বাঁশখালীতে বন্যা দূর্গত এলাকা পরিদর্শন হেফাজত আমিরের

বন্যা দূর্গত এলাকা পরিদর্শন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের খোঁজ খবর নিতে শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে বাঁশখালীতে এসেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। এসময় তিনি বাহারছড়া ইউনিয়নের ইলশা গ্রামে বন্যা দূর্গতদের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।
এসময় এসময় হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান, নায়েবে আমির ও হাটহাজারী মাদ্রাসার প্রধান মুফতি আল্লামা মুফতি জসিম উদ্দিন, নায়েবে আমির ও জিরি মাদ্রাসার প্রধান পরিচালক আল্লামা হাফেজ খোবাইব বিন তৈয়ব, পটিয়া মাদ্রাসার প্রধান পরিচালক আল্লামা মুফতি ইকরাম হোসাইন অদুদী, বাবুনগর মাদ্রাসার মুহাদ্দিস আল্লামা আইয়ুব বাবুনগরী, বাঁশখালী উপজেলা হেফাজতের আমির মাওলানা নুরুল হক সুজিশ, পৌরসভা আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান, উপজেলা সেক্রেটারী মাওলানা মহিউদ্দিন খান জসিম, সাংবাদিক শফকত হোসাইন চাটগামী, হেফাজত নেতা মাওলানা জুনাইদুর রশীদ শওকী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বন্যা দূর্গত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণের কালে হেফাজত আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, আমি বাঁশখালীর মানুষকে দেখতে এসেছি। দোয়া করতে এসেছি। যৎ সামান্য হাদিয়া ক্ষতিগ্রস্ত কিছু মানুষের হাতে তুলে দিচ্ছি। আগামীতে আরও ব্যাপকভাবে আবার আসব। সংগঠনের নেতাকর্মী আলেম ওলামাদের তিনি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়ে বলেন, মানুষের খেদমত করা অন্যতম বড় এবাদত।
হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান বলেন, বাঁশখালীতে বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখানে হাজার হাজার মানুষের ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে, নষ্ট হয়েছে। সরকার দূর্গত এলাকায় এখনো পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা পৌঁছাতে পারেনি। অনেক মানুষ এখনো পানিবন্দি। রাস্তাঘাট বন্যায় ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। তিনি অবিলম্বে দূর্গত এলাকায় পর্যাপ্ত বরাদ্দ ও ক্ষতিগ্রস্তদের পূনর্বাসনের দাবি জানান। মাওলানা সাজিদুর রহমান বলেন, সরকারের পাশাপাশি আমরা হেফাজতের পক্ষ থেকে ফান্ড কালেকশন করে বাঁশখালীসহ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলা গুলোতে পুনর্বাসন কাজ চালাব ইনশাআল্লাহ।
নায়েবে আমির ও জিরি মাদ্রাসার পরিচালক আল্লামা খোবাইব বিন তৈয়ব বলেন, আমরা বাঁশখালীতে হেফাজত আমির ও মহাসচিবের নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়েছি। চকরিয়া, পেকুয়া সাতকানিয়া এবং চন্দনাইশেও ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আগামীতে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘরগুলো মেরামত ও সংস্কারের জন্য দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়েছি। তিনি সরকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি সংগঠন ও আলেম ওলামাদের বন্যা দূর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান।
পরে হেফাজত আমিরের পক্ষে আজ বাঁশখালীর বাহারছড়া, ইলশা, সরল, মিনজিরিতলাসহ বিভিন্ন এলাকায় বন্যা দূর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়।






