রাঙামাটি নানিয়ারচরে দীপেন দেওয়ান নেতৃত্বে বিএনপির ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০৮ অপরাহ্ন

রাঙামাটি নানিয়ারচরে দীপেন দেওয়ান নেতৃত্বে বিএনপির ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ

রাঙামাটি নানিয়ারচরে দীপেন দেওয়ান নেতৃত্বে বিএনপির ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ
ছবি সংগৃহীত।

রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলার ঘিলাছড়ি বাজারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রণীত 'রাষ্ট্র গঠনে ৩১ দফা'-র লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৫, সকালে সাপ্তাহিক হাটে আগত সাধারণ মানুষের মাঝে এই লিফলেট বিতরণ করেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

উক্ত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মনোনীত ২৯৯ নং রাঙামাটি সংসদীয় আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। সাধারণ মানুষের হাতে হাতে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার লিফলেট তুলে দেন তিনি।

 

অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান বলেন, "তারেক রহমানের প্রস্তাবিত ৩১ দফা শুধুমাত্র রাজনৈতিক দল নয়, সমগ্র জাতির মুক্তির রূপরেখা। এই দফাগুলোর বাস্তবায়ন হলে জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে।"

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নানিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. নুরুজ্জামান। তিনি বলেন, "দেশের মানুষের অধিকার আজ বন্দী। তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই এই দেশকে আবার সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।"

 

কর্মসূচির সঞ্চালনায় ছিলেন নানিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফারুক হাওলাদার। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো, সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম পনির, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর সুমন, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মমতাজ মিয়া, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহসভাপতি আব্দুল কাদের, রাঙামাটি সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রনেল দেওয়ান, জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক শামীম মোস্তফা, সহদপ্তর সম্পাদক নাসির খান, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মো. বাচ্চু মিয়া, রাঙামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আল আমিন, সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক বাসার আজম প্রমুখ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. কবির হোসেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ আলী, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. হাসান, সদস্য সচিব মো. হেলাল উদ্দিনসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

 

লিফলেট বিতরণের সময় বাজারের বিভিন্ন দোকান, কৃষিপণ্য বিক্রেতা ও হাটে আসা সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। স্থানীয় কৃষক, শ্রমজীবী ও ব্যবসায়ীরা দীপেন দেওয়ানসহ দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও ন্যায্য অধিকার নিয়ে আলোচনা করেন।

কর্মসূচির মাধ্যমে বিএনপি নেতৃবৃন্দ জনগণের মাঝে দলের রাষ্ট্রগঠন রূপরেখা তুলে ধরেন এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে জনগণের সমর্থন আহ্বান জানান। নানিয়ারচরসহ পার্বত্য রাঙামাটির বিভিন্ন স্থানে পর্যায়ক্রমে একইভাবে এই লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।




নাইক্ষ্যংছড়িতে গভীর রাতে আগুনে পুড়ল দুই দোকান, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

নাইক্ষ্যংছড়িতে গভীর রাতে আগুনে পুড়ল দুই দোকান, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়িতে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে মালামালসহ দুটি দোকান। একই সাথে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দুটি বাসাবাড়িও। তবে অলৌকিকভাবে ও স্থানীয়দের চেষ্টায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে একটি দুগ্ধ খামার।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদরের আদর্শগ্রাম এলাকায়।

প্রত্যক্ষদর্শী সাহাবুদ্দিন জানান, তিনি ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানির একজন কর্মচারী। বৃহস্পতিবার রাত প্রায় পৌনে ৪টার দিকে (৩টা ৪০ মিনিট) হঠাৎ তাঁর ঘুম ভাঙে। তখনই আগুন দেখতে পেয়ে তিনি প্রথম ফোন দেন তাঁর বাসার পার্শ্ববর্তী দোকানদার গোলাম কিবরিয়াকে। ওই দোকান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয় এবং পরে তা পার্শ্ববর্তী হামিদ খলিফার কাপড়ের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে।

ততক্ষণে আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং নাইক্ষ্যংছড়ি ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এরই মধ্যে গোলাম কিবরিয়ার দোকানের সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা ফরিদুল আলম জানান, আগুনে গোলাম কিবরিয়ার মুদির দোকান ও হামিদ খলিফার কাপড়ের দোকানের সব মালামাল ভস্মীভূত হয়েছে। একই সাথে বাসার দুই ভাড়াটে সাহাবুদ্দিন ও চুই চা মং মারমার বাসার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় ঘটনাস্থল সংলগ্ন স্থানীয় খামারি মোহাম্মদ ইসলামের গরুর একটি বড় খামার লোকজনের সহযোগিতায় অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা পায়।

ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদার গোলাম কিবরিয়া এই প্রতিবেদককে বলেন, "আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা আমি বলতে পারছি না। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আমার দোকানের তালা খোলেন। আমার আনুমানিক ৮ থেকে ৯ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।"

অন্যদিকে হামিদ খলিফা জানান, তাঁর আনুমানিক ২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাসাবাড়ির দুই বাসিন্দাও জানান যে তাঁদেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

ঘটনার পরপরই উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।




রুমার দুর্গম পাহাড়ে যাতায়াতের দুর্ভোগ লাঘবে সেনাবাহিনীর ‘সম্প্রীতি এক্সপ্রেস’

রুমার দুর্গম পাহাড়ে যাতায়াতের দুর্ভোগ লাঘবে সেনাবাহিনীর ‘সম্প্রীতি এক্সপ্রেস’
ছবি সংগৃহীত।

১৪ পাড়ার মানুষের জন্য চাঁদের গাড়ি প্রদান, সহজ হবে রোগী ও কৃষিপণ্য পরিবহন।

বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি জনপদের মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ লাঘব এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রুমা জোন। দুর্গম এলাকার ১৪টি পাড়ার মানুষের যাতায়াত, কৃষিপণ্য পরিবহন ও জরুরি রোগী স্থানান্তরের সুবিধার্থে ‘সম্প্রীতি এক্সপ্রেস’ নামে একটি চাঁদের গাড়ি প্রদান করেছে সেনাবাহিনী।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে মুননুয়াম পাড়া আর্মি ক্যাম্পে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্থানীয় পাড়ার প্রতিনিধিদের হাতে গাড়িটির চাবি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুমা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী হাসান সরকার, এসবিপি, পিএসসি (অধিনায়ক, ৩৬ বীর)।

888791487_3332888706919059_2299780218215266615_n
 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মুননুয়াম পাড়া, আরথাহ পাড়া, বাসাত্লং পাড়া ও হ্যাপিহিল পাড়াসহ আশপাশের দুর্গম পাহাড়ি জনপদের বাসিন্দারা যোগাযোগব্যবস্থার সংকটে ভুগছিলেন। এসব এলাকায় বসবাসরত বম জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা ও ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াত, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং জরুরি চিকিৎসাসেবা গ্রহণ ছিল বেশ কষ্টসাধ্য।

বিশেষ করে রুমা থেকে মুননুয়াম পাড়া রুটে নিয়মিত কোনো যানবাহন চলাচল না করায় স্থানীয় বাসিন্দাদের অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে যাতায়াত ও কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে হতো। অসুস্থ রোগীদের জরুরি প্রয়োজনে হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রেও পড়তে হতো চরম ভোগান্তিতে। এতে সময় ও অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছিলেন পাহাড়ি জনপদের বাসিন্দারা।

এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মুননুয়াম পাড়া পরিদর্শনকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের যোগাযোগসংক্রান্ত সমস্যার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন এবং সমাধানের আশ্বাস দেন। এরই ধারাবাহিকতায় রুমা জোনের উদ্যোগে স্থানীয় জনগণের জন্য ‘সম্প্রীতি এক্সপ্রেস’ নামে চাঁদের গাড়িটি প্রদান করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গাড়িটি প্রাথমিকভাবে মুননুয়াম পাড়া, আরথাহ পাড়া, হ্যাপিহিল পাড়া ও বাসাত্লং পাড়ার বাসিন্দাদের যাতায়াত এবং পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত হবে। পাশাপাশি আশপাশের আরও ১০টি পাড়ার বাসিন্দারাও প্রয়োজন অনুযায়ী এ পরিবহনসেবা গ্রহণ করতে পারবেন। ফলে মোট ১৪টি পাড়ার মানুষ এ উদ্যোগের সুফল পাবেন।

গাড়িটি চালু হলে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে অসুস্থ রোগীদের দ্রুত রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া সহজ হবে। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনে ব্যয় ও সময় কমার পাশাপাশি স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণেও নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে, গাড়িটির সুষ্ঠু পরিচালনা, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে স্থানীয় পাড়ার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির মাধ্যমে গাড়িটির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম তদারকি করা হবে। এর ফলে ১৪টি পাড়ার মানুষ দীর্ঘমেয়াদে এ পরিবহনসেবার সুফল পাবেন বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

স্থানীয় পাড়াবাসীরা জানান, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিনের যাতায়াত সংকট নিরসনে সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগ তাঁদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে অসুস্থ রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং দৈনন্দিন প্রয়োজনে যাতায়াতের ক্ষেত্রে গাড়িটি নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। এ জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের জন্য তাঁরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও রুমা জোনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

যোগাযোগব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে পিছিয়ে থাকা পাহাড়ি জনপদের মানুষের জীবনযাত্রায় ‘সম্প্রীতি এক্সপ্রেস’ কতটা পরিবর্তন আনতে পারে, তা এখন সময়ই বলে দেবে। তবে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এ উদ্যোগ দুর্গম পাহাড়ের মানুষের যাতায়াত সংকট নিরসনের পাশাপাশি শিক্ষা, চিকিৎসা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসারেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।




নাইক্ষ্যংছড়িতে ইয়াবা বিক্রির টাকাসহ আটক ৩

নাইক্ষ্যংছড়িতে ইয়াবা বিক্রির টাকাসহ আটক ৩
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাদক বিক্রির নগদ ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকাসহ তিনজনকে আটক করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি থানা-পুলিশ। বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ব্যবসায়ীপাড়া জামে মসজিদের সামনে পাকা সড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রধানঝিরি এলাকার বাসিন্দা মো. গোলাম হোসেনের ছেলে মো. জালাল আহমেদ (৩৬), মো. সোলাইমানের ছেলে মো. নুরুল আলম (৩২) এবং মো. ছৈয়দ আকবরের ছেলে মো. ইয়াসিন উল্লাহ (২২)।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানা-পুলিশের সেকেন্ড অফিসার এসআই হাবিব রহমান খান জানান, আটক ব্যক্তিরা কক্সবাজারের রামুর মরিচ্যাবাজার এলাকার এক ব্যক্তির কাছ থেকে মাদক বিক্রির নগদ টাকা গ্রহণ করে সোনাইছড়ি হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ির দিকে আসছিলেন। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে ব্যবসায়ীপাড়া জামে মসজিদের সামনে থেকে তাদের আটক করে। অভিযানে তাদের কাছ থেকে নগদ ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

নাইক্ষ্যংছড়ির থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাম্মেল হক বলেন, মাদক কারবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নগদ অর্থ লেনদেনের তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে তিনজনকে আটক এবং নগদ ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক কারবার ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থের লেনদেন বন্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটক তিনজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরে তাদের সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।