়।

তারা কৃষক ইসমাঈলের বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ১৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে। এমনকি কৃষককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁর কোলের শিশুকে বিছানায় শুইয়ে জবাই করতেও উদ্যত হয় ডাকাত দল। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কৃষক ইসমাঈল এ প্রতিবেদকের কাছে অকপটে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বাড়ির সবকিছু লুট করে চলে যাওয়ার সময় ডাকাতদল তাঁর বাড়ি থেকে ৩০ ফুট দূরে গিয়ে পরপর দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

ইসমাইল আক্ষেপ করে বলেন, তাঁদের এলাকায় পুলিশ কখনো টহল দেয় না। যদি মাঝে মাঝে পুলিশি টহল থাকত, তবে ডাকাত দল অস্ত্র নিয়ে তাঁর বাড়িতে ডাকাতি করার সাহস পেত না। তিনি এখন নিঃস্ব।

বর্তমানে এই ইউনিয়নের শহরআলীর চর, নাপিতের চর, ডেইংগার চর, ডাকভাঙ্গা ও আশপাশের মানুষ চরম আতঙ্কে রয়েছে।




লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা

লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় বোনের পালিয়ে বিয়ের খবর সহ্য করতে না পেরে মো. হাসান (২৫) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে লামা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান পাড়াস্থিত একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. হাসান পটিয়া থানার কোলাগাঁও টেক (চর কানাই, ছবুর মার্কেট) এলাকার মনো মিয়ার ছেলে এবং মো. সোলাইমানের পালক পুত্র। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সাথে লামা পৌরসভার চেয়ারম্যান পাড়ার আনোয়ারা বেগমের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত হাসানের ছোট বোন মেহেরুন্নেসা (২০) পরিবারের অজান্তে স্থানীয় সাকিব নামের এক যুবকের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। ছোট বোনের এমন কাণ্ড মেনে নিতে না পেরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিমানে হাসান নিজ বসতঘরের বাঁশের আড়ার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

খবর পেয়ে লামা থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল কবির সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ মরহুমের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

এ বিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কায়ছার হামিদ জানান, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”




নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিপুল পরিমাণ টাকাসহ ২ চোরাকারবারিকে আটক করেছে বিজিবি। এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোজাম্মেল হক।

বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে আটকের পর তাদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২ জনকে থানায় সোপর্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— ছুরত আলম (৩২) ও আমানুল্লাহ (৪০)। তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

সূত্র আরও জানায়, আটক ব্যক্তিদের সীমান্তের ৫০ নম্বর পিলার এলাকা থেকে আটক করেছে ১১ বিজিবির আওতাধীন লেবুছড়ি বিওপির জওয়ানেরা।

১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “বিজিবি সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী। যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড বিজিবি কঠোর হস্তে দমন করবে। এতে ছাড় দেওয়া হবে না।”