বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে থোয়াইনু অং চৌধুরী
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন

বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে থোয়াইনু অং চৌধুরী

বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে থোয়াইনু অং চৌধুরী
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠনে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব থোয়াইনু অং চৌধুরীর নাম এখন জেলাজুড়ে আলোচনার তুঙ্গে। 
দীর্ঘদিন ধরে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে রাজনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করায় সর্বমহলে তার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে একটিই দাবি'থোয়াইনু অং চৌধুরীকে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই'।

​থোয়াইনু অং চৌধুরী একটি ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তিনি লামা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও গজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ম্রাথোয়াই অং চৌধুরীর সুযোগ্য পুত্র। উল্লেখ্য, তার পিতা ম্রাথোয়াই অং চৌধুরী টানা ৪৫ বছর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে উপজেলা ও জেলার উন্নয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন। পিতার সেই জনসেবার আদর্শ ধারণ করেই রাজপথের রাজনীতিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন থোয়াইনু অং চৌধুরী।
​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, থোয়াইনু অং চৌধুরী দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয়তাবাদী আদর্শের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি তার মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে দলীয় নেতা-কর্মীদের মন জয় করে নিয়েছেন। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম ছাড়াও জনসেবামূলক এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে তিনি এখন বান্দরবানের একজন জননন্দিত নেতা।
​সচেতন মহলের মতে, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং অসহায় মানুষের সেবায় তার দীর্ঘদিনের অবদান রয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি, বাঙালি সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় তিনি সবসময় ইতিবাচক ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন।

​জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলে নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে থোয়াইনু অং চৌধুরী বলেন, তিনি জেলার সার্বিক উন্নয়ন, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা,টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়নে উৎসর্গীকৃতভাবে কাজ করতে চান।

​রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মতে, তুঙ্গস্পর্শী জনপ্রিয়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে থোয়াইনু অং চৌধুরী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সবচেয়ে শক্তিশালী ও যোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।




কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল

কচ্ছপিয়ায় ডাকাতি: কৃষককে মারধর করে টাকা-স্বর্ণ লুট, গুলি ফুটিয়ে পালিয়েছে ডাকাত দল
ছবি সংগৃহীত।

কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়ায় এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাত দলের রড ও দা'র উল্টো পিঠের আঘাতে আহত হন কৃষক মো. ইসমাঈল (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী।

বুধবার (২২ জুলাই) গভীর রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের শহরআলীর চর গ্রামের মোহাম্মদ ইসমাইলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ৭-৮ জন ডাকাত অংশ নেয়।

তারা কৃষক ইসমাঈলের বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ১৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে। এমনকি কৃষককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁর কোলের শিশুকে বিছানায় শুইয়ে জবাই করতেও উদ্যত হয় ডাকাত দল। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কৃষক ইসমাঈল এ প্রতিবেদকের কাছে অকপটে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বাড়ির সবকিছু লুট করে চলে যাওয়ার সময় ডাকাতদল তাঁর বাড়ি থেকে ৩০ ফুট দূরে গিয়ে পরপর দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

ইসমাইল আক্ষেপ করে বলেন, তাঁদের এলাকায় পুলিশ কখনো টহল দেয় না। যদি মাঝে মাঝে পুলিশি টহল থাকত, তবে ডাকাত দল অস্ত্র নিয়ে তাঁর বাড়িতে ডাকাতি করার সাহস পেত না। তিনি এখন নিঃস্ব।

বর্তমানে এই ইউনিয়নের শহরআলীর চর, নাপিতের চর, ডেইংগার চর, ডাকভাঙ্গা ও আশপাশের মানুষ চরম আতঙ্কে রয়েছে।




লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা

লামায় বোনের পালিয়ে বিয়ের ক্ষোভে ভাইয়ের আত্মহত্যা
ছবি সংগৃহীত।

বান্দরবানের লামা উপজেলায় বোনের পালিয়ে বিয়ের খবর সহ্য করতে না পেরে মো. হাসান (২৫) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে লামা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান পাড়াস্থিত একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. হাসান পটিয়া থানার কোলাগাঁও টেক (চর কানাই, ছবুর মার্কেট) এলাকার মনো মিয়ার ছেলে এবং মো. সোলাইমানের পালক পুত্র। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সাথে লামা পৌরসভার চেয়ারম্যান পাড়ার আনোয়ারা বেগমের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত হাসানের ছোট বোন মেহেরুন্নেসা (২০) পরিবারের অজান্তে স্থানীয় সাকিব নামের এক যুবকের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। ছোট বোনের এমন কাণ্ড মেনে নিতে না পেরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিমানে হাসান নিজ বসতঘরের বাঁশের আড়ার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

খবর পেয়ে লামা থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল কবির সঙ্গীয় ফোর্সসহ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ মরহুমের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

এ বিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কায়ছার হামিদ জানান, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”




নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২
ছবি সংগৃহীত।

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিপুল পরিমাণ টাকাসহ ২ চোরাকারবারিকে আটক করেছে বিজিবি। এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোজাম্মেল হক।

বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে আটকের পর তাদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সীমান্ত এলাকা থেকে টাকাসহ আটক ২ জনকে থানায় সোপর্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— ছুরত আলম (৩২) ও আমানুল্লাহ (৪০)। তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

সূত্র আরও জানায়, আটক ব্যক্তিদের সীমান্তের ৫০ নম্বর পিলার এলাকা থেকে আটক করেছে ১১ বিজিবির আওতাধীন লেবুছড়ি বিওপির জওয়ানেরা।

১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, “বিজিবি সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী। যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড বিজিবি কঠোর হস্তে দমন করবে। এতে ছাড় দেওয়া হবে না।”