ভুল নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কলঙ্কিত হয়েছে: নির্বাচন কমিশনার
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন

ভুল নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কলঙ্কিত হয়েছে: নির্বাচন কমিশনার

ভুল নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কলঙ্কিত হয়েছে: নির্বাচন কমিশনার
ছবি সংগৃহীত।

বিগত সময়ের নির্বাচনগুলোতে দেশের প্রায় প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কলঙ্কিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে বান্দরবান জেলা পুলিশ লাইন্সে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, "জুলাই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল দেশে প্রকৃত গণতন্ত্রের অনুপস্থিতি এবং বারবার প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন। অতীতের সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে হবে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক উত্তরণ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর হারানো ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের একটি বড় সুযোগ।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, "আইনশৃঙ্খলা রক্ষার প্রধান দায়িত্ব আপনাদের। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে। স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও দৃঢ়তা—এই তিন মূলনীতির ওপর ভিত্তি করেই আগামী নির্বাচন পরিচালিত হবে।" কোনো অবস্থাতেই নির্বাচন বিঘ্নিত বা বিতর্কিত হতে দেওয়া হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

এর আগে সকালে নির্বাচন কমিশনার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ভিজিলেন্স ও অবজারভেশন টিম এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে পৃথক সভায় অংশ নেন। জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনির সভাপতিত্বে এসব সভায় পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোহাম্মদ মাহবুবুল করিমসহ জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 




রামুর কচ্ছপিয়া-গর্জনীয়ার মানুষ পুলিশবান্ধব: মতবিনিময় সভায় ওসি মুনিরুল

রামুর কচ্ছপিয়া-গর্জনীয়ার মানুষ পুলিশবান্ধব: মতবিনিময় সভায় ওসি মুনিরুল
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ও গর্জনীয়ার লক্ষাধিক মানুষ পুলিশবান্ধব বলে মন্তব্য করেছেন রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মুনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া। তিনি বলেন, “এ কারণে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া বর্তমানে এখানে বড় ধরনের কোনো খুন-রাহাজানি নেই বললেই চলে। এখানকার মানুষ সবসময় পুলিশের পাশে রয়েছে।”

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির প্রাঙ্গণে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ওসি মুনিরুল ইসলাম আরও বলেন, “রাস্তাঘাট বেহাল থাকায় অপরাধীরা মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করলেও পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে বড় কোনো ঘটনা ঘটছে না। বর্তমান সরকার জনকল্যাণে কাজ করছে। জনগণের নিরাপত্তা রক্ষা এবং অপরাধ দমনে পুলিশ সবসময় কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পুলিশ তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে সর্বদা সচেষ্ট আছে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, পুলিশে জনবলসংকট থাকা সত্ত্বেও সদস্যরা রাতদিন নিয়মমাফিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। সীমান্ত এলাকা হওয়ায় পুলিশকে বেশ কিছু ক্ষেত্রে বাড়তি ঝুঁকিতে কাজ করতে হয়। এ ক্ষেত্রে সচেতন মহল এগিয়ে এলে পুলিশ আরও দ্রুত ও সফলভাবে কাজ করতে পারবে। তাই তিনি উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ এলাকার সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন রামু থানার সেকেন্ড অফিসার বিমল কান্তি দে, গর্জনিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আনিসুর রহমান, রামুর পূর্বসীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্কের সভাপতি ও কচ্ছপিয়া কেজি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিক মাঈনুদ্দিন খালেদ, কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছৈয়দ আলম, গর্জনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল আলিম, গর্জনিয়ার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মনিরুল আলম, কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির উপদেষ্টা দিদারুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মাইমুনুল হক মামুন, বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন টুক্কু, রামু উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব তৌহিদুল ইসলাম, গর্জনিয়ার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও সাংবাদিক হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী, কচ্ছপিয়া যুবদল নেতা দেলোয়ার হোসেন, গর্জনিয়া যুবদল সভাপতি দিদারুল আলম এবং কচ্ছপিয়া মৎস্যজীবী দলের সদস্যসচিব আবু রোবান বাপ্পি প্রমুখ।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত জ্যেষ্ঠ উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল চৌধুরী, এসআই শাহরিয়ার কালাম, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইউনুস ও এএসআই টুটুল রুদ্রসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্য।




নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির ত্রাণ সহায়তা পেল বন্যা কবলিত ৬০ পরিবার

নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির ত্রাণ সহায়তা পেল বন্যা কবলিত ৬০ পরিবার
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ভারী বর্ষণ ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত গরিব ও অসহায় জনসাধারণের মাঝে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর পক্ষ থেকে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

ভারী বর্ষণ ও দুর্যোগ মোকাবিলায় নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা ও মানবিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) টানা ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ সহায়তা দিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নে ভারী বর্ষণ ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত গরিব ও অসহায় জনসাধারণের মাঝে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য যে, এ সময় ৬০টি পরিবারের মাঝে ৬০ প্যাকেট শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। প্রতিটি প্যাকেটের মধ্যে চাল ৫ কেজি, আলু ২ কেজি, ডাল ১ কেজি, সয়াবিন তেল ১ লিটার, চিড়া ১ কেজি, পেঁয়াজ ৫০০ গ্রাম, গুড় ৫০০ গ্রাম, লবণ ৫০০ গ্রাম, হলুদ ১০০ গ্রাম এবং মরিচ ১০০ গ্রাম অন্তর্ভুক্ত ছিল।

নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত দুর্গত মানুষের জীবন, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে উদ্ধার, ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল করিম বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনসাধারণের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও যেকোনো দুর্যোগ ও সংকটময় পরিস্থিতিতে বিজিবির এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”




মাতামুহুরী কলেজের জমি দখল: আলটিমেটাম, অবরোধের ঘোষণা

মাতামুহুরী কলেজের জমি দখল: আলটিমেটাম, অবরোধের ঘোষণা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলার অন্যতম প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘সরকারি মাতামুহুরী কলেজ’-এর প্রায় দুই একর সরকারি জমি জবরদখলের প্রতিবাদে এবং চিহ্নিত দখলদার ও ভূমিদস্যু সুমনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্র-জনতা।

​বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচি থেকে প্রশাসনকে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম প্রদান করা হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমি উদ্ধার না হলে আগামী ২৬ জুলাই থেকে পুরো লামা উপজেলা অচল করে দেওয়াসহ অনির্দিষ্টকালের কড়া আলটিমেটামের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

​সমাবেশে বক্তারা জানান, ৩০৫ নম্বর গজালিয়া মৌজার সাপমারা ঝিরি সীমানার ১৭০ নম্বর হোল্ডিংয়ে অবস্থিত সরকারি মাতামুহুরী কলেজের মালিকানাধীন ২ একর জায়গা দীর্ঘদিন ধরে জবরদখল করে রেখেছেন স্থানীয় মো: সুমন (ওরফে চাঁন্দা সুমন/স্যান্ডেল সুমন)। বক্তাদের অভিযোগ, প্রশাসন ও কলেজ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে উক্ত চিহ্নিত ভূমিদস্যু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি গ্রাস করে রেখেছে।

​সমাবেশ শেষে ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ৫ দফা দাবি তুলে ধরা হয় ১. অবিলম্বে উচ্ছেদ ও দখলমুক্তকরণ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কলেজের জবরদখলকৃত দুই একর জমি থেকে দখলদার সুমনকে উচ্ছেদ করে কলেজের নিয়ন্ত্রণে বুঝিয়ে দেওয়া।

২. লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-কে বাদী হয়ে চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যু মো: সুমনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং তাকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে গ্রেপ্তারের দাবি।

৩. উদ্ধারকৃত জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে পূর্বের ন্যায় কলেজের লোগো সংবলিত সাইনবোর্ড টানানো।

৪.আন্দোলনের বিপক্ষে বা শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনকারী মাফিয়া ও দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভিত্তিহীন পাল্টা মামলা খারিজ করা।

৫. জমি দখলের সময় অভিযোগ পাওয়ার পরও ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ায় লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) শিক্ষার্থীদের সামনে জবাবদিহি করা।

শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আগামী ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে জমি বুঝিয়ে দেওয়া না হলে তারা নিম্নলিখিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাধ্য হবেন,​কলেজে অনির্দিষ্টকালের জন্য তালা ঝুলিয়ে দিয়ে সকল ক্লাস,পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কাজ বন্ধ করা।

অধ্যক্ষকে তাঁর বাসভবনে অবরুদ্ধ করা এবং অধ্যাপকদের কার্যালয়ে প্রবেশ করতে না দেওয়া।​লামা-চকরিয়া প্রধান সড়কসহ উপজেলার সকল প্রবেশপথ অবরুদ্ধ করে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করা।
​প্রশাসনিক কার্যালয় ঘেরাও করে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন পালন।

মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রী ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন শিক্ষার্থীরা।

​উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশ ও কর্মসূচিতে সরকারি মাতামুহুরী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মোনায়েম, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক শামসুল আলম, অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক রফিকুল ইসলাম খাঁ, ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক ইয়াসির আরাফাত, বাংলা বিভাগের প্রভাষক আকতার কামাল, ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মনজুর-ই-এলাহী এবং দর্শন বিভাগের প্রভাষক সুমাইয়া আক্তার কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। 
কলেজ ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের সাধারণ শিক্ষার্থীরা সংহতি প্রকাশ করে অংশ নেন। কর্মসূচিতে কলেজের সভাপতি মো: তুষার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: হাসান, সাধারণ সম্পাদক মো: শহিদুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মো: আলাউদ্দিন ও সদস্য মো: রাকিবুল ইসলামসহ ছাত্রনেতা ও বিপুলসংখ্যক সাধারণ শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।